চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে জেলহত্যা মামলা। বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের কার্যতালিকায় এলে চূড়ান্ত শুনানি হবে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ লিভ টু আপিল (নিয়মিত আপিলের আবেদন) করলে ১১ জানুয়ারি ওই সময়কার প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সরকারের এ আবেদন মঞ্জুর করেন। আদেশে সরকারকে ৩০ দিনের মধ্যে নিয়মিত আপিল করতে বলা হয়। বর্তমানে সরকার আপিল শুনানির জন্য আবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ছাড়া ঐ সময় সরকারের করা অপর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এ মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও আবুল হাসেম মৃধাকে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ না করলে তাদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠাতে আইনশৃক্সখলা রক্ষাবাহিনীর প্রতিও নির্দেশ দেন আদালত। আসামিরা কয়েক যুগ ধরে বিদেশে আত্মগোপন করে থাকায় নিম্ন আদালতে তাদের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা ক্ষীণ। একই কারণে আইনশৃক্সখলা রক্ষাবাহিনীও এদের ধরতে পারেনি বলে জানা গেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে সরকারে যোগদানের প্রস্তাব দেয়। বঙ্গবন্ধুর আজীবন ঘনিষ্ঠ সহকর্মী জাতীয় চার নেতা ঘৃণাভরে সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ১৫ আগস্টের সেই ঘাতকরা পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বর কারাগারে ঢুকে নিউ সেলের ভেতর অন্তরীণ চার নেতাকে প্রথমে গুলি করে ও পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় ৪ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল বাদী হয়ে সেনাবাহিনীর রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত চার-পাঁচজন সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। কিন্তু তৎকালীন সরকারসহ পরবর্তী সরকারগুলোর বাধার মুখে মামলার তদন্ত ২১ বছর থেমে থাকে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তদন্ত শুরু হয়। ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযুক্তদের প্রায় সবাই সেনা কর্মকর্তা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি। অভিযুক্তের তালিকায় দু-একজন রাজনীতিকও ছিলেন, যারা নিম্ন আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন। জিম্বাবুয়েতে আত্মগোপনকারী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ পাশা মামলা চলাকালে মৃত্যুবরণ করায় অভিযুক্তের তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন, দফাদার মারফত আলী শাহ ও আবুল হোসেন মৃধাকে ফাঁসি, কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর (অব.) এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, কর্নেল (অব.) খন্দকার আবদুর রশিদ, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) শরীফুল হক ডালিম, কর্নেল (অব.) এম বি নূর চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) এ এম রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব.) আহাম্মদ শরিফুল হোসেন, ক্যাপ্টেন (অব.) কিসমত হাশেম, ক্যাপ্টেন (অব.) নাজমুল হোসেন আনসারীসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, কে এম ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তাহের উদ্দিন ঠাকুর ও মেজর (অব.) খায়রুজ্জামানকে খালাস দেওয়া হয়। এর প্রায় চার বছর পর বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে শুধু রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের ফাঁসি বহাল রাখেন। এ ছাড়া পলাতকরা বাদে নিম্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত সবাই খালাস পান। ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশিদ, মহিউদ্দিন আহমেদ, বজলুল হুদা, মারফত আলী ও আবুল হোসেনের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফারুক রহমান, শাহরিয়ার রশিদ, মহিউদ্দিন আহমেদ ও বজলুল হুদার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় শুধু মারফত আলী ও আবুল হোসেন মৃধার বিরুদ্ধে আপিল বলবৎ আছে। সরকারপক্ষে বিশেষ কেঁৗসুলি হিসেবে মামলা পরিচালনা করছেন অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
Ads by Cash-71
বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও নরসিংদী জেলা সভাপতি খায়রুল কবীর খোকনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের গুলিতে নরসিংদী পৌরসভার মেয়র স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকার খিলগাঁওয়ে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে নরসিংদী নিয়ে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আমাদের নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, পুলিশ তার বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, খোকনকে অন্যায়, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবীর খোকনের স্ত্রী মহিলা দল সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানা বলেন, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ খিলগাঁও মাটির মসজিদের বাসা থেকে খোকনকে নিয়ে যায়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার আশরাফুজ্জামান জানান, ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় খোকনকে গ্রেফতার করেছে নরসিংদী পুলিশ। কিছু সময়ের জন্য তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়। পরে নরসিংদী থানা পুলিশ তাকে নিয়ে রওনা দেয়।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নরসিংদী শহরের সদর রোডে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আততায়ীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন লোকমান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবীর খোকনের স্ত্রী মহিলা দল সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানা বলেন, মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ খিলগাঁও মাটির মসজিদের বাসা থেকে খোকনকে নিয়ে যায়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার আশরাফুজ্জামান জানান, ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় খোকনকে গ্রেফতার করেছে নরসিংদী পুলিশ। কিছু সময়ের জন্য তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়। পরে নরসিংদী থানা পুলিশ তাকে নিয়ে রওনা দেয়।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নরসিংদী শহরের সদর রোডে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আততায়ীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন লোকমান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিজের প্রতিষ্ঠিত কবরস্থানেই অন্তিম শয়ানে শায়িত হলেন নরসিংদী পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন। তুমুল জনপ্রিয় এ তরুণ নেতার এমন বিদায় মেনে নিতে পারছেন না তার সমর্থকরা। যিনি তাদের কাছে 'নরসিংদীর উন্নয়নের জনক' হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সমর্থকদের দাবি, লোকমান হেসেনের হাতেই নরসিংদীর উন্নয়ন হয়েছে। এমনকি তাকে যে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে_ সেটিও তিনিই নির্মাণ করেছেন। লোকমান হোসেনের লাশ গতকাল সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার বাড়িতে রাখা হয়। হাজার হাজার মানুষ সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আসরের পর মুসলেহ উদ্দিন স্টেডিয়ামে প্রথম নামাজে জানাজা হয়। দ্বিতীয় জানাজা হয় পৌর ঈদগাহ মাঠে। এ দুই জানাজায়ই বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। এরপর পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এই কবর স্থানটি তার উদ্যোগেই নির্মিত হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, লোকমান হোসেন তরুণ বয়সেই মানুষের প্রাণের নেতায় পরিণত হন। একজন জনপ্রতিনিধি যে এত জনপ্রিয় হতে পারেন, আজকের জনস্রোতই তার প্রমাণ। তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন জননেতা ছিলেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সব দলের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল। যে কারণে মেয়র নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে নরসিংদী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ হতভম্ব হয়ে গেছেন। এমন একজন মানুষ খুন হতে পারেন, কেউ তা বিশ্বাস করতে পারছেন না। লোকমান হোসেন পরপর দুবার নরসিংদীর মেয়র নির্বাচিত হন। প্রথমবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। তাই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবেই বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করেন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, লোকমান হোসেন তরুণ বয়সেই মানুষের প্রাণের নেতায় পরিণত হন। একজন জনপ্রতিনিধি যে এত জনপ্রিয় হতে পারেন, আজকের জনস্রোতই তার প্রমাণ। তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন জননেতা ছিলেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সব দলের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল। যে কারণে মেয়র নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে নরসিংদী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ হতভম্ব হয়ে গেছেন। এমন একজন মানুষ খুন হতে পারেন, কেউ তা বিশ্বাস করতে পারছেন না। লোকমান হোসেন পরপর দুবার নরসিংদীর মেয়র নির্বাচিত হন। প্রথমবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। তাই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবেই বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লাসহ অভিযুক্ত ৭ যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। আগামী ডিসেম্বরে এদের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে। নতুন বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে তা পুরো দমে চলবে। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে যুদ্ধাপরাধ বিচার কার্যক্রম পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভা শেষে আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আগামী ৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। সাঈদীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। ২০ নভেম্বর তার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হবে।
জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, ওয়েট অ্যান্ড সি (অপেক্ষা করুন এবং দেখুন)। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সরাষ্ট্র সচিব আবদুস মনজুর হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়া যতদূর এগিয়েছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। ২০ নভেম্বর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আরও বড় কয়েকটি মামলা হবে। তবে টাকা পয়সার বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করতে পেরেছি এটা বড় বিষয়। বিচার শেষ করতে অনেক সময় ৩০-৪০ বছরও লেগে যেতে পারে। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সভায় বিচার কাজে আনুষঙ্গিক সহযোগিতা (লজিস্টিক সাপোর্ট), আইনজীবী দল (প্রসিকিউশন টিম) ও তদন্ত নিয়ে আলোচনা করেছি। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে তাড়াহুড়া নেই।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হবে কিনা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, খুনি নূর চৌধুরী কানাডায় ও রাশেদ চৌধুরী আমেরিকায় রয়েছেন। এ দুজনকে ফিরিয়ে আনতে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আগামী ৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে। সাঈদীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। ২০ নভেম্বর তার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হবে।
জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, ওয়েট অ্যান্ড সি (অপেক্ষা করুন এবং দেখুন)। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সরাষ্ট্র সচিব আবদুস মনজুর হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়া যতদূর এগিয়েছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। ২০ নভেম্বর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আরও বড় কয়েকটি মামলা হবে। তবে টাকা পয়সার বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করতে পেরেছি এটা বড় বিষয়। বিচার শেষ করতে অনেক সময় ৩০-৪০ বছরও লেগে যেতে পারে। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সভায় বিচার কাজে আনুষঙ্গিক সহযোগিতা (লজিস্টিক সাপোর্ট), আইনজীবী দল (প্রসিকিউশন টিম) ও তদন্ত নিয়ে আলোচনা করেছি। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়ে তাড়াহুড়া নেই।
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হবে কিনা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, খুনি নূর চৌধুরী কানাডায় ও রাশেদ চৌধুরী আমেরিকায় রয়েছেন। এ দুজনকে ফিরিয়ে আনতে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবাদের আগুনে জ্বলছে নরসিংদী হরতালে ট্রেনে আগুন, মহাসড়ক অবরোধ, আতঙ্ক উদ্বেগ ক্ষোভ
Posted by methun
পূর্ববর্তী সংবাদ
প্রতিবাদের আগুনে জ্বলছে নরসিংদী
হরতালে ট্রেনে আগুন, মহাসড়ক অবরোধ, আতঙ্ক উদ্বেগ ক্ষোভ
সাখাওয়াত কাওসার, নরসিংদী থেকে
নরসিংদীর পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেনের হত্যা ঘটনার পর থেকে পুরো শহর ভুতুড়ে। হরতালের কারণে গতকাল দিনভর নরসিংদী শহর ছিল থমথমে। তবে নিহতের জানাজা ও দাফনের জন্য সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার জন্য হরতাল শিথিল করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শহর ছাত্রলীগ ৭২ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহার করলেও সাধারণ মানুষের চোখেমুখে ছিল আতঙ্ক, উদ্বেগ আর ক্ষোভ। শহরের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেছে তারা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্দুর ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ লোকজন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ভস্মীভূত হয় ১৪টি বগি। হরতাল শিথিল হলেও শহর এলাকায় সকাল থেকে দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত খোলা থাকলেও উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। বন্ধ ছিল যান চলাচল। মেয়র হত্যার প্রতিবাদে দিনভর শহরের বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। দুপুরে পৌর মেয়রের লাশ নরসিংদীর বাসাইলে নিজ বাসভবনে আনা হলে মানুষের ঢল নামে। এ সময় তার কর্মী-সমর্থকরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। বিকালে তিন দফা জানাজা শেষে লোকমানকে দাফন করা হয় তারই প্রতিষ্ঠিত পৌর কবরস্থানে।
এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা ও সংঘর্ষ এড়াতে মঙ্গলবার রাত থেকেই শহরের প্রতিটি মোড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। শহরজুড়ে টহল দেয় আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা। র্যাব, পুলিশ ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। জড়িত সন্দেহে নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। এ প্রতিবেদন তৈরি পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি। তবে তাকে সন্দেহভাজন গ্রেফতার দেখিয়ে গতকাল নরসিংদী কারাগারে পাঠানো হয়েছে। খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ নিন্দা জানান দলের দফতর সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ঘোষণা দিয়েছেন, মেয়র লোকমানের হত্যাকারী যত শক্তিশালীই হোক, তাকে গ্রেফতার করা হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে পৌর মেয়র হত্যার প্রতিবাদে আজ দেশের প্রতিটি পৌরসভায় এক ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে মিউনিসিপ্যালিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
যেভাবে হত্যাকাণ্ড : প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর রোডে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আসেন পৌর মেয়র লোকমান হোসেন। এর কিছু আগে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিন ভূঁইয়া সেখানে উপস্থিত হন। একে একে আওয়ামী লীগের আরও ১২-১৩ জন নেতা-কর্মী সেখানে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন লোকমান। ঠিক সাড়ে ৭টার দিকে কার্যালয়ে হঠাৎ ঢুকে পড়ে মুখোশধারী তিন যুবক। প্রায় একই আকৃতির তিন যুবক কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই খুব কাছ থেকে লোকমানকে লক্ষ্য করে চারটি গুলি ছোড়ে। গুলি পৌর মেয়রের বুকে, পেটে ও হাতে বিদ্ধ হলে তিনি চেয়ার থেকে নিচে পড়ে যান। প্রায় একই সময় বাইরে অপেক্ষমাণ মুখোশধারী আরও দুই যুবক অস্ত্র উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শী পান-দোকানি জব্বার মিয়া বলেন, মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে অপারেশন শেষ করে ১০০ গজ দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলে ঘাতকরা পালিয়ে যায়। পেশাদার ও ভাড়াটে খুনিরাই হত্যা করেছে পৌর মেয়র লোকমান হোসেনকে, এমনটা মনে করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভাঙল রাতের নিস্তব্ধতা
ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়র লোকমানকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১১টায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর শুনে হাজার হাজার মানুষ রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে রাস্তায় নেমে আসে। শুরু হয় অবরোধ, ভাঙচুর আর অগি্নসংযোগ। রাত ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ অবরোধ করে যান ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। প্রায় অর্ধশত গাড়ি, বেশ কিছু দোকানপাট এবং সার্কিট হাউসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। সার্কিট হাউসের আসবাবপত্র প্রধান ফটকের বাইরে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। ৭২ ঘণ্টা হরতালের ডাকে জেলা ছাত্রলীগ।
এদিকে শহরের বাসাইল এলাকায় লোকমানের বাসায় গতকাল গিয়ে দেখা যায়, নিহতের মা মজিদা খাতুন ও স্ত্রী বুলবুলি আক্তার বাকরুদ্ধ। মাঝেমধ্যেই চিৎকার করে স্ত্রী বলছিলেন, 'আমার স্বামী মরতে পারে না। আমি তা বিশ্বাস করি না। এই তো কিছুক্ষণ আগেই সে আমার বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা করেছে। আমার সন্তানরা এখন কাকে বাবা বলে ডাকবে!' তার কান্না দেখে আগতদের কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
খুনের নেপথ্যে : পরপর দুবার পৌর নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠতে থাকেন লোকমান হোসেন। পুরো নরসিংদী জেলায় তার ইমেজ ছড়িয়ে পড়ে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রায়পুরা আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে তাকে নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন বর্তমান এমপি, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজু। এ ছাড়া সম্প্রতি ছাত্রলীগের জেলা কমিটি গঠন নিয়ে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজুর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন মেয়র লোকমান হোসেন। সুপারিশ না রাখায় লোকমান হোসেনের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন মন্ত্রী।
এদিকে ১৫ অক্টোবর দুপুরে নরসিংদী সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম লেলিনের (মন্ত্রী রাজুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত) ওপর হামলার জের ধরে মন্ত্রী ও লোকমানের মধ্যে দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পরে ২২ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগ কলেজে ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মন্ত্রী রাজুর বিরুদ্ধে জুতা-মিছিল করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন লোকমানের ছোট ভাই জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম নেওয়াজ। পরে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে নরসিংদীতে মন্ত্রীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রলীগ।
অন্যদিকে সমপ্রতি সিঅ্যান্ডবির জায়গায় অর্ধশতাধিক দোকান নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দূরত্ব বাড়তে থাকে মন্ত্রী রাজু ও লোকমানের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও লোকমানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের মদদদানের কিছু অভিযোগ ছিল। আওয়ামী লীগ নেতা হয়েও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম মান্নান ভূঁইয়ার সঙ্গে একসময় তার ছিল দহরম-মহরম সম্পর্ক। হত্যার শিকার হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই সম্পর্ক তিনি অব্যাহত রেখেছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি খায়রুল কবীর খোকনের সঙ্গে। এ ছাড়া কমিশনার মানিক, নুরুজ্জামান নুরা ও ইমরান হত্যার নেপথ্যে মেয়র লোকমানের হাত আছে বলে অভিযোগ ছিল। সব মিলিয়ে ঘরে-বাইরে শত্রু তৈরি করেছিলেন মেয়র লোকমান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ হাজি আবদুর সাত্তার ও সালাহউদ্দিন বাচ্চু আত্মগোপন করেন। তাদের মুঠোফোনের কল-লিস্ট ঘাঁটলে ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাইয়ূম সরকার জানান, সরকার আন্তরিক হলে এ ঘটনার রহস্য শিগগিরই বের করা সম্ভব।
পুলিশি তৎপরতা : মঙ্গলবার রাতে ওই ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমেছে আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা। ওই রাতেই পুলিশ, র্যাব ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনো আলামত উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনিক গুলির খোসাও উদ্ধার করতে পারেনি তারা।
জেলা পুলিশ সুপার আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডে ঘাতকরা উন্নত মানের অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এর ফলে ঘটনাস্থলে গুলির খোসা পাওয়া যায়নি। ঘাতকদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি টিম মাঠে নেমেছে বলে তিনি জানান। ঘটনার পর থেকে পুরো শহরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
জানাজা ও দাফন : শোকের মাতমে স্তব্ধ নরসিংদী। অশ্রুসিক্ত চোখে মেয়রকে চিরবিদায় জানালেন নরসিংদীবাসী। বিকাল ৪টায় (বাদ আসর) জেলা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ, পৌরসভা প্রাঙ্গণ ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে লাখো জনতার অংশগ্রহণে তিন দফা জানাজা হয়। এরপর পৌর কবরস্থানে লোকমান হোসেনকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ ও বাহাউদ্দিন নাসিম। এ ছাড়া স্থানীয় এমপি আনোয়ারুল আশরাফ দিলীপসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মেয়র লোকমান হত্যার তীব্র নিন্দা ও ঘাতকদের গ্রেফতার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাজী মাহমুদ হাসান, জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান।
এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা ও সংঘর্ষ এড়াতে মঙ্গলবার রাত থেকেই শহরের প্রতিটি মোড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ। শহরজুড়ে টহল দেয় আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা। র্যাব, পুলিশ ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। জড়িত সন্দেহে নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। এ প্রতিবেদন তৈরি পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি। তবে তাকে সন্দেহভাজন গ্রেফতার দেখিয়ে গতকাল নরসিংদী কারাগারে পাঠানো হয়েছে। খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ নিন্দা জানান দলের দফতর সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ঘোষণা দিয়েছেন, মেয়র লোকমানের হত্যাকারী যত শক্তিশালীই হোক, তাকে গ্রেফতার করা হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে পৌর মেয়র হত্যার প্রতিবাদে আজ দেশের প্রতিটি পৌরসভায় এক ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে মিউনিসিপ্যালিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
যেভাবে হত্যাকাণ্ড : প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর রোডে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আসেন পৌর মেয়র লোকমান হোসেন। এর কিছু আগে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিন ভূঁইয়া সেখানে উপস্থিত হন। একে একে আওয়ামী লীগের আরও ১২-১৩ জন নেতা-কর্মী সেখানে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন লোকমান। ঠিক সাড়ে ৭টার দিকে কার্যালয়ে হঠাৎ ঢুকে পড়ে মুখোশধারী তিন যুবক। প্রায় একই আকৃতির তিন যুবক কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই খুব কাছ থেকে লোকমানকে লক্ষ্য করে চারটি গুলি ছোড়ে। গুলি পৌর মেয়রের বুকে, পেটে ও হাতে বিদ্ধ হলে তিনি চেয়ার থেকে নিচে পড়ে যান। প্রায় একই সময় বাইরে অপেক্ষমাণ মুখোশধারী আরও দুই যুবক অস্ত্র উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শী পান-দোকানি জব্বার মিয়া বলেন, মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে অপারেশন শেষ করে ১০০ গজ দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলে ঘাতকরা পালিয়ে যায়। পেশাদার ও ভাড়াটে খুনিরাই হত্যা করেছে পৌর মেয়র লোকমান হোসেনকে, এমনটা মনে করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভাঙল রাতের নিস্তব্ধতা
ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়র লোকমানকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১১টায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর শুনে হাজার হাজার মানুষ রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে রাস্তায় নেমে আসে। শুরু হয় অবরোধ, ভাঙচুর আর অগি্নসংযোগ। রাত ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ অবরোধ করে যান ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। প্রায় অর্ধশত গাড়ি, বেশ কিছু দোকানপাট এবং সার্কিট হাউসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। সার্কিট হাউসের আসবাবপত্র প্রধান ফটকের বাইরে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। ৭২ ঘণ্টা হরতালের ডাকে জেলা ছাত্রলীগ।
এদিকে শহরের বাসাইল এলাকায় লোকমানের বাসায় গতকাল গিয়ে দেখা যায়, নিহতের মা মজিদা খাতুন ও স্ত্রী বুলবুলি আক্তার বাকরুদ্ধ। মাঝেমধ্যেই চিৎকার করে স্ত্রী বলছিলেন, 'আমার স্বামী মরতে পারে না। আমি তা বিশ্বাস করি না। এই তো কিছুক্ষণ আগেই সে আমার বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা করেছে। আমার সন্তানরা এখন কাকে বাবা বলে ডাকবে!' তার কান্না দেখে আগতদের কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
খুনের নেপথ্যে : পরপর দুবার পৌর নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠতে থাকেন লোকমান হোসেন। পুরো নরসিংদী জেলায় তার ইমেজ ছড়িয়ে পড়ে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রায়পুরা আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে তাকে নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন বর্তমান এমপি, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজু। এ ছাড়া সম্প্রতি ছাত্রলীগের জেলা কমিটি গঠন নিয়ে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজুর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন মেয়র লোকমান হোসেন। সুপারিশ না রাখায় লোকমান হোসেনের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন মন্ত্রী।
এদিকে ১৫ অক্টোবর দুপুরে নরসিংদী সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম লেলিনের (মন্ত্রী রাজুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত) ওপর হামলার জের ধরে মন্ত্রী ও লোকমানের মধ্যে দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পরে ২২ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগ কলেজে ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মন্ত্রী রাজুর বিরুদ্ধে জুতা-মিছিল করে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন লোকমানের ছোট ভাই জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম নেওয়াজ। পরে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে নরসিংদীতে মন্ত্রীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছাত্রলীগ।
অন্যদিকে সমপ্রতি সিঅ্যান্ডবির জায়গায় অর্ধশতাধিক দোকান নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দূরত্ব বাড়তে থাকে মন্ত্রী রাজু ও লোকমানের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহরের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও লোকমানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের মদদদানের কিছু অভিযোগ ছিল। আওয়ামী লীগ নেতা হয়েও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম মান্নান ভূঁইয়ার সঙ্গে একসময় তার ছিল দহরম-মহরম সম্পর্ক। হত্যার শিকার হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই সম্পর্ক তিনি অব্যাহত রেখেছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি খায়রুল কবীর খোকনের সঙ্গে। এ ছাড়া কমিশনার মানিক, নুরুজ্জামান নুরা ও ইমরান হত্যার নেপথ্যে মেয়র লোকমানের হাত আছে বলে অভিযোগ ছিল। সব মিলিয়ে ঘরে-বাইরে শত্রু তৈরি করেছিলেন মেয়র লোকমান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ হাজি আবদুর সাত্তার ও সালাহউদ্দিন বাচ্চু আত্মগোপন করেন। তাদের মুঠোফোনের কল-লিস্ট ঘাঁটলে ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাইয়ূম সরকার জানান, সরকার আন্তরিক হলে এ ঘটনার রহস্য শিগগিরই বের করা সম্ভব।
পুলিশি তৎপরতা : মঙ্গলবার রাতে ওই ঘটনার পরপরই তদন্তে নেমেছে আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা। ওই রাতেই পুলিশ, র্যাব ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনো আলামত উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনিক গুলির খোসাও উদ্ধার করতে পারেনি তারা।
জেলা পুলিশ সুপার আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডে ঘাতকরা উন্নত মানের অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এর ফলে ঘটনাস্থলে গুলির খোসা পাওয়া যায়নি। ঘাতকদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি টিম মাঠে নেমেছে বলে তিনি জানান। ঘটনার পর থেকে পুরো শহরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
জানাজা ও দাফন : শোকের মাতমে স্তব্ধ নরসিংদী। অশ্রুসিক্ত চোখে মেয়রকে চিরবিদায় জানালেন নরসিংদীবাসী। বিকাল ৪টায় (বাদ আসর) জেলা স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ, পৌরসভা প্রাঙ্গণ ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে লাখো জনতার অংশগ্রহণে তিন দফা জানাজা হয়। এরপর পৌর কবরস্থানে লোকমান হোসেনকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ ও বাহাউদ্দিন নাসিম। এ ছাড়া স্থানীয় এমপি আনোয়ারুল আশরাফ দিলীপসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মেয়র লোকমান হত্যার তীব্র নিন্দা ও ঘাতকদের গ্রেফতার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাজী মাহমুদ হাসান, জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান।
আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সামসুল হক গ্রেপ্তার হয়েছেন।
সোমবার সকালে বড়দেশী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সাভার মডেল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন।
গত ১৮ জুলাই শবেবরাতের রাতে বড়দেশী এলাকার কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে পিটুনিতে ঢাকার ছয় ছাত্র নিহত হয়।
ওসি আসাদুজ্জামান জানান, সকাল ৯টার দিকে সামসুল হক ওরফে সামসু মেম্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন।
সামসুকে 'মাদক সম্রাট' উল্লেখ করে ওসি জানান, সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলাম (৩৬) হত্যা মামলারও সন্দেহভাজন আসামি তিনি। ওই মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ডাকাতির মামলাটি দায়ের করেন স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক। অপরদিকে পুলিশ পাঁচ-ছয়শ গ্রামবাসীকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। দু'টি মামলাই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, সামসু মেম্বারের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সিআইডিকে জানানো হয়েছে। সিআইডি সামসুকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাবে।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, সামসুকে ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তবে গ্রেপ্তার সামসু মেম্বার ছাত্র হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, তিনি বালু ব্যবসায়ী। মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত নন। পুলিশ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
আমিনবাজার ইউপি সদস্য হিসেবে ১৯৭৯ সাল থেকে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন সামসু। তিনি বড়দেশী এলাকার মধ্যপাড়া মহল্লার জমসেদ আলীর পুত্র।
ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে সাভার থানার ওািসসহ সাত পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার ও আরো দুই এসআইকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ও একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুটি তদন্ত কমিটিতেই ছাত্র হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহলোর কথা উল্লেখ করা হয়।
কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ছাত্ররা হলেন- ইব্রাহিম খলিল (২৪), শহিদুর রহমান পলাশ (২৬), কামরুজ্জামান কান্ত (২৪), টিপু সুলতান (২৩), শামস রহিম শাম্মাম (২২) ও মনির হোসেন (২৫)।
এসময় আল-আমিন নামের আরো এক যুবক গণপিটুনিতে আহত হন।
সোমবার সকালে বড়দেশী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সাভার মডেল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন।
গত ১৮ জুলাই শবেবরাতের রাতে বড়দেশী এলাকার কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে পিটুনিতে ঢাকার ছয় ছাত্র নিহত হয়।
ওসি আসাদুজ্জামান জানান, সকাল ৯টার দিকে সামসুল হক ওরফে সামসু মেম্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন।
সামসুকে 'মাদক সম্রাট' উল্লেখ করে ওসি জানান, সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলাম (৩৬) হত্যা মামলারও সন্দেহভাজন আসামি তিনি। ওই মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ডাকাতির মামলাটি দায়ের করেন স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক। অপরদিকে পুলিশ পাঁচ-ছয়শ গ্রামবাসীকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। দু'টি মামলাই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, সামসু মেম্বারের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সিআইডিকে জানানো হয়েছে। সিআইডি সামসুকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাবে।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, সামসুকে ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তবে গ্রেপ্তার সামসু মেম্বার ছাত্র হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, তিনি বালু ব্যবসায়ী। মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত নন। পুলিশ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
আমিনবাজার ইউপি সদস্য হিসেবে ১৯৭৯ সাল থেকে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন সামসু। তিনি বড়দেশী এলাকার মধ্যপাড়া মহল্লার জমসেদ আলীর পুত্র।
ছয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে সাভার থানার ওািসসহ সাত পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার ও আরো দুই এসআইকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ও একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুটি তদন্ত কমিটিতেই ছাত্র হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহলোর কথা উল্লেখ করা হয়।
কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ছাত্ররা হলেন- ইব্রাহিম খলিল (২৪), শহিদুর রহমান পলাশ (২৬), কামরুজ্জামান কান্ত (২৪), টিপু সুলতান (২৩), শামস রহিম শাম্মাম (২২) ও মনির হোসেন (২৫)।
এসময় আল-আমিন নামের আরো এক যুবক গণপিটুনিতে আহত হন।
ডিএসইতে সপ্তাহের শেষ দিন লেনদেন হচ্ছে অনেক কম। সূচকও কমছে।
বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর পরপরই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়ে যায়। এরপর সূচক ওঠানামা করলেও তা আর বুধবারের চেয়ে বাড়েনি।
দুপুর দেড়টায় সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৫ হাজার ১৯৫ পয়েন্ট।
এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১২২টির। বদলায়নি ২০টির দাম। আড়াই ঘণ্টায় হাতবদল হয়েছে ৮৫ কোটি টাকার শেয়ার।
বুধবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২০৯ দশমিক ৪১ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
বুধবার লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৭টির এবং কমেছে ১৪৪টির। বদলায়নি ৯টির দাম। হাতবদল হয়েছে ২৮২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার ।
চার দিন টানা দরপতনের পর মঙ্গলবার ডিএসই সাধারণ সূচক ১৬৮ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২০৫ দশমিক ১৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগে বাধ্য করার দাবি জানায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এ দাবি মানা না হলে ৭ ডিসেম্বর মহাসমাবেশ করারও ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।
নয় দিন ছুটি
সাপ্তাহিক ও ঈদুল আজহার ছুটি মিলিয়ে নয় দিন শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে বৃহস্পতিবারই তাই শেষ লেনদেন।
শুক্রবার থেকে এই ছুটি শুরু হবে। ডিএসই -এর উপ মহা-ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) মো. শফিকুর রহমান জানান, ১৩ নভেম্বর রোববার থেকে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর পরপরই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়ে যায়। এরপর সূচক ওঠানামা করলেও তা আর বুধবারের চেয়ে বাড়েনি।
দুপুর দেড়টায় সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৫ হাজার ১৯৫ পয়েন্ট।
এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১২২টির। বদলায়নি ২০টির দাম। আড়াই ঘণ্টায় হাতবদল হয়েছে ৮৫ কোটি টাকার শেয়ার।
বুধবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২০৯ দশমিক ৪১ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
বুধবার লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৭টির এবং কমেছে ১৪৪টির। বদলায়নি ৯টির দাম। হাতবদল হয়েছে ২৮২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার ।
চার দিন টানা দরপতনের পর মঙ্গলবার ডিএসই সাধারণ সূচক ১৬৮ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২০৫ দশমিক ১৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগে বাধ্য করার দাবি জানায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে এ দাবি মানা না হলে ৭ ডিসেম্বর মহাসমাবেশ করারও ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।
নয় দিন ছুটি
সাপ্তাহিক ও ঈদুল আজহার ছুটি মিলিয়ে নয় দিন শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে বৃহস্পতিবারই তাই শেষ লেনদেন।
শুক্রবার থেকে এই ছুটি শুরু হবে। ডিএসই -এর উপ মহা-ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) মো. শফিকুর রহমান জানান, ১৩ নভেম্বর রোববার থেকে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হবে।
৩০তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ৩৬৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন বুধবার এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ৩০তম বিসিএসে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৫ জন। প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার পর ৯ হাজার ৫৯ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। মৌখিক পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ হন ৫ হাজার ৮১০ জন।
নেছার বলেন, "শূন্য পদের সংখ্যা কম হওয়ায় এদের মধ্যে ২ হাজার ৩৬৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। পদ স্বল্পতার কারণে যাদের বিষয়ে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি, তাদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের চেষ্টা করা হবে।"
তবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পিএসসি যাদের নিয়োগের সুপারিশ করেছে, তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬২৩ জন পুরষ এবং ৭৪৪ জন নারী।
এদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে প্রশাসনে ২৮৫ জন, পররাষ্ট্রে ২০, পুলিশ ১৯১, নিরীক্ষা ও হিসাব ৪১, আনসার ৪৪, শুল্ক ও আবগারীতে ৫৪, সমবায়ে ৮, খাদ্য ১০, পরিবার পরিকল্পনা ১৯, ডাক ৬, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক ৫, কর ৩৫, বাণিজ্য ২, ইকনমিক ২৫ এবং তথ্যে ২০ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে পিএসসি।
প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারের কৃষিতে ৫৮ জন, মৎস্যে ৫৬, খাদ্যে ২, স্বাস্থ্যে ৫৭০, তথ্যে ৫, সড়ক ও জনপথে ৪২, রেলওয়ে প্রকৌশলে ২৪, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে ১৯, গণপূর্তে ২৬, পরিসংখ্যানে ১৪, পশু সম্পদে ১৮৫ এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৫৮৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও 'তথ্য বিভ্রাট ও প্রশাসনিক' কারণে ১৩ জনের সুপারিশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে পিএসসি।
গত বছরের ৩০ জুলাই এ বিসিএসের প্রিলিমিনারি এবং চলতি বছর লিখিত পরীক্ষা হয়।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন বুধবার এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ৩০তম বিসিএসে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৫ জন। প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার পর ৯ হাজার ৫৯ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। মৌখিক পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ হন ৫ হাজার ৮১০ জন।
নেছার বলেন, "শূন্য পদের সংখ্যা কম হওয়ায় এদের মধ্যে ২ হাজার ৩৬৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। পদ স্বল্পতার কারণে যাদের বিষয়ে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি, তাদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের চেষ্টা করা হবে।"
তবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পিএসসি যাদের নিয়োগের সুপারিশ করেছে, তাদের মধ্যে ১ হাজার ৬২৩ জন পুরষ এবং ৭৪৪ জন নারী।
এদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে প্রশাসনে ২৮৫ জন, পররাষ্ট্রে ২০, পুলিশ ১৯১, নিরীক্ষা ও হিসাব ৪১, আনসার ৪৪, শুল্ক ও আবগারীতে ৫৪, সমবায়ে ৮, খাদ্য ১০, পরিবার পরিকল্পনা ১৯, ডাক ৬, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক ৫, কর ৩৫, বাণিজ্য ২, ইকনমিক ২৫ এবং তথ্যে ২০ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে পিএসসি।
প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারের কৃষিতে ৫৮ জন, মৎস্যে ৫৬, খাদ্যে ২, স্বাস্থ্যে ৫৭০, তথ্যে ৫, সড়ক ও জনপথে ৪২, রেলওয়ে প্রকৌশলে ২৪, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে ১৯, গণপূর্তে ২৬, পরিসংখ্যানে ১৪, পশু সম্পদে ১৮৫ এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৫৮৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও 'তথ্য বিভ্রাট ও প্রশাসনিক' কারণে ১৩ জনের সুপারিশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে পিএসসি।
গত বছরের ৩০ জুলাই এ বিসিএসের প্রিলিমিনারি এবং চলতি বছর লিখিত পরীক্ষা হয়।
নরসিংদীর ঘটনায় ট্রেন চলাচল পরিস্থিতি বিঘিœত হলেও ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সমস্যা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।
ঈদ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে রেলের বিশেষ সার্ভিস পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আগামী দু-একদিনের মধ্যে' পরিস্থিতি স্বভাবিক হয়ে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, নরসিংদীর ঘটনায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বিঘিœত হলেও অন্য রুটে চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও কিছু সমস্যা থাকলে তা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
নরসিংদী পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে বুধবার সকালে এগারোসিন্ধুর এক্সপ্রেসে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। এতে ট্রেনের ৯টি বগি পুড়ে যায়।
ট্রেনে অগ্নিসংযোগ এবং অবরোধের কারণে বুধবার ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কিশোরগঞ্জের রেল যোগাযোগ এক প্রকার অচল হয়ে পড়ে। রাতে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হলেও এর রেশ থাকে বৃহস্পতিবার সকালেও।
আবুল হোসেন জানান, এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিগুলো মেরামতে ২ কোটি টাকার মতো খরচ হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহণ ক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদ উপলক্ষে সাত জোড়া বিশেষ সার্ভিস ছাড়াও ৩৬টি ব্রডগেজ এবং ২০টি মিটারগেজ বগি মেরামত করে যাত্রী পরিবহণে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে যাত্রীদের সঙ্গেও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রী।
অন্যদের মধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের রেলবিভাগের সচিব মো. ফজলে কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আবু তাহেরসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ঈদ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে রেলের বিশেষ সার্ভিস পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আগামী দু-একদিনের মধ্যে' পরিস্থিতি স্বভাবিক হয়ে আসবে।
মন্ত্রী বলেন, নরসিংদীর ঘটনায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বিঘিœত হলেও অন্য রুটে চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও কিছু সমস্যা থাকলে তা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
নরসিংদী পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে বুধবার সকালে এগারোসিন্ধুর এক্সপ্রেসে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। এতে ট্রেনের ৯টি বগি পুড়ে যায়।
ট্রেনে অগ্নিসংযোগ এবং অবরোধের কারণে বুধবার ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কিশোরগঞ্জের রেল যোগাযোগ এক প্রকার অচল হয়ে পড়ে। রাতে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হলেও এর রেশ থাকে বৃহস্পতিবার সকালেও।
আবুল হোসেন জানান, এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিগুলো মেরামতে ২ কোটি টাকার মতো খরচ হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহণ ক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদ উপলক্ষে সাত জোড়া বিশেষ সার্ভিস ছাড়াও ৩৬টি ব্রডগেজ এবং ২০টি মিটারগেজ বগি মেরামত করে যাত্রী পরিবহণে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে যাত্রীদের সঙ্গেও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রী।
অন্যদের মধ্যে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের রেলবিভাগের সচিব মো. ফজলে কবীর, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আবু তাহেরসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন টেকবাজার এলাকা থেকে একজন ভুয়া চিকিৎসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মুনির উদ্দিন পাটেয়ারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টেকবাজার পোল এলাকায় ডা. তানজিম মাহমুদ নাম নিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে রোগী দেখে আসছিলেন।
মুনিরের বাবার নাম সিরাজুদ্দিন পাটোয়ারী। তার বাড়ি ফেনী জেলার পরশুরাম এলাকার দক্ষিণ ভুতুয়া গ্রামে।
চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মিথ্যা পরিচয়ে মুনির টেকবাজার পোল এলাকায় একটি ফার্মেসিতে রোগী দেখতেন। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি না থাকলেও নামের সঙ্গে এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), পিজিটি চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারের পরিচয় ব্যবহার করতেন তিনি।
গ্রেপ্তারকৃত মুনিরের বিরুদ্ধে ফেনীর পরশুরাম থানায় ২টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
মুনির পুলিশকে জানিয়েছে, তিনি ফেনী সরকারি কলেজ থেকে øাতক পাস করেছেন।
এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় মুনিরের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মুনির উদ্দিন পাটেয়ারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি টেকবাজার পোল এলাকায় ডা. তানজিম মাহমুদ নাম নিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে রোগী দেখে আসছিলেন।
মুনিরের বাবার নাম সিরাজুদ্দিন পাটোয়ারী। তার বাড়ি ফেনী জেলার পরশুরাম এলাকার দক্ষিণ ভুতুয়া গ্রামে।
চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মিথ্যা পরিচয়ে মুনির টেকবাজার পোল এলাকায় একটি ফার্মেসিতে রোগী দেখতেন। প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি না থাকলেও নামের সঙ্গে এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), পিজিটি চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারের পরিচয় ব্যবহার করতেন তিনি।
গ্রেপ্তারকৃত মুনিরের বিরুদ্ধে ফেনীর পরশুরাম থানায় ২টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
মুনির পুলিশকে জানিয়েছে, তিনি ফেনী সরকারি কলেজ থেকে øাতক পাস করেছেন।
এ ঘটনায় চান্দগাঁও থানায় মুনিরের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন।
সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান।
বঙ্গভবনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তার সা¤প্রতিক জার্মানিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন এবং অস্ট্রেলিয়ায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে যোগদান সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, "শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"
সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান।
বঙ্গভবনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তার সা¤প্রতিক জার্মানিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন এবং অস্ট্রেলিয়ায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে যোগদান সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, "শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"
রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সঙ্গে 'সহযোগিতা চুক্তি' করেছে বাংলাদেশ।
এ চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ কাজ, জনশক্তি উন্নয়ন ও আইনি কাঠামো তৈরিসহ বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা দেবে রাশিয়া।
বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এ তথ্য জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে তার কার্যালয়ে এই চুক্তিতে সই করেন ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক সের্গেই ভি কিরিয়েঙ্কো ।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এই চুক্তির আওতায় রূপপুরে ২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে ১ হাজার মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থাকবে।
জাপানের ফুকোশিমা দুর্ঘটনার কথা মাথায় রেখে রূপপুরে সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
ইয়াফেস ওসমান বলেন, "আমরা এ সরকারের সময়েই নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাই।"
পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এই নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়তা করবে।
নিরাপত্তা
কিরিয়েঙ্কো বলেন, এ চুক্তির আওতায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ, ব্যবহৃত জ্বালানি ফিরিয়ে নেওয়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অর্থায়ন, আইনি কাঠামো তৈরি করা এবং নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে বলা হয়েছে।
"সাধারণ চুক্তিতে কেবল নির্মাণ কাজের অংশটুকুই থাকে", ব্যাখ্যা করেন তিনি।
রূপপুর প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, "ফুকোশিমা দুর্ঘটনার পর নতুন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা নতুন নকশায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করবো। এতে পাঁচটি নতুন ব্যবস্থা যোগ করা হয়েছে।"
নির্মাণ ব্যয়
এই পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কতো ব্যয় হবে জানতে চাইলে কিরিয়েঙ্কো বলেন, "সম্ভাব্য খরচ বের করতে হলে কিছু কারিগরি দিক চূড়ান্ত করতে হবে। তাই প্রকল্প ব্যায় জানাতে আরও সময় লাগবে।"
তিনি জানান, রুশ সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ঋণ দেবে। অর্থায়ন নিয়ে পরে চুক্তি হবে।
একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার পর খরচ উঠে আসতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগে।
নির্মাণ
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তুলতে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে।
কিরিয়েঙ্কো বলেন, "চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার নকশাতেই এ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। আমরা রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশে ২৯টি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করেছি। একই নকশা এখানেও ব্যবহৃত হবে।
এই নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোও যুক্ত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানি
কিরিয়েঙ্কো জানান, পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়া। ব্যবহৃত হওয়ার পর জ্বালানি ফেরতও নেবে তারা।
এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক গ্রাম ইউরোনিয়াম থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে তা প্রচলিত পদ্ধতিতে উৎপাদন করতে হলে তিন টন কয়লা লাগবে।
মানবসম্পদ
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাংলাদেশি কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবে রাশিয়া।
কিরিয়েঙ্কো বলেন, "আগামী বছর থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।"
এ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে ২০০৯ সালের ১৩ মে একটি সমঝোতা স্মারক এবং ২১ মে রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এ বছরের পহেলা অগাস্ট মন্ত্রীসভা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন করে। ৩১ অক্টোবর অনুমোদন করা হয় নিরাপত্তা ও আইনি রূপরেখা উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি।
এ চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ কাজ, জনশক্তি উন্নয়ন ও আইনি কাঠামো তৈরিসহ বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা দেবে রাশিয়া।
বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এ তথ্য জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে তার কার্যালয়ে এই চুক্তিতে সই করেন ইয়াফেস ওসমান এবং রাশিয়ার পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক সের্গেই ভি কিরিয়েঙ্কো ।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এই চুক্তির আওতায় রূপপুরে ২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে ১ হাজার মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থাকবে।
জাপানের ফুকোশিমা দুর্ঘটনার কথা মাথায় রেখে রূপপুরে সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
ইয়াফেস ওসমান বলেন, "আমরা এ সরকারের সময়েই নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাই।"
পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকার জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এই নির্ভরশীলতা কমাতে সহায়তা করবে।
নিরাপত্তা
কিরিয়েঙ্কো বলেন, এ চুক্তির আওতায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ, ব্যবহৃত জ্বালানি ফিরিয়ে নেওয়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অর্থায়ন, আইনি কাঠামো তৈরি করা এবং নির্মাণ কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে বলা হয়েছে।
"সাধারণ চুক্তিতে কেবল নির্মাণ কাজের অংশটুকুই থাকে", ব্যাখ্যা করেন তিনি।
রূপপুর প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, "ফুকোশিমা দুর্ঘটনার পর নতুন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা নতুন নকশায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করবো। এতে পাঁচটি নতুন ব্যবস্থা যোগ করা হয়েছে।"
নির্মাণ ব্যয়
এই পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কতো ব্যয় হবে জানতে চাইলে কিরিয়েঙ্কো বলেন, "সম্ভাব্য খরচ বের করতে হলে কিছু কারিগরি দিক চূড়ান্ত করতে হবে। তাই প্রকল্প ব্যায় জানাতে আরও সময় লাগবে।"
তিনি জানান, রুশ সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ঋণ দেবে। অর্থায়ন নিয়ে পরে চুক্তি হবে।
একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার পর খরচ উঠে আসতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগে।
নির্মাণ
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তুলতে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে।
কিরিয়েঙ্কো বলেন, "চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার নকশাতেই এ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। আমরা রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশে ২৯টি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করেছি। একই নকশা এখানেও ব্যবহৃত হবে।
এই নির্মাণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোও যুক্ত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানি
কিরিয়েঙ্কো জানান, পরমাণু বিদুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়া। ব্যবহৃত হওয়ার পর জ্বালানি ফেরতও নেবে তারা।
এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক গ্রাম ইউরোনিয়াম থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে তা প্রচলিত পদ্ধতিতে উৎপাদন করতে হলে তিন টন কয়লা লাগবে।
মানবসম্পদ
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাংলাদেশি কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবে রাশিয়া।
কিরিয়েঙ্কো বলেন, "আগামী বছর থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।"
এ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে ২০০৯ সালের ১৩ মে একটি সমঝোতা স্মারক এবং ২১ মে রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এ বছরের পহেলা অগাস্ট মন্ত্রীসভা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন করে। ৩১ অক্টোবর অনুমোদন করা হয় নিরাপত্তা ও আইনি রূপরেখা উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সম্প্রসারিত ঋণ সহায়তার আওতায় বাংলাদেশকে একশ' কোটি ডলার দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিষদের ২৪ সদস্যের অনেকেই।
গত ২৮ অক্টোবর আইএমএফের নির্বাহী পরিষদ বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে মতামত দেয়।
এতে বলা হয়, "রিজার্ভ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং অর্থনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে (বাংলাদেশে) ঋণ সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন অনেক পরিচালক।"
গত মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বার্ষিক সভায় অংশ নেওয়ার পর দেশে ফিরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান বলেছিলেন, এই ঋণের ব্যাপারে আইএমএফের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই এই ঋণ পাওয়া যাবে বলে আশা করছে সরকার।
গভর্নর বলেন, "এই স¤প্রসারিত ঋণ সুবিধার ক্ষেত্রে কোনো শর্ত নেই। এটা ভালো ঋণ। এ ঋণ নিয়ে আমরা গত কিছুদিন ধরে আলোচনা করছি এবং ইতিবাচক ফল আশা করছি। আইএমএফের বোর্ড মিটিংয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।"
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কিছুদিন আগে এক হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে যাওয়ায় দেশে লেনদেনের ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অবশ্য কয়েকদিন পর রিজার্ভ আবারো এক হাজার ডলারের ওপরে ওঠে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রত্যেকটি দেশের হাতে ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বিদেশি মুদ্রা মজুদ থাকতে হয়। কিন্তু আইএমএফ পরিচালকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে যে ডলার থাকবে তা দিয়ে ২ দশমিক ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।
দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে চাপে না ফেলে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে ভর্তুকির পরিমাণ কীভাবে কমিয়ে আন যায়, তার একটি কৌশল প্রণয়নের ওপরও জোর দিয়েছে আইএমএফ।
জ্বালানি আমদানি এবং ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনায় চলতি অর্থবছর ভর্তুকি বাবদে সরকারের ব্যয় বেশ খানিকটা বেড়ে গেছে।
আইএমএফের মতামতে বলা হয়, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ও সুশাসন খুবই জরুরি।
গত ২৮ অক্টোবর আইএমএফের নির্বাহী পরিষদ বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে মতামত দেয়।
এতে বলা হয়, "রিজার্ভ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং অর্থনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে (বাংলাদেশে) ঋণ সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন অনেক পরিচালক।"
গত মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বার্ষিক সভায় অংশ নেওয়ার পর দেশে ফিরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান বলেছিলেন, এই ঋণের ব্যাপারে আইএমএফের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই এই ঋণ পাওয়া যাবে বলে আশা করছে সরকার।
গভর্নর বলেন, "এই স¤প্রসারিত ঋণ সুবিধার ক্ষেত্রে কোনো শর্ত নেই। এটা ভালো ঋণ। এ ঋণ নিয়ে আমরা গত কিছুদিন ধরে আলোচনা করছি এবং ইতিবাচক ফল আশা করছি। আইএমএফের বোর্ড মিটিংয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।"
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কিছুদিন আগে এক হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে যাওয়ায় দেশে লেনদেনের ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অবশ্য কয়েকদিন পর রিজার্ভ আবারো এক হাজার ডলারের ওপরে ওঠে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রত্যেকটি দেশের হাতে ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বিদেশি মুদ্রা মজুদ থাকতে হয়। কিন্তু আইএমএফ পরিচালকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে যে ডলার থাকবে তা দিয়ে ২ দশমিক ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।
দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে চাপে না ফেলে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে ভর্তুকির পরিমাণ কীভাবে কমিয়ে আন যায়, তার একটি কৌশল প্রণয়নের ওপরও জোর দিয়েছে আইএমএফ।
জ্বালানি আমদানি এবং ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনায় চলতি অর্থবছর ভর্তুকি বাবদে সরকারের ব্যয় বেশ খানিকটা বেড়ে গেছে।
আইএমএফের মতামতে বলা হয়, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ও সুশাসন খুবই জরুরি।
একটি ক্ষতিপূরণ মামলায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম এ মতিন এবং সাবেক নৌ পরিবহন সচিব শেখ মোতাহার হোসেনকে মোট ২৫ কোটি টাকা পরিশোধের আদেশ দিয়েছে আদালত।
চট্টগ্রামের বার্থ অপারেটর প্রতিষ্ঠান এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহাদাত হোসেন সেলিমের দায়ের করা মামলার রায়ে ঢাকার দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ মোহাম্মদ মোহসিনুল হক বৃহস্পতিবার সকালে এই আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়, মতিন ও মোতাহারকে ক্ষতিপূরণের ২৫ কোটি টাকাসহ বাদীর মামলা পরিচালনার যাবতীয় খরচও পরিশোধ করতে হবে। তারা এই অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ বাদীকে পরিশোধ করা হবে। সেটাও সম্ভব না হলে বাদী ওই দুই জনকে দেওয়ানী কারাগারে বন্দি রাখার আবেদন করতে পারবেন।
এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহাদাত হোসেন সেলিম ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
এতে তিনি অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে মতিন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের সময় চট্টগ্রাম কন্টেইনার টার্মিনালে (সিসিটি) অপারেটর নিয়োগের জন্য ডাকা একটি দরপত্র বেআইনি ও অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছিল। এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ সর্বনিু দরদাতা হলেও তাদের কাজটি দেওয়া হয়নি। এতে এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের ২৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
দরপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে মতিন ও সাবেক সচিব মোতাহারের 'বিশেষ উদ্দেশ্য' ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করেন সেলিম।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মতিন বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গঠিত 'গুরুতর অপরাধ দমন সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
চট্টগ্রামের বার্থ অপারেটর প্রতিষ্ঠান এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহাদাত হোসেন সেলিমের দায়ের করা মামলার রায়ে ঢাকার দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ মোহাম্মদ মোহসিনুল হক বৃহস্পতিবার সকালে এই আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়, মতিন ও মোতাহারকে ক্ষতিপূরণের ২৫ কোটি টাকাসহ বাদীর মামলা পরিচালনার যাবতীয় খরচও পরিশোধ করতে হবে। তারা এই অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ বাদীকে পরিশোধ করা হবে। সেটাও সম্ভব না হলে বাদী ওই দুই জনকে দেওয়ানী কারাগারে বন্দি রাখার আবেদন করতে পারবেন।
এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহাদাত হোসেন সেলিম ২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েসের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
এতে তিনি অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে মতিন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের সময় চট্টগ্রাম কন্টেইনার টার্মিনালে (সিসিটি) অপারেটর নিয়োগের জন্য ডাকা একটি দরপত্র বেআইনি ও অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছিল। এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ সর্বনিু দরদাতা হলেও তাদের কাজটি দেওয়া হয়নি। এতে এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজের ২৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
দরপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে মতিন ও সাবেক সচিব মোতাহারের 'বিশেষ উদ্দেশ্য' ছিল বলে মামলায় উল্লেখ করেন সেলিম।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মতিন বিগত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গঠিত 'গুরুতর অপরাধ দমন সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মানব উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলেও জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১৭ ধাপ পিছিয়েছে।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এই সূচকে বিশ্বের ১৮৭টি দেশের মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ 'স্কোর' নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবার ১৪৬তম। গত বছর শূন্য দশমিক ৪৯৬ স্কোরে বাংলাদেশ বিশ্বে ১২৯তম স্থানে ছিল।
ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বুধবার ইউএনডিপির এই মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আর বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশটি। বাংলাদেশে ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর এস্তেফান প্রিসনার অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
এবারের মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান শ্রীলঙ্কা (৯৭), মালদ্বীপ (১০৯), ভারত (১৩৪), ভুটান (১৪১) পাকিস্তানের (১৪৫) চেয়েও পেছনে। কেবল নেপাল (১৫৭) ও আফগানিস্তানই (১৭২) এ দিক দিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে আছে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে।
তবে আগামী বছর এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে ইউএনডিপির প্রতিবেদনে। বিশেষ করে এ বছর লিঙ্গ বৈষম্য এবং শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।
চলতি বছরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু দেখানো হয়েছে ৬৮ দশমিক ৯ বছর। আর মাথাপিছু গড় জাতীয় আয় (জিএনআই) দেখানো হয়েছে ১ হাজার ৫২৯ ডলার।
মানব উন্নয়ন সূচকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ নরওয়ের এবারের স্কোর শূন্য দশমিক ৯৪৩। শূন্য দশমিক ৯২৯ স্কোর নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় এবং শূন্য দশমিক ৯১০ স্কোরে নেদারল্যান্ডস তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এবারের সূচকে সবার নিচে, অর্থাৎ ১৮৭তম অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ২৮৬।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এই সূচকে বিশ্বের ১৮৭টি দেশের মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ 'স্কোর' নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবার ১৪৬তম। গত বছর শূন্য দশমিক ৪৯৬ স্কোরে বাংলাদেশ বিশ্বে ১২৯তম স্থানে ছিল।
ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বুধবার ইউএনডিপির এই মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আর বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশটি। বাংলাদেশে ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর এস্তেফান প্রিসনার অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
এবারের মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান শ্রীলঙ্কা (৯৭), মালদ্বীপ (১০৯), ভারত (১৩৪), ভুটান (১৪১) পাকিস্তানের (১৪৫) চেয়েও পেছনে। কেবল নেপাল (১৫৭) ও আফগানিস্তানই (১৭২) এ দিক দিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে আছে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে।
তবে আগামী বছর এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে ইউএনডিপির প্রতিবেদনে। বিশেষ করে এ বছর লিঙ্গ বৈষম্য এবং শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।
চলতি বছরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু দেখানো হয়েছে ৬৮ দশমিক ৯ বছর। আর মাথাপিছু গড় জাতীয় আয় (জিএনআই) দেখানো হয়েছে ১ হাজার ৫২৯ ডলার।
মানব উন্নয়ন সূচকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ নরওয়ের এবারের স্কোর শূন্য দশমিক ৯৪৩। শূন্য দশমিক ৯২৯ স্কোর নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় এবং শূন্য দশমিক ৯১০ স্কোরে নেদারল্যান্ডস তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এবারের সূচকে সবার নিচে, অর্থাৎ ১৮৭তম অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ২৮৬।
বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি কলংকময় দিন ৩ নভেম্বর। ৩৬ বছর আগে এই দিনে চার জাতীয় নেতাকে কারাগারে বন্দি অবস্থায় হত্যা করা হয়।
পরবর্তী সময়ে ওই দিনটি অভিহিত হয় জেলহত্যা দিবস হিসেবে।
১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান চলে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে হত্যা করা হয় চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরপরই তার ঘনিষ্ঠ এ চার রাজনৈতিক সহকর্মীকে আটক করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। ৩ নভেম্বর কারাগারেই এ চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী এ নেতাদের কারাগারে হত্যার ঘটনাটি বিশ্বে নজিরবিহীন।
বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামান মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
'<ন>জাতিকে নেতৃত্বহীন করতে এ হত্যা'
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে শোককে শক্তিতে পরিণত করার আহবান জানান রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।
তিনি বলেন, "স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"
"ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। তাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসে জেলহত্যা দিবস এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে।" বাণীতে বলেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, "কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতারই অংশ।"
"এর মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের মাটি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।"
"চক্রান্তকারী এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হাত পা গুটিয়ে বসে নেই।" বলে বাণীতে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, "তারা এদেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে বারবার হামলা চালিয়েছে।"
<ন>মামলা ও দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের ওই হত্যাকাণ্ডের পরদিন পুলিশের তখনকার ডিআইজি আবদুল আওয়াল মোসলেমউদ্দিনসহ এ ঘটনায় একটি মামলা করেন।
দীর্ঘ ২৩ বছর মামলাটি কার্যত হিমাগারে থাকার পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর আসামি মোসলেমউদ্দিন ও লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এরপর ৬ বছর মামলার বিচার চলার পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান রায় দেন।
রায়ে পলাতক তিন আসামির ফাঁসি, কর্নেল ফারুক, শাহরিয়ার রশিদ ও বজলুল হুদাসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, কেএম ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তাহের উদ্দিন ঠাকুর ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর খায়রুজ্জামানকে খালাস দেওয়া হয়।
২০০৮ সালের ২৮ অগাস্ট হাইকোর্ট রিসালদার মোসলেহউদ্দিনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি দফাদার মারফত আলী শাহ এবং দফাদার আবুল হোসেন মৃধাকে খালাস দেয়। এছাড়া নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বরখাস্ত লে. কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, অব্যাহতিপ্রাপ্ত মেজর মো. বজলুল হুদা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর একেএম মহিউদ্দিন আহম্মদকে খালাস দেয় হাইকোর্ট। অন্য পলাতক আসামিরা আপিল না করায় হাইকোর্ট তাদের সাজা বহাল রাখে। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে রয়েছে।
জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, "এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ লিভ পিটিশন গ্রহণ করেছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হবে।"
প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় শোকাবহ এ দিবসটিকে স্মরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র সংগঠনের শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে।
এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ অগাস্টে নিহতদের ও জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। একই সময়ে রাজশাহীতে কামরুজ্জামানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। দুপুর সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে (িি.িধষনফ.ড়ৎম) সরাসরি স¤প্রচার করা হবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও চার নেতার একজন সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জেল হত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দলের সব শাখা এবং সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
পরবর্তী সময়ে ওই দিনটি অভিহিত হয় জেলহত্যা দিবস হিসেবে।
১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান চলে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে হত্যা করা হয় চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরপরই তার ঘনিষ্ঠ এ চার রাজনৈতিক সহকর্মীকে আটক করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। ৩ নভেম্বর কারাগারেই এ চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী এ নেতাদের কারাগারে হত্যার ঘটনাটি বিশ্বে নজিরবিহীন।
বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামান মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নানা কর্মসূচি নিয়েছে।
'<ন>জাতিকে নেতৃত্বহীন করতে এ হত্যা'
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে শোককে শক্তিতে পরিণত করার আহবান জানান রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।
তিনি বলেন, "স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"
"ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। তাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসে জেলহত্যা দিবস এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে।" বাণীতে বলেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, "কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতারই অংশ।"
"এর মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের মাটি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।"
"চক্রান্তকারী এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হাত পা গুটিয়ে বসে নেই।" বলে বাণীতে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, "তারা এদেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে বারবার হামলা চালিয়েছে।"
<ন>মামলা ও দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের ওই হত্যাকাণ্ডের পরদিন পুলিশের তখনকার ডিআইজি আবদুল আওয়াল মোসলেমউদ্দিনসহ এ ঘটনায় একটি মামলা করেন।
দীর্ঘ ২৩ বছর মামলাটি কার্যত হিমাগারে থাকার পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর আসামি মোসলেমউদ্দিন ও লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এরপর ৬ বছর মামলার বিচার চলার পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান রায় দেন।
রায়ে পলাতক তিন আসামির ফাঁসি, কর্নেল ফারুক, শাহরিয়ার রশিদ ও বজলুল হুদাসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, কেএম ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তাহের উদ্দিন ঠাকুর ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর খায়রুজ্জামানকে খালাস দেওয়া হয়।
২০০৮ সালের ২৮ অগাস্ট হাইকোর্ট রিসালদার মোসলেহউদ্দিনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি দফাদার মারফত আলী শাহ এবং দফাদার আবুল হোসেন মৃধাকে খালাস দেয়। এছাড়া নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বরখাস্ত লে. কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, অব্যাহতিপ্রাপ্ত মেজর মো. বজলুল হুদা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর একেএম মহিউদ্দিন আহম্মদকে খালাস দেয় হাইকোর্ট। অন্য পলাতক আসামিরা আপিল না করায় হাইকোর্ট তাদের সাজা বহাল রাখে। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে রয়েছে।
জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, "এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ লিভ পিটিশন গ্রহণ করেছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হবে।"
প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় শোকাবহ এ দিবসটিকে স্মরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র সংগঠনের শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে।
এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বনানী কবরস্থানে ১৫ অগাস্টে নিহতদের ও জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। একই সময়ে রাজশাহীতে কামরুজ্জামানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। দুপুর সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে (িি.িধষনফ.ড়ৎম) সরাসরি স¤প্রচার করা হবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও চার নেতার একজন সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জেল হত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দলের সব শাখা এবং সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
Narsinghdi mayor Lokman Hossain has been buried at the municipality graveyard.
He was buried after two namaj-e-janaza, one at Moslehuddin Bhuyian Stadium after Asr prayers and another at municipality Eidgah on Wednesday.
A number of central leaders of Awami League, including joint general secretary Mahbub-ul-Alam Hanif, joined the funeral prayers at the stadium along with people from several upazilas of Narsinghdi.
Lokman, the general secretary of Narsinghdi town Awami League, was shot dead in the town by masked miscreants on Tuesday night.
People of Narsingdi blocked the Dhaka-Sylhet highway and the railway linking Dhaka with Sylhet and Chittagong for hours. They also set fire on six bogeys of a Dhaka-Kishoreganj passenger train.
Bangladesh Chhatra League, the student wing of ruling Awami League, is enforcing a 72-hour general strike in Narsinghdi to protest against the murder.
Shops and business organisations were shut on Wednesday morning. Activists of ruling Awami League and associate organisations took out processions demanding arrest and punishment of the assailants.
The organisers, however, said the first day's protest would not be that tight to facilitate the burial.
Additional police forces have been deployed in the area to control the situation. Deputy inspector general (DIG) of police's Dhaka range M H Nuruzzaman, Rapid Action Battalion-11 additional DIG Mostofa Kamal reached Narsinghdi overnight to keep a close watch on the situation.
Lokman Hossain was the president of Bangladesh Textile Mill Owners Association and Bangladesh Mayor Association. He was twice awarded the gold medal for best mayor.
He left behind two children, a daughter and a son.
District Awami League will observe a three-day mourning. On Friday religious observations will be held for Lokman and a protest rally will follow in the evening.
BNP Narsinghdi unit chief and central education secretary Khairul Kabir Khokon was arrested from Dhaka early on Wednesday, hours after Lokman's death.
He was buried after two namaj-e-janaza, one at Moslehuddin Bhuyian Stadium after Asr prayers and another at municipality Eidgah on Wednesday.
A number of central leaders of Awami League, including joint general secretary Mahbub-ul-Alam Hanif, joined the funeral prayers at the stadium along with people from several upazilas of Narsinghdi.
Lokman, the general secretary of Narsinghdi town Awami League, was shot dead in the town by masked miscreants on Tuesday night.
People of Narsingdi blocked the Dhaka-Sylhet highway and the railway linking Dhaka with Sylhet and Chittagong for hours. They also set fire on six bogeys of a Dhaka-Kishoreganj passenger train.
Bangladesh Chhatra League, the student wing of ruling Awami League, is enforcing a 72-hour general strike in Narsinghdi to protest against the murder.
Shops and business organisations were shut on Wednesday morning. Activists of ruling Awami League and associate organisations took out processions demanding arrest and punishment of the assailants.
The organisers, however, said the first day's protest would not be that tight to facilitate the burial.
Additional police forces have been deployed in the area to control the situation. Deputy inspector general (DIG) of police's Dhaka range M H Nuruzzaman, Rapid Action Battalion-11 additional DIG Mostofa Kamal reached Narsinghdi overnight to keep a close watch on the situation.
Lokman Hossain was the president of Bangladesh Textile Mill Owners Association and Bangladesh Mayor Association. He was twice awarded the gold medal for best mayor.
He left behind two children, a daughter and a son.
District Awami League will observe a three-day mourning. On Friday religious observations will be held for Lokman and a protest rally will follow in the evening.
BNP Narsinghdi unit chief and central education secretary Khairul Kabir Khokon was arrested from Dhaka early on Wednesday, hours after Lokman's death.
The police investigation committee into the Persona affair has sought a fourth extension to its deadline.
Gulshan zone deputy commissioner Lutfur Kabir told on Wednesday that the team had asked for another 10 days to look into the illicit use of CCTV cameras at the popular beauty parlour chain.
The team, which was formed on Oct 3, is led by Gulshan zone additional deputy commissioner Nizamul Hauqe Molla. The other two members are assistant commissioners Mizanur Rahman and Nurul Alam. They were initially given three days to submit a report.
The panel had the deadline stretched by five days each in two phases on Oct 5 and 13, before getting another extension, this time by 10 days, on Oct 20.
When asked why the probe was not complete even after a month, Lutful Kabir said, "One of the members had to go to a special training during the investigation. When he returned he was assigned to the Narayanganj elections.
"Right now another member is in Saudi Arabia for hajj," he added.
A doctor who went to the parlour's Banani Road 11 branch on Sep 30 for a spa found a CCTV in her dressing room after she used it.
The woman made a verbal complaint with police and the media for filming her.
The following day Persona owner Kaniz Almas told that the cameras were there for security reasons and she did not think they were violating anyone's privacy.
The revelation caused much uproar in the media, social networking sites and blogs about the use of CCTV cameras at beauty parlours.
The High Court ordered the government on Oct 10 to take out all such cameras following a writ petition filed by Bangladesh Human Rights Foundation.
Gulshan zone deputy commissioner Lutfur Kabir told on Wednesday that the team had asked for another 10 days to look into the illicit use of CCTV cameras at the popular beauty parlour chain.
The team, which was formed on Oct 3, is led by Gulshan zone additional deputy commissioner Nizamul Hauqe Molla. The other two members are assistant commissioners Mizanur Rahman and Nurul Alam. They were initially given three days to submit a report.
The panel had the deadline stretched by five days each in two phases on Oct 5 and 13, before getting another extension, this time by 10 days, on Oct 20.
When asked why the probe was not complete even after a month, Lutful Kabir said, "One of the members had to go to a special training during the investigation. When he returned he was assigned to the Narayanganj elections.
"Right now another member is in Saudi Arabia for hajj," he added.
A doctor who went to the parlour's Banani Road 11 branch on Sep 30 for a spa found a CCTV in her dressing room after she used it.
The woman made a verbal complaint with police and the media for filming her.
The following day Persona owner Kaniz Almas told that the cameras were there for security reasons and she did not think they were violating anyone's privacy.
The revelation caused much uproar in the media, social networking sites and blogs about the use of CCTV cameras at beauty parlours.
The High Court ordered the government on Oct 10 to take out all such cameras following a writ petition filed by Bangladesh Human Rights Foundation.
নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সরকার কেন সেনা দেয়নি তা জানতে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হবে।
সরকার সেনা দিতে না চাওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আগেই জানাতে পারতো বলে মনে করেন এই নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, "এ বিষয়ে সৌজন্যমূলক চিঠিও এলো না। সময়মতো জানতে পারলে এ অবস্থা হতো না।"
কবে কীভাবে এ চিঠি দেওয়া হবে তা প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে বলে জানান সাখাওয়াত।
মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন এ নির্বাচন কমিশনার।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চার কোম্পানি সেনা চেয়ে গত ১৬ অক্টোবর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে চিঠি দিলেও নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়নি।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "এই ঘটনা এবারই প্রথম হয়েছে- এমন নয়। ইসি ও সরকারের মধ্যে টানাপড়েন ছিল। অতীতেও একই প্রশ্ন ছিল। আগামীতেও হতে পারে।"
তিনি জানান, এর আগে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৩-০৪ সালে কমিশন লিখিতভাবে চাওয়ার পরও সরকার সেনাবাহিনী দেয়নি। ২০১০ সালেও একই ঘটনা ঘটে।
সেনা মোতায়েন নিয়ে নির্বাচনের দিন (৩০ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এম শামসুল হুদা বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী এলাকায় সেনা মোতায়েন না করায় সরকারের সঙ্গে কমিশনের 'বোঝাপড়া' হবে।
সেনা না থাকলেও পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড ও র্যাবের সদস্যসহ আট হাজারেরও বেশি সদস্য এই নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
নির্বাচনের রাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো সেনাবাহিনী ছাড়াও অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব।
সরকার সেনা দিতে না চাওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আগেই জানাতে পারতো বলে মনে করেন এই নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, "এ বিষয়ে সৌজন্যমূলক চিঠিও এলো না। সময়মতো জানতে পারলে এ অবস্থা হতো না।"
কবে কীভাবে এ চিঠি দেওয়া হবে তা প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে বলে জানান সাখাওয়াত।
মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন এ নির্বাচন কমিশনার।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চার কোম্পানি সেনা চেয়ে গত ১৬ অক্টোবর সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে চিঠি দিলেও নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হয়নি।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "এই ঘটনা এবারই প্রথম হয়েছে- এমন নয়। ইসি ও সরকারের মধ্যে টানাপড়েন ছিল। অতীতেও একই প্রশ্ন ছিল। আগামীতেও হতে পারে।"
তিনি জানান, এর আগে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৩-০৪ সালে কমিশন লিখিতভাবে চাওয়ার পরও সরকার সেনাবাহিনী দেয়নি। ২০১০ সালেও একই ঘটনা ঘটে।
সেনা মোতায়েন নিয়ে নির্বাচনের দিন (৩০ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এম শামসুল হুদা বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী এলাকায় সেনা মোতায়েন না করায় সরকারের সঙ্গে কমিশনের 'বোঝাপড়া' হবে।
সেনা না থাকলেও পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড ও র্যাবের সদস্যসহ আট হাজারেরও বেশি সদস্য এই নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
নির্বাচনের রাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হলো সেনাবাহিনী ছাড়াও অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব।
হাতে ৭ উইকেট নিয়ে শেষ দিনে জয়ের জন্য চাই ৩৪৪ রান। যথেষ্ট কঠিন লক্ষ্য। তবু বুধবার বাংলাদেশ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন অলরাউন্ডার নাঈম ইসলাম।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হলো জয়। উইকেট এখনো খুব ভালো আছে। ইতিবাচক ব্যাটিং করতে পারলে এই ম্যাচ আমাদের পক্ষে জেতাও সম্ভব।"
"উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন কিছু নেই। তাই এখানে ব্যাটিং করা বেশ সহজ বলেই মনে হচ্ছে," যোগ করেন তিনি।
চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার কৃতিত্ব ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২০০৩ সালে ঘরের মাঠ সেন্ট জন্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলো তারা।
মিরপুরে রেকর্ডটা ভেঙ্গে দিতে চান নাঈম।
তিনি বলেন, "আমরা জানি জিততে হলে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে। এর আগে কেউ চতুর্থ ইনিংসে এত রান তাড়া করে জিততে পারেনি। তবে আমি মনে করি এই উইকেটে আমাদের পক্ষে রেকর্ড গড়ে জয় পাওয়াও সম্ভব।"
চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৪১৩। ২০০৮ সালে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহাম্মদ আশরাফুলের শতক এবং সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের অর্ধশতকের সুবাদে এই রান করেছিলো বাংলাদেশ। তারপরও ঐ ম্যাচ স্বাগতিকরা হেরে গিয়েছিলো ১০৭ রানে।
নাঈম বলেন, "আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি সেশন ধরে খেলা। প্রতিটি সেশনে ভালো ব্যাট করতে পারলে জেতা অসম্ভব হবে না।"
"তবে প্রথম সেশনে বেশি উইকেট পড়ে গেলে জেতার কথা ভাবা সম্ভব নাও হতে পারে। প্রথম সেশনটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ," যোগ করেন তিনি।
লক্ষ্যে পৌঁছাতে বুধবার ওভার প্রতি ৩.৮২ রান করতে হবে বাংলাদেশকে।
জিততে হলে ফিদেল এডওয়ার্ডসকে ভালো ভাবে সামলাতে হবে বলে মনে করেন নাঈম। তিনি বলেন, "ওদের দলের সবাই ভালো বোলার। আজ (মঙ্গলবার) আমাদের লক্ষ্য ছিল ফিদেল এডওয়ার্ডসকে ভালো ভাবে সামলানো। শেষ দিনে তাকে উইকেট না দিলে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা বাড়বেই।"
মঙ্গলবার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য হলো জয়। উইকেট এখনো খুব ভালো আছে। ইতিবাচক ব্যাটিং করতে পারলে এই ম্যাচ আমাদের পক্ষে জেতাও সম্ভব।"
"উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন কিছু নেই। তাই এখানে ব্যাটিং করা বেশ সহজ বলেই মনে হচ্ছে," যোগ করেন তিনি।
চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার কৃতিত্ব ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২০০৩ সালে ঘরের মাঠ সেন্ট জন্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলো তারা।
মিরপুরে রেকর্ডটা ভেঙ্গে দিতে চান নাঈম।
তিনি বলেন, "আমরা জানি জিততে হলে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে। এর আগে কেউ চতুর্থ ইনিংসে এত রান তাড়া করে জিততে পারেনি। তবে আমি মনে করি এই উইকেটে আমাদের পক্ষে রেকর্ড গড়ে জয় পাওয়াও সম্ভব।"
চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৪১৩। ২০০৮ সালে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহাম্মদ আশরাফুলের শতক এবং সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের অর্ধশতকের সুবাদে এই রান করেছিলো বাংলাদেশ। তারপরও ঐ ম্যাচ স্বাগতিকরা হেরে গিয়েছিলো ১০৭ রানে।
নাঈম বলেন, "আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি সেশন ধরে খেলা। প্রতিটি সেশনে ভালো ব্যাট করতে পারলে জেতা অসম্ভব হবে না।"
"তবে প্রথম সেশনে বেশি উইকেট পড়ে গেলে জেতার কথা ভাবা সম্ভব নাও হতে পারে। প্রথম সেশনটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ," যোগ করেন তিনি।
লক্ষ্যে পৌঁছাতে বুধবার ওভার প্রতি ৩.৮২ রান করতে হবে বাংলাদেশকে।
জিততে হলে ফিদেল এডওয়ার্ডসকে ভালো ভাবে সামলাতে হবে বলে মনে করেন নাঈম। তিনি বলেন, "ওদের দলের সবাই ভালো বোলার। আজ (মঙ্গলবার) আমাদের লক্ষ্য ছিল ফিদেল এডওয়ার্ডসকে ভালো ভাবে সামলানো। শেষ দিনে তাকে উইকেট না দিলে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা বাড়বেই।"
সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় টেস্টের শেষ দিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৭ রান।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ২৯১ রান।
এক প্রান্তে মুশফিকুর রহিম ৫৪ ও অন্য প্রান্তে সাকিব আল হাসান ২৮ রানে ব্যাট করছেন। এটি মুশফিকের অষ্টম অর্ধশতক।
সাজঘরে ফিরে গেছেন তামিম ইকবাল (৮৩)। চতুর্থ উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে ৪৪ রানের জুটি গড়েন তামিম। এর মধ্যে তার ব্যাট থেকে আসে কেবল ৭ রান।
পঞ্চম দিন এক রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন তামিম। দলের রান তখন ১৬৮। দিনের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ড্যারেন স্যামি তালুবন্দী করেন তাকে। দেবেন্দ্র বিশুর বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে শেষ হয় তামিমের ইনিংস।
৩ উইকেটে ১৬৪ রান নিয়ে বাংলাদেশ দিনের খেলা শুরু করে। প্রথম ঘন্টায় তামিমকে হারিয়ে ৫৩ রান যোগ করে স্বাগতিকরা।
এর আগে ৫ উইকেটে ৩৮৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে সব মিলিয়ে ৫০৭ রানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথম ইনিংসে দলটি এগিয়ে ছিল ১২৪ রানে।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ৩৫৫ রান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ২৩১ রান।
এর আগে দু'দলের প্রথম টেস্ট ড্র হয়।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ২৯১ রান।
এক প্রান্তে মুশফিকুর রহিম ৫৪ ও অন্য প্রান্তে সাকিব আল হাসান ২৮ রানে ব্যাট করছেন। এটি মুশফিকের অষ্টম অর্ধশতক।
সাজঘরে ফিরে গেছেন তামিম ইকবাল (৮৩)। চতুর্থ উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে ৪৪ রানের জুটি গড়েন তামিম। এর মধ্যে তার ব্যাট থেকে আসে কেবল ৭ রান।
পঞ্চম দিন এক রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন তামিম। দলের রান তখন ১৬৮। দিনের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ড্যারেন স্যামি তালুবন্দী করেন তাকে। দেবেন্দ্র বিশুর বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে শেষ হয় তামিমের ইনিংস।
৩ উইকেটে ১৬৪ রান নিয়ে বাংলাদেশ দিনের খেলা শুরু করে। প্রথম ঘন্টায় তামিমকে হারিয়ে ৫৩ রান যোগ করে স্বাগতিকরা।
এর আগে ৫ উইকেটে ৩৮৩ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে সব মিলিয়ে ৫০৭ রানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথম ইনিংসে দলটি এগিয়ে ছিল ১২৪ রানে।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ৩৫৫ রান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করে ২৩১ রান।
এর আগে দু'দলের প্রথম টেস্ট ড্র হয়।
নারায়ণগঞ্জের নব নির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার রাতে তার আইভী দলীয় সভানেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান।
প্রধানমন্ত্রীর গণভবন কার্যালয়ে আইভীর সঙ্গে আধ ঘণ্টার বেশি সময় কথা বলেন শেখ হাসিনা।
এ সময় সেখানে নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানও ছিলেন।
কার্যালয় থেকে বেরুনোর পর আইভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসিনা। এর আগে তিনি আইভীকে তার বোন শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান সিদ্দিক ববি ও তার স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চাই। জনগণ যেন তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে আমরা তা চাই।"
"এ জন্য অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন," উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়েছে।"
গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আইভী সাংবাদিকদের বলেন, "নেত্রীর দোয়া নিতে এসেছিলাম। সব বিভেদ ভুলে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নই এখন বড় কথা।"
আইভী গণভবনে পৌঁছান মঙ্গলবার রাত ৮টায়। তার সঙ্গে তার দুই ছেলে কাজী সাদমান হায়াৎ সীমান্ত ও কাজী সারদিল হায়াৎ অনন্ত, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি হায়দার চৌধুরী, জেলা যুবলীগ সভাপতি আব্দুল কাদের গণভবনে যান।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন চাইলেও শেষ পর্যন্ত সেখানে সেনা মোতায়েন হয়নি। তা না হওয়ায় নির্বাচনটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না বলে অভিযোগ তুলে শেষ মুহূর্তে নিজেদের সমর্থিত প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখে বিএনপি।
মঙ্গলবার রাতে তার আইভী দলীয় সভানেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে যান।
প্রধানমন্ত্রীর গণভবন কার্যালয়ে আইভীর সঙ্গে আধ ঘণ্টার বেশি সময় কথা বলেন শেখ হাসিনা।
এ সময় সেখানে নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানও ছিলেন।
কার্যালয় থেকে বেরুনোর পর আইভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসিনা। এর আগে তিনি আইভীকে তার বোন শেখ রেহানার ছেলে রেদওয়ান সিদ্দিক ববি ও তার স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চাই। জনগণ যেন তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে আমরা তা চাই।"
"এ জন্য অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন," উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়েছে।"
গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আইভী সাংবাদিকদের বলেন, "নেত্রীর দোয়া নিতে এসেছিলাম। সব বিভেদ ভুলে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নই এখন বড় কথা।"
আইভী গণভবনে পৌঁছান মঙ্গলবার রাত ৮টায়। তার সঙ্গে তার দুই ছেলে কাজী সাদমান হায়াৎ সীমান্ত ও কাজী সারদিল হায়াৎ অনন্ত, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি হায়দার চৌধুরী, জেলা যুবলীগ সভাপতি আব্দুল কাদের গণভবনে যান।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন চাইলেও শেষ পর্যন্ত সেখানে সেনা মোতায়েন হয়নি। তা না হওয়ায় নির্বাচনটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না বলে অভিযোগ তুলে শেষ মুহূর্তে নিজেদের সমর্থিত প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখে বিএনপি।
জাতীয় তথ্য কমিশনের ওয়েব পোর্টালে ১০ হাজার সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক তথ্য কমিশনার।
গত দুই বছরে এসব তথ্য জমা পড়ে বলে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে জানান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ জমির।
তিনি বলেন, "তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্য কমিশনের অধীনে ইতমধ্যে ৫৩টি জেলা শহরে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ হয়েছে।"
'গ্লোবাল রাইট টু ইনফরমেশন ইনডেক্স' শিরোনামের এ অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, অবিলম্বে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোকেও প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত করা যাবে।
সিরডাপ মিলনায়তনে 'আর্টিক্যাল ১৯ বাংলাদেশ' আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক আসিফ নজরুলও বক্তব্য দেন।
গত দুই বছরে এসব তথ্য জমা পড়ে বলে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে জানান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ জমির।
তিনি বলেন, "তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য তথ্য কমিশনের অধীনে ইতমধ্যে ৫৩টি জেলা শহরে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ হয়েছে।"
'গ্লোবাল রাইট টু ইনফরমেশন ইনডেক্স' শিরোনামের এ অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, অবিলম্বে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোকেও প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত করা যাবে।
সিরডাপ মিলনায়তনে 'আর্টিক্যাল ১৯ বাংলাদেশ' আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক আসিফ নজরুলও বক্তব্য দেন।
নরসিংদী পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেন হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের ডাকে ৭২ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে। তবে তার জানাজা ও দাফনের জন্য বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শিথিল রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহরের সদর রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে মুখোশধারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন লোকমান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা রাতে নরসিংদী সার্কিট হাউস এবং রেল স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রাখে। তবে বুধবার সকাল থেকে রেল চলাচল শুরু হয়েছে।
এদিকে লোকমান হত্যার প্রতিবাদে রাতেই ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডাকে জেলা ছাত্রলীগ। সকালে নরসিংদী শহর ঘুরে দেখা যায়, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এস এম কাইয়ুম বলেন, "হরতাল কর্মসূচি চললেও লোকমানের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি মাথায় রেখে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শিথিলভাবে পালিত হবে।"
সকালে ঢাকা মেডিকেল থেকে লোকমানের মরদেহ নরসিংদীতে নিয়ে যাওয়ার পর বিকেলে জানাজা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতেই পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এমএইচ নুরুজ্জামান, র্যাব ১১ এর অতিরিক্ত ডিআইজি লে. কর্নেল মোস্তফা কামাল নরসিংদী পৌঁছেছেন।
নরসিংদীর পুলিশ সুপার আক্কাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, "নরসিংদী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যাক পুলিশ, র্যাব সদস্যকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে।"
হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
নরসিংদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান শ্রেষ্ঠ মেয়র হিসেবে দুইবার স্বর্ণপদক লাভ করেন।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহরের সদর রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে মুখোশধারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন লোকমান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা রাতে নরসিংদী সার্কিট হাউস এবং রেল স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে রাখে। তবে বুধবার সকাল থেকে রেল চলাচল শুরু হয়েছে।
এদিকে লোকমান হত্যার প্রতিবাদে রাতেই ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডাকে জেলা ছাত্রলীগ। সকালে নরসিংদী শহর ঘুরে দেখা যায়, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এস এম কাইয়ুম বলেন, "হরতাল কর্মসূচি চললেও লোকমানের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি মাথায় রেখে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শিথিলভাবে পালিত হবে।"
সকালে ঢাকা মেডিকেল থেকে লোকমানের মরদেহ নরসিংদীতে নিয়ে যাওয়ার পর বিকেলে জানাজা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতেই পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি এমএইচ নুরুজ্জামান, র্যাব ১১ এর অতিরিক্ত ডিআইজি লে. কর্নেল মোস্তফা কামাল নরসিংদী পৌঁছেছেন।
নরসিংদীর পুলিশ সুপার আক্কাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, "নরসিংদী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুল সংখ্যাক পুলিশ, র্যাব সদস্যকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে।"
হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
নরসিংদী শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান শ্রেষ্ঠ মেয়র হিসেবে দুইবার স্বর্ণপদক লাভ করেন।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সহযাত্রী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী শামীম ওসমান ও তৈমুর আলম খন্দকারকে পাশে চান সেলিনা হায়াৎ আইভী।
নির্বাচনের পরদিন সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আইভী বলেন, "অতীতে যেভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের সেবা দিয়েছি, এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না। নির্বাচনের আগে জনগণকে যেসব কথা বলেছি, শামীম ভাই ও তৈমুর কাকাকে সঙ্গে নিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।"
রোববারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানকে ১ লাখ ১ হাজার ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। সেনা মোতায়েন না হওয়ায় ভোট শুরুর ৭ ঘণ্টা আগে সরে দাঁড়ান বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার।
সিটি কর্পোরেশন এলাকার রাস্তা, ড্রেনেজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতি কাজ করতে চান আইভী।
তিনি বলেন, "অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। তবে সিটি কর্পোরেশন প্রধান প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই একের পর এক কাজ করে যাবো।"
বিপুল ভোটের ব্যবধান প্রসঙ্গে আইভী বলেন, "জনগণ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেন না। নির্বাচনের ফলই তার প্রমাণ।"
সেনা বাহিনী ছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন আইভী। এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।
"লক্ষ জনতা ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে ভোট দিয়েছে। এসব জনতার ভোটেই ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে," বলেন আইভী।
৩৭ বছর আগে আইভীর বাবা আলী আহম্মদ চুনকাও তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থন ছাড়াই স্বাধীন বাংলাদেশে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বাবার প্রসঙ্গ টেনে আইভী বলেন, "বাবার পরে এই পৌরসভায় যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের ধারাবাহিকতায়ই আমি নগরীর উন্নয়নে কাজ করে যাবো।"
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চার লক্ষাধিক ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ২৮২৫৯৩ জন, যা মোট ভোটের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ হিসেবে গণ্য হয়েছে ২৭৬৩২৯টি ভোট।
নির্বাচনের পরদিন সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আইভী বলেন, "অতীতে যেভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে জনগণের সেবা দিয়েছি, এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না। নির্বাচনের আগে জনগণকে যেসব কথা বলেছি, শামীম ভাই ও তৈমুর কাকাকে সঙ্গে নিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।"
রোববারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানকে ১ লাখ ১ হাজার ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। সেনা মোতায়েন না হওয়ায় ভোট শুরুর ৭ ঘণ্টা আগে সরে দাঁড়ান বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার।
সিটি কর্পোরেশন এলাকার রাস্তা, ড্রেনেজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতি কাজ করতে চান আইভী।
তিনি বলেন, "অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। তবে সিটি কর্পোরেশন প্রধান প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই একের পর এক কাজ করে যাবো।"
বিপুল ভোটের ব্যবধান প্রসঙ্গে আইভী বলেন, "জনগণ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেন না। নির্বাচনের ফলই তার প্রমাণ।"
সেনা বাহিনী ছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন আইভী। এজন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।
"লক্ষ জনতা ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে ভোট দিয়েছে। এসব জনতার ভোটেই ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে," বলেন আইভী।
৩৭ বছর আগে আইভীর বাবা আলী আহম্মদ চুনকাও তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থন ছাড়াই স্বাধীন বাংলাদেশে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বাবার প্রসঙ্গ টেনে আইভী বলেন, "বাবার পরে এই পৌরসভায় যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের ধারাবাহিকতায়ই আমি নগরীর উন্নয়নে কাজ করে যাবো।"
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চার লক্ষাধিক ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ২৮২৫৯৩ জন, যা মোট ভোটের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ হিসেবে গণ্য হয়েছে ২৭৬৩২৯টি ভোট।
সাভারের আশুলিয়ায় ডাকাত সন্দেহে এক যুবককে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
আমিনবাজারে পিটিয়ে ছয় ছাত্র হত্যার সাড়ে তিন মাসের মাথায় সোমবার ভোরে শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় একটি মাদ্রাসা মাঠে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে এক যুবককে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আশুলিয়া থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, খবর পেয়ে সকাল ১১টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) মর্গে পাঠায়।
গত ১৮ জুলাই শবেবরাতের রাতে বড়দেশী এলাকার কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে পিটুনিতে ঢাকার ছয় ছাত্র নিহত হয়। পরে তদন্তে জানান, নিহতরা কেউই ডাকাত ছিলো না। ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এক আসামিকে সোমবার সকালেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঈদকে সামনে রেখে আশুলিয়ার কুটুরিয়া, টংগাবাড়ী ও শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী পালা করে পাহারা দিচ্ছিলো।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভোরে শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় ১০-১২ অজ্ঞাত যুবক দেখে লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। অন্যরা পালিয়ে গেলেও এক যুবককে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। পরে তাকে স্থানীয় জান্নাতুল মাওয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে নিয়ে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
পিটুনিতে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মৃতদেহের পাশ থেকে দুটি ছুরি, একটি ক্ষুর ও একটি মানিব্যাগ উদ্ধার করা হয় বলে জানান এসআই।
মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইউসুফ আলী ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডাকাত সন্দেহে ওই যুবককে শ্রীখণ্ডিয়ার পূর্বপাড়া থেকে পেটাতে পেটাতে মাদ্রাসার মাঠে এনে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা হয়। পরে মাইকে 'এলাকায় ডাকাত পড়েছে' ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়।
কয়েকশ' লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই যুবককে পেটায় বলে জানান ইউসুফ।
ওই এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবীর বলেন, "মাইকের শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠে মাদ্রাসা মাঠে এসে দেখি এক-দেড়শ' লোক এক যুবককে পেটাচ্ছে।"
আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল মাদবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এ এলাকায় প্রায়ই চুরি-ডাকাতি হচ্ছে। পুলিশকে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসী পালা করে পাহারা দেয়।
"রাতে ডাকাত এলাকায় হানা দিলে এলাকাবাসী এক ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়," বলেন ইউপি চেয়ারম্যান।
আশুলিয়া থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে ওই যুবককে হত্যা করে এলাকাবাসী অপরাধ করেছে। পুলিশ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আমিনবাজারে পিটিয়ে ছয় ছাত্র হত্যার সাড়ে তিন মাসের মাথায় সোমবার ভোরে শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় একটি মাদ্রাসা মাঠে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে এক যুবককে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আশুলিয়া থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, খবর পেয়ে সকাল ১১টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) মর্গে পাঠায়।
গত ১৮ জুলাই শবেবরাতের রাতে বড়দেশী এলাকার কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে পিটুনিতে ঢাকার ছয় ছাত্র নিহত হয়। পরে তদন্তে জানান, নিহতরা কেউই ডাকাত ছিলো না। ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার এক আসামিকে সোমবার সকালেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঈদকে সামনে রেখে আশুলিয়ার কুটুরিয়া, টংগাবাড়ী ও শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসী পালা করে পাহারা দিচ্ছিলো।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভোরে শ্রীখণ্ডিয়া এলাকায় ১০-১২ অজ্ঞাত যুবক দেখে লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। অন্যরা পালিয়ে গেলেও এক যুবককে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। পরে তাকে স্থানীয় জান্নাতুল মাওয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে নিয়ে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
পিটুনিতে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মৃতদেহের পাশ থেকে দুটি ছুরি, একটি ক্ষুর ও একটি মানিব্যাগ উদ্ধার করা হয় বলে জানান এসআই।
মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইউসুফ আলী ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডাকাত সন্দেহে ওই যুবককে শ্রীখণ্ডিয়ার পূর্বপাড়া থেকে পেটাতে পেটাতে মাদ্রাসার মাঠে এনে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা হয়। পরে মাইকে 'এলাকায় ডাকাত পড়েছে' ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়।
কয়েকশ' লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে ওই যুবককে পেটায় বলে জানান ইউসুফ।
ওই এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবীর বলেন, "মাইকের শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠে মাদ্রাসা মাঠে এসে দেখি এক-দেড়শ' লোক এক যুবককে পেটাচ্ছে।"
আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল মাদবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এ এলাকায় প্রায়ই চুরি-ডাকাতি হচ্ছে। পুলিশকে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসী পালা করে পাহারা দেয়।
"রাতে ডাকাত এলাকায় হানা দিলে এলাকাবাসী এক ডাকাতকে ধরে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়," বলেন ইউপি চেয়ারম্যান।
আশুলিয়া থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে ওই যুবককে হত্যা করে এলাকাবাসী অপরাধ করেছে। পুলিশ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে খুচরা বাজারে মূল্য তালিকা টানানো এবং খুচরা বিক্রেতাকে পণ্য কেনার রশিদ সরবরাহের জন্য পাইকারদের নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাজার পর্যবেক্ষণ কমিটির সঙ্গে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম মুর্তজা রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় দোকানে ভেজাল পণ্য না রাখা এবং অতিরিক্ত মুনাফা না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "খুচরা বিক্রেতাদেরকে মেমো সরবরাহ না করলে অথবা দোকানে ভেজাল পণ্য রাখা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভায় সতর্ক করা হয়েছে।"
মতবিনিময়ে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাজারে কোনো দ্রব্যের দাম বাড়বে না বলে আশ্বস্ত করেন তারা।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল হোসেন মিয়াসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার কমিটির প্রতিনিধিরা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাজার পর্যবেক্ষণ কমিটির সঙ্গে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম মুর্তজা রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় দোকানে ভেজাল পণ্য না রাখা এবং অতিরিক্ত মুনাফা না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "খুচরা বিক্রেতাদেরকে মেমো সরবরাহ না করলে অথবা দোকানে ভেজাল পণ্য রাখা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সভায় সতর্ক করা হয়েছে।"
মতবিনিময়ে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাজারে কোনো দ্রব্যের দাম বাড়বে না বলে আশ্বস্ত করেন তারা।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল হোসেন মিয়াসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার কমিটির প্রতিনিধিরা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শব্দ দূষণের অভিযোগে রাজধানীতে দুটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে সাত লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
প্রতিষ্ঠান দুটি হলো, বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস (বিটিআই) এবং আরবান ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।
পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী সোমবার শব্দদূষণবিরোধী অভিযানের আওতায় তাদের এই জরিমানা করেন।
এ সময় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩২ ও ৩৪/এ নম্বর প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণে পাইলিং করার ভারি যন্ত্রের পাশাপাশি কয়েকটি জেনারেটর একই সময় ব্যবহার করায় শব্দদূষণ হচ্ছিল।
"অধিদপ্তরের একটি দল সেখানে শব্দের মাত্রা নির্ণয়ের যন্ত্র ব্যবহার করে ৭৭ থেকে ৮৬ ডেসিবেল মাত্রার শব্দ সনাক্ত করেছে। কিন্তু ওই এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা ৫৫ ডেসিবল।"
ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণবিরোধী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মাসে মোট ২৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানায় পরিবেশ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের নির্দেশে গত দুই সপ্তাহে পান্থপথে স্কয়ার হাসপাতাল, লালমাটিয়ায় ঢাকা ওয়াসা এবং মিরপুর এলাকায় তিনটি শব্দ দূষণকারী জেনারেটরের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান দুটি হলো, বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস (বিটিআই) এবং আরবান ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।
পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী সোমবার শব্দদূষণবিরোধী অভিযানের আওতায় তাদের এই জরিমানা করেন।
এ সময় শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৩২ ও ৩৪/এ নম্বর প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণে পাইলিং করার ভারি যন্ত্রের পাশাপাশি কয়েকটি জেনারেটর একই সময় ব্যবহার করায় শব্দদূষণ হচ্ছিল।
"অধিদপ্তরের একটি দল সেখানে শব্দের মাত্রা নির্ণয়ের যন্ত্র ব্যবহার করে ৭৭ থেকে ৮৬ ডেসিবেল মাত্রার শব্দ সনাক্ত করেছে। কিন্তু ওই এলাকায় শব্দের সহনীয় মাত্রা ৫৫ ডেসিবল।"
ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণবিরোধী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মাসে মোট ২৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানায় পরিবেশ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের নির্দেশে গত দুই সপ্তাহে পান্থপথে স্কয়ার হাসপাতাল, লালমাটিয়ায় ঢাকা ওয়াসা এবং মিরপুর এলাকায় তিনটি শব্দ দূষণকারী জেনারেটরের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা।
প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে জেএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র এবং জেডিসিতে বাংলা সাহিত্যের পরীক্ষায় অংশ নেবে শিক্ষার্থীরা।
এবার জেএসসি-তে ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ জন এবং জেডিসি-তে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৬১ হাজার ১১৩ জন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার সাংবাদিকদের জানান, এবার পরীক্ষায় ছাত্রের চেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৮৫ জন বেশী ছাত্রী অংশ নিচ্ছে। মোট ছাত্রের সংখ্যা ৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৪ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৯ জন।
অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১০ সাল থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩১১ জন বেড়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এবার মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৯টি, যা গতবারের চেয়ে ২০৫টি বেশি। এছাড়া মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৭ হাজার ৩৬০ থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৩৬০ হয়েছে।
২০১১ সালে জেএসডি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর ২ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জন এবং জেডিসিতে ৩২ হাজার ৫৪৮ জন অর্থাৎ মোট ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, এ পরীক্ষার ফলে পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভীতি কমে যাবে এবং পরীক্ষা পাসের একটি সনদ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আরো উৎসাহিত হবে।
এবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম পত্র, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র ও গণিত ছাড়া সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নে।
গতবারের মতো এবারো যারা তিন বিষয় পর্যন্ত অকৃতকার্য হবে, তাদের নবম শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ থাকছে। তবে তাদের পরবর্তীতে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অবশ্যই পাস করতে হবে।
এবার পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের বাড়তি সময় ৫ মিনিট বৃদ্ধি করে ২০ মিনিট করা হয়েছে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান।
জেএসসি সময়সূচি
২ নভেম্বর বাংলা ২য় পত্র, ১৩ নভেম্বর ইংরেজি ১ম পত্র, ১৪ নভেম্বর ইংরেজি ২য় পত্র, ১৫ নভেম্বর সামাজিক বিজ্ঞান, ১৬ নভেম্বর সাধারণ বিজ্ঞান, ১৭ নভেম্বর ইসলাম শিক্ষা/হিন্দুধর্ম শিক্ষা/বৌদ্ধধর্ম শিক্ষা/খ্রিস্টধর্ম শিক্ষা, ২০ নভেম্বর সাধারণ গণিত এবং ২১ নভেম্বর গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি শিক্ষা।
জেডিসি সময়সূচি
২ নভেম্বর ইংরেজি, ১৩ নভেম্বর আরবি ১ম পত্র, ১৪ নভেম্বর আরবি ২য় পত্র, ১৫ নভেম্বর কুরআর মাজীদ ও তাজবিদ, ১৬ নভেম্বর আত্তাওহীদ ওয়াল ফিক্হ, ১৭ নভেম্বর সাধারণ বিজ্ঞান, ১৯ নভেম্বর সাধারণ গণিত, ২০ নভেম্বর সামাজিক বিজ্ঞান এবং ২১ নভেম্বর কৃষি শিক্ষা/গার্হস্থ্য অর্থনীতি।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।
এবার স্কুল পর্যায়ের বার্ষিক পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।
প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে জেএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র এবং জেডিসিতে বাংলা সাহিত্যের পরীক্ষায় অংশ নেবে শিক্ষার্থীরা।
এবার জেএসসি-তে ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ জন এবং জেডিসি-তে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লাখ ৬১ হাজার ১১৩ জন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার সাংবাদিকদের জানান, এবার পরীক্ষায় ছাত্রের চেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৮৫ জন বেশী ছাত্রী অংশ নিচ্ছে। মোট ছাত্রের সংখ্যা ৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৬৪ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৯ জন।
অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১০ সাল থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩১১ জন বেড়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এবার মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৯টি, যা গতবারের চেয়ে ২০৫টি বেশি। এছাড়া মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৭ হাজার ৩৬০ থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৩৬০ হয়েছে।
২০১১ সালে জেএসডি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর ২ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জন এবং জেডিসিতে ৩২ হাজার ৫৪৮ জন অর্থাৎ মোট ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, এ পরীক্ষার ফলে পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভীতি কমে যাবে এবং পরীক্ষা পাসের একটি সনদ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আরো উৎসাহিত হবে।
এবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম পত্র, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র ও গণিত ছাড়া সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নে।
গতবারের মতো এবারো যারা তিন বিষয় পর্যন্ত অকৃতকার্য হবে, তাদের নবম শ্রেণীতে ভর্তির সুযোগ থাকছে। তবে তাদের পরবর্তীতে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অবশ্যই পাস করতে হবে।
এবার পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের বাড়তি সময় ৫ মিনিট বৃদ্ধি করে ২০ মিনিট করা হয়েছে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান।
জেএসসি সময়সূচি
২ নভেম্বর বাংলা ২য় পত্র, ১৩ নভেম্বর ইংরেজি ১ম পত্র, ১৪ নভেম্বর ইংরেজি ২য় পত্র, ১৫ নভেম্বর সামাজিক বিজ্ঞান, ১৬ নভেম্বর সাধারণ বিজ্ঞান, ১৭ নভেম্বর ইসলাম শিক্ষা/হিন্দুধর্ম শিক্ষা/বৌদ্ধধর্ম শিক্ষা/খ্রিস্টধর্ম শিক্ষা, ২০ নভেম্বর সাধারণ গণিত এবং ২১ নভেম্বর গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি শিক্ষা।
জেডিসি সময়সূচি
২ নভেম্বর ইংরেজি, ১৩ নভেম্বর আরবি ১ম পত্র, ১৪ নভেম্বর আরবি ২য় পত্র, ১৫ নভেম্বর কুরআর মাজীদ ও তাজবিদ, ১৬ নভেম্বর আত্তাওহীদ ওয়াল ফিক্হ, ১৭ নভেম্বর সাধারণ বিজ্ঞান, ১৯ নভেম্বর সাধারণ গণিত, ২০ নভেম্বর সামাজিক বিজ্ঞান এবং ২১ নভেম্বর কৃষি শিক্ষা/গার্হস্থ্য অর্থনীতি।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।
এবার স্কুল পর্যায়ের বার্ষিক পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।
ঢাকা মহানগরকে দুই ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এখন এটি সংসদে তোলা হবে।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আইনটি পাস করতে এখন সংসদে উত্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত আইনে ঢাকা মহানগরের ৫৬টি ওয়ার্ড নিয়ে দক্ষিণে একটি এবং ৩৬টি ওয়ার্ড নিয়ে উত্তরে আরেকটি সিটি কর্পোরেশন গঠনের কথা বলা হয়েছে।
এক কোটি মানুষ অধ্যুষিত ঢাকা নগরীর বাসিন্দাদের সেবার মান বাড়াতেই এ পদক্ষেপ বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। তবে বিরোধী দল এর সমালোচনা করছে। বর্তমান মেয়র সাদেক হোসেন খোকারও এতে আপত্তি রয়েছে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকার গোড়াপত্তন হয়। তখন ঢাকার নাম ছিল জাহাঙ্গীরনগর।
১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভায় উন্নীত হয়। ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী হয় শহরটি।
১৯৭৮ সালে পৌরসভা থেকে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন হয় ঢাকা। ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম হয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন।
বৈঠকের অন্যান্য সিদ্ধান্ত
মোশাররফ হোসেন ভূইঞা বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে আইনি কাঠামো উন্নয়নসহ পারমাণবিক ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।"
এ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজে আরো অগ্রগতি হবে বলে উল্লেখ করেন মোশাররফ হোসেন।
বৈঠকে, আরো বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর মধ্যে, কোঅপারেশন এগ্রিমেন্ট অন রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিহ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের (আরআইএমসইএস) সদস্যপদ গ্রহণ এবং চাঁদা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।
এর ফলে সুনামিসহ জলবায়ুজনিত দুর্যোগের পূর্বাভাস আগেই পেতে আঞ্চলিক সহযোগিতার সুবিধা পাওয়া যাবে।
বৈঠকে সার্ক বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। এই প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বীজের মান উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে এবং শষ্য উৎপাদন বাড়বে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব আরো জানান, 'বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন-২০১১' এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এই আইনটি বাস্তবয়িত হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিজস্ব ভূমি, বনভূমি এবং সর্ব সাধারণের জায়গায় পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় গাছ সংরক্ষণের ঘোষণা দিতে পারবে।
এছাড়া, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্ব বিষয়ক কৌশল-পরিকল্পনা ২০১০ এবং এর আওতায় প্রণীত গাইডলাইনগুলোর সংশোধন, সাফটা চুক্তির আওতায় সেনসিটিভ লিস্ট ২০% হ্রাস কমানো সংক্রান্ত প্রস্তাবও অনুমোদন হয় বৈঠকে।
২০১২ সালের ছুটি
২০১২ সালের ছুটির তালিক মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। আগামী বছর সাধারণ ছুটি হবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি হবে আট দিন।
তবে এর মধ্যে ছয়দিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়ে যাওয়ায় প্রকৃত সরকারি ছুটি ১৬ দিন হবে বলে উল্লেখ করেন মোশাররফ হোসেন।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন
২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় আট'শ চারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সাত'শ ৩৫টি বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৯১ দশমিক চার শতাংশ।
এ হারে মন্ত্রিসভা সন্তোষ প্রকাশ করে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব।
তিনি বলেন, "২০০৯ সালে মন্ত্রিসভার ৫০টি, ২০১০ সালে ৪৫টি এবং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২২টি ও জুলাই থেকে এ পর্যন্ত আটটি বৈঠক হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে মন্ত্রিসভার মোট ১২৫টি বৈঠক হয়েছে।"
২০০৯ সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশ। সেবছর মন্ত্রিসভায় ৩১৬টি সিদ্ধান্তনেওয়া হয় যার মধ্যে ৩০৫টি বাস্তবায়িত হয়। ২০১০ সালে মন্ত্রিসভায় ৩১১টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বাস্তবায়িত হয় ২৯১টি শতকরা হিসাবে যা ৯৩ দশমিক ৫।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস ১২২টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং একশটি বাস্তবায়িত হয়, শতকরা হিসাবে যা ৮২।
চলতি বছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত নেওয়া ৫৫টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ৩৯টি বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সময়ে সিদ্ধান্তবাস্তবায়নের হার ৭১ শতাংশ।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আইনটি পাস করতে এখন সংসদে উত্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত আইনে ঢাকা মহানগরের ৫৬টি ওয়ার্ড নিয়ে দক্ষিণে একটি এবং ৩৬টি ওয়ার্ড নিয়ে উত্তরে আরেকটি সিটি কর্পোরেশন গঠনের কথা বলা হয়েছে।
এক কোটি মানুষ অধ্যুষিত ঢাকা নগরীর বাসিন্দাদের সেবার মান বাড়াতেই এ পদক্ষেপ বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। তবে বিরোধী দল এর সমালোচনা করছে। বর্তমান মেয়র সাদেক হোসেন খোকারও এতে আপত্তি রয়েছে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকার গোড়াপত্তন হয়। তখন ঢাকার নাম ছিল জাহাঙ্গীরনগর।
১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভায় উন্নীত হয়। ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী হয় শহরটি।
১৯৭৮ সালে পৌরসভা থেকে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন হয় ঢাকা। ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম হয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন।
বৈঠকের অন্যান্য সিদ্ধান্ত
মোশাররফ হোসেন ভূইঞা বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে আইনি কাঠামো উন্নয়নসহ পারমাণবিক ও বিকিরণ নিয়ন্ত্রণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।"
এ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কাজে আরো অগ্রগতি হবে বলে উল্লেখ করেন মোশাররফ হোসেন।
বৈঠকে, আরো বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর মধ্যে, কোঅপারেশন এগ্রিমেন্ট অন রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিহ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমের (আরআইএমসইএস) সদস্যপদ গ্রহণ এবং চাঁদা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।
এর ফলে সুনামিসহ জলবায়ুজনিত দুর্যোগের পূর্বাভাস আগেই পেতে আঞ্চলিক সহযোগিতার সুবিধা পাওয়া যাবে।
বৈঠকে সার্ক বীজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। এই প্রস্তাব অনুমোদনের ফলে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বীজের মান উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে এবং শষ্য উৎপাদন বাড়বে। এতে করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব আরো জানান, 'বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন-২০১১' এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এই আইনটি বাস্তবয়িত হলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিজস্ব ভূমি, বনভূমি এবং সর্ব সাধারণের জায়গায় পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় গাছ সংরক্ষণের ঘোষণা দিতে পারবে।
এছাড়া, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্ব বিষয়ক কৌশল-পরিকল্পনা ২০১০ এবং এর আওতায় প্রণীত গাইডলাইনগুলোর সংশোধন, সাফটা চুক্তির আওতায় সেনসিটিভ লিস্ট ২০% হ্রাস কমানো সংক্রান্ত প্রস্তাবও অনুমোদন হয় বৈঠকে।
২০১২ সালের ছুটি
২০১২ সালের ছুটির তালিক মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। আগামী বছর সাধারণ ছুটি হবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি হবে আট দিন।
তবে এর মধ্যে ছয়দিন সাপ্তাহিক ছুটি পড়ে যাওয়ায় প্রকৃত সরকারি ছুটি ১৬ দিন হবে বলে উল্লেখ করেন মোশাররফ হোসেন।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন
২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় আট'শ চারটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সাত'শ ৩৫টি বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৯১ দশমিক চার শতাংশ।
এ হারে মন্ত্রিসভা সন্তোষ প্রকাশ করে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব।
তিনি বলেন, "২০০৯ সালে মন্ত্রিসভার ৫০টি, ২০১০ সালে ৪৫টি এবং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২২টি ও জুলাই থেকে এ পর্যন্ত আটটি বৈঠক হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে মন্ত্রিসভার মোট ১২৫টি বৈঠক হয়েছে।"
২০০৯ সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৯৬ দশমিক ৫ শতাংশ। সেবছর মন্ত্রিসভায় ৩১৬টি সিদ্ধান্তনেওয়া হয় যার মধ্যে ৩০৫টি বাস্তবায়িত হয়। ২০১০ সালে মন্ত্রিসভায় ৩১১টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বাস্তবায়িত হয় ২৯১টি শতকরা হিসাবে যা ৯৩ দশমিক ৫।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস ১২২টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং একশটি বাস্তবায়িত হয়, শতকরা হিসাবে যা ৮২।
চলতি বছরের জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত নেওয়া ৫৫টি সিদ্ধান্তের মধ্যে ৩৯টি বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সময়ে সিদ্ধান্তবাস্তবায়নের হার ৭১ শতাংশ।
Subscribe to:
Posts (Atom)





