SPORTS JOBS 7WONDERS

Ads by Cash-71

সবাই বলবে সড়কের অবস্থা ভালো না: আবুল হোসেন

Posted by methun

দেশের সড়কের অবস্থা ভালো নয় স্বীকার করে বিষয়টিতে সরকারের গুরুত্ব প্রত্যাশা করেছেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।

রোববার সংসদ অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটুর এক প্রশ্নের জবাবে দেশের সড়ক-মহাসড়ক বেহাল বলে স্বীকার করেন মন্ত্রী।

"আগামী ডিসেম্বরে বার্ষিক উন্নয়ন বরাদ্দ (এডিপি) সংশোধিত হয়ে যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ পেলে এর সমাধান হবে।", বলেন তিনি।

সড়কের অবস্থা প্রসঙ্গে আবুল হোসেন বলেন, "দেশের সড়কের যে অবস্থা ভালো না; এখানে যারা আছে সবাই তা বলবেন, এদেশের মানুষ বলবে, আমিও তা বলব। সংবাদ মাধ্যমেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। আশা করি, সরকার তা গুরুত্ব দেবেন।"

বেহাল সড়ক নিয়ে গত অগাস্টে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন যোগাযোগমন্ত্রী। সেসময় দায় স্বীকার করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান সরকারদলীয় কয়েকজন সাংসদও।

রোববার সংসদে মন্ত্রী জানান, দেশের সড়ক সংস্কারে চলতি অর্থবছরে মাত্র ৫০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, "ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কারে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১০০ কোটি টাকা।"

"একনেকে ১৪১০ কোটি টাকা (যা না করলে নয়) অনুমোদন করা হয়" জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, "এ অর্থ বছরেই তা পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। এ টাকার মধ্যে দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা।"

আগামী ডিসেম্বরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সংশোধন (রিভাইজড) হবে বলে জানান তিনি।

সড়ক সংস্কারে সবার কাছ থেকে একই রকম প্রশ্ন আসবে উল্লেখ করে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, "এদেশের মানুষ, সংসদ সদস্য, আমরা সহকর্মী, গণমাধ্যমে যা উপস্থাপন হচ্ছে-আশা করছি তা সমাধানের জন্য যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থাকবে। মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিলে দেশবাসীর আশা পূরণ হবে।"

বেহাল সড়ক নিয়ে সমালোচনামুখর সময়েও সড়ক মেরামত না করতে পারার কারণ হিসেবে অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রীকে দুষেছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী।

'নতুন সড়ক ও বাইপাস নয়'

সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে আবুল হোসেন বলেন, "নতুন কোনো সড়ক ও বাইপাস করার আর উদ্যোগ নেবে না সরকার। এর পরিবর্তে বিদ্যমান সড়কগুলো চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

নতুন করে সড়ক ও বাইপাসের প্রস্তাব না দেওয়ার আহ্বানও তিনি।

জাতীয় পার্টির এস এম আবদুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, "সরকারের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। এখন আমাদের যা রাস্তা আছে তা চলাচল উপযোগী রাখতে চাই।"

মন্ত্রী বলেন, "নতুন কোনো সড়ক ও বাইপাস করার প্রস্তাব আনবেন না। যদি প্রস্তাব আনেন, তাহলে আমি ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট প্রোফর্মা) পাঠিয়ে দিতে পারি। সার্বিকভাবে তা বাস্তবায়ন নির্ভর করবে সরকারের অর্থ সংস্থানের ওপর।"

সাংসদ সাধনা হালদারের প্রশ্নের জবাবে আবুল হোসেন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি যথাসময়ে শেষ করার জন্য মন্ত্রণালয় জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, "আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে।"

এমআই সিমেন্ট ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে

Posted by methun

বেসরকারি সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমআই সিমেন্ট ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ স্টক ও ১৫ শতাংশ নগদ আকারে পাওয়া যাবে।

শনিবার পরিচালনা পর্যদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

২০১১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্যে এই লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ বছর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৩৬ পয়সা।

১৯৯৮ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি ক্রাউন সিমেন্ট নামে সিমেন্ট উৎপাদন করে আসছে।

২০১১ সালে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ১০টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার ১১১ টাকা ৬০ পয়সা দরে প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

গত ৬ মে থেকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ও গত ২২ মে থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন শুরু হয়।

বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ

Posted by methun

ব্যাংক হিসাব, বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট খোলায় এবং ব্যাংক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র দাখিল বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগের সচিব মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে তাদের মতামতও তুলে ধরেছেন।

অবশ্য কমিশন মনে করে, অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই পদ্ধতি চালুর আগেই নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র দাখিল বাধ্যতামূলক করা ঠিক নয়।

বৈঠকে উপস্থিত এসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেন  বলেন, "হিসাব খোলা এবং ঋণ নিতে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারের বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরেছি আমরা। আমাদের কী কী চাহিদা তাও বলেছি। এখন সার্বিক বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেবে।"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন  বলেন, "আমরা পরিচয়পত্রের তথ্য অনলাইনে যাচাইয়ের পক্ষে। এজন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছি আমরা। কিন্তু সব ধরনের প্রস্তুতির আগেই নাগরিক সেবা নিতে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা ঠিক হবে না।"

তিনি জানান, ইসিতে সংরক্ষিত নাগরিকদের তথ্য উপাত্ত ব্যবহারের বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হচ্ছে। সবার কাছে ত্র"টিমুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহের পর সেই নীতিমালা মেনেই শিগগির এ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

"অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে একই ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন নামে বিভিন্ন ব্যংক ও একাধিক বিও অ্যাকাউন্ট খোলা বা ভুয়া নামে ব্যাংক ঋণ নেওয়া রোধ করা যাবে। অন্যান্য অপরাধও কমে আসবে।"

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী যে কোনো সেবা বা নাগরিক সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সেবা প্রত্যাশী নাগরিকের পরিচিতি যাচাইয়ের জন্য নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন বা এর অনুলিপি জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করতে পারবে সেবাদাতা সংস্থা।

এ আইন অনুযায়ী নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিচয়পত্র তৈরি করা, বিতরণ ও রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুসাঙ্গিক সব দায়িত্ব পালনের এখতিয়ার থাকবে কমিশনের হাতে।

তথ্য যাচাই

ইসি কর্মকর্তারা জানান, এ পর্যন্ত সাড় আট কোটিরও বেশি ভোটারকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্র দেওয়ায় এর উল্লে¬খযোগ্য একটি অংশে বানান ও তথ্যগত ভুল রয়ে গেছে।
এছাড়া ভোটার তালিকা হালনাগাদ না হওয়ায় অন্তত ১৫ লাখ লোক এখনো পরিচয়পত্র পাননি। চলতি বছরের শেষ দিকে হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।

ইসির অতিরিক্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই ব্যাংকের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করায় কাঙ্খিত ফল অর্জন সম্ভব হয়নি। প্রদর্শিত পরিচয়পত্রটি আদৌ আসল কি না- তা যাচাইয়ের পদ্ধতি চালু না থাকায় বাজারে জাল পরিচয়পত্র তৈরির হিড়িক পড়ে গেছে।

"এ দুষ্কর্ম রোধ করতে হলে সেবা দানকারী সংস্থাগুলোকে প্রদর্শিত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা নিতে হবে।"

ইসি এখন অনলাইনে এসব তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ দিতে প্রস্তুত উল্লে¬খ করে তিনি জানান, এ পদ্ধতিতে সহজেই 'ভুয়া' পরিচয়পত্র চিহ্নিত করা যাবে। ফলে কেউ ভুয়া পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ নিতে অথবা একাধিক বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট খুলতে চাইলে তা ঠেকানো যাবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখার জরিমানার বিধান রয়েছে জাতীয় নিবন্ধন আইনে।

সূচক-লেনদেনে চাঙা পুঁজিবাজার

Posted by methun

ব্যাংক বিনিয়োগ বাড়াতে শুরু করায় সপ্তাহ শুরুর দিনে চাঙাভাবে লেনদেন হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ।

সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের দিনের চেয়ে ২১৪ কোটি টাকা বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৬১৬ কোটি টাকা, সাধারণ সূচকও বেড়েছে ১০৯ পয়েন্ট।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বাছাই সূচক (সিএসসিএক্স) বেড়েছে ৩০১ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বেশি। এর পরিমাণ ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

রোববার বাজারের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে সিএসই সহ-সভাপতি আর মারুফ খান  বলেন, "একদিনের মুভমেন্ট দেখে বোঝা যাবে না। আমরা একটা স্থিতিশীল বাজার চাই। সেটার জন্য অপেক্ষা করছি।"

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, "প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা আগের দিনের চেয়ে লেনদেনে বেশি অংশ নিয়েছে। তবে কতদিন এটা থাকবে, সেটাই প্রশ্ন।"

চলতি সপ্তাহ থেকে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর ঘোষণা এবং বিনিয়োগের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের বৈঠকের খবরের মধ্য দিয়ে সকালে দিনের লেনদেন শুরু হয়।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরুতেই সূচকে উল্লম্ফন ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে লেনদেন।

১১টায় ডিএসই ৫৫৪৪ পয়েন্ট সূচক নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ৬ মিনিটেই সূচক ২২৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭৭২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। দুপুর ১২টার দিকে সূচক বেড়ে ৫৮০০ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠেছিলো।

লেনদেন শুরুর পৌনে এক ঘণ্টায় শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বাড়ে ২১৩টির, কমে ১১টির, ২টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।

তবে দুপুর ১২টার পর সূচক একটু কমতে শুরু করে।

দিন শেষে ডিএসইতে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বাড়ে ১৩০টির, কমে ১১৭টির, ৯টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।

দিনশেষে ব্যাংকং, ইন্সুরেন্স, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও টেলিকম খাতের অধিকাংশ শেয়ার এবং বেশিরভাগ মিউচুয়াল ফান্ডগুলো দাম বৃদ্ধিতে থাকলেও অন্যান্য খাতের শেয়ার দাম ধরে রাখতে পারেনি।

সিমেন্ট, সিরামিকস, প্রকৌশল, খাদ্য ও আনুসঙ্গিক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তথ্য প্রযুক্তি, বিবিধ, ওষুধ, আবাসন ও সেবা এবং বস্ত্র খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর হারিয়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিলো- গ্রামীণফোন, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউসিবিএল, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো লিমিটেড, এম আই সিমেন্ট, ওয়ান ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, সাউথইস্ট ব্যাংক ও বেক্সিমকো ফার্মা।

দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ব্যাংক এশিয়া, লিগাসি ফুট ওয়্যার, গ্রামীণফোন, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক, সিটি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, কে অ্যান্ড কিউ, ওয়ান ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও বিজিআইসি।

দাম কমার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- ইমাম বাটন, দেশ গার্মেন্টস, বাংলাদেশ অটোকারস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, ঢাকা ডাইং, মিথুন নিটিং, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক্স, অলটেক্স ও সোনালী আঁশ।

'বিস্ফোরিত হাতবোমা বিসিআইসি'র শ্রেণীকক্ষেই ছিল '

Posted by methun

মিরপুরে বিসিআইসি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণীকক্ষে বিস্ফোরিত হাতবোমাটি কেউ ছুড়ে মারেনি, সে বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।

তবে সেখানে থাকা হাতবোমাটি কীভাবে সেখানে এলো তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ।

রোববার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিসিআইসি স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরিদর্শনে যান।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "যে কোন মূল্যে এ বোমা রাখার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে।"

এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে আরো সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরে শিক্ষামন্ত্রী পঙ্গু হাসপাতাল ও জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

স্কুলটির অন্য ছাত্রদের বরাত দিয়ে মিরপুর শাহ আলী থানার ওসি আনিসুর রহমান  রোববার বলেন, "ওই কক্ষে পাওয়া একটি ককটেল (হাতবোমা) নাড়াচাড়া করতে গিয়ে নিচে পড়ে বিষ্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে।"

আহতরা সবাই সুস্থ রয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি স্কুল আ্যন্ড কলেজের দ্বিতীয় তলায় ষষ্ঠ শ্রেণীর কক্ষে বোমা বিস্ফোরণে রাকিবুল হাসান অয়ন (১২), সাইফুর রহমান (১৩) ও রাফসান জান নিশাদ (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণীর তিন ছাত্র আহত হয়।

বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই স্কুল এণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

স্বাস্থ্যসেবা সাধ্যে আনা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ: হাসিনা

Posted by methun

স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য অবারিত করতে ও সাধ্যের মধ্যে আনতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উৎসের সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসাকে একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করে বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন ২০১১ এর মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্যে রোববার বার্লিনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

"স্বাস্থ্যখাতে অর্থায়ন এখন একটি বহুল বিতর্কের বিষয়" বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমাদের প্রয়োজন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি উৎসের বাইরের সম্পদের লাগসই ব্যবহার উৎসাহিত করতে হবে।"

তিনি বলেন, "বিশ্ব স্বাস্থ্য প্রতিবেদন ২০১০-এ এ খাতে অর্থায়নের নতুন নতুন উপায় ও স্বাস্থ্যবীমার বিষয়ে যথার্থই আলোচনা হয়েছে।"

পাশপাশি প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন, "স¤প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে নানামুখী সংকটের ফলে বীমার প্রিমিয়ামের যে অভূতপূর্ব ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে তাতে স্বাস্থ্যসেবায় অর্থায়ন ও এর স্থায়িত্ব নিয়ে গভীর পরীক্ষা-নিরিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।"

বিশ্ব সম্মেলনে বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড. আঙ্গেলা মের্কেলকে 'স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে বৈশ্বিক আলোচ্যসূচিতে নিয়ে আসায় তার অদম্য প্রচেষ্টার জন্য' অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যখন আমরা উদ্ভূত স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় নীতি নির্ধারণের প্রয়াস চালাচ্ছি তখন এ বছরের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য 'আজকের বিজ্ঞান আগামী দিনের এজেন্ডা' খুবই সময়োপযোগী ও যথাযথ।"

বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে মূল বক্তা হিসেবে যোগ দিতে পাঁচ দিনের সফরে শনিবার জার্মানি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৫ অক্টোবর জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবেন দুই নেতা।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে জার্মানির প্রস্তাব অনুসারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অভিযোজন ও প্রশমণ এবং স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা বিষয়ে দুটি যৌথ ঘোষণা আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল অ্যাডলনে সংবর্ধনা দেয় জার্মান আওয়ামী লীগ।

'লক্ষ্য ডিজিটাল বাংলাদেশ'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের আপাত লক্ষ্য হচ্ছে একটি মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যেখানে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও অসাম্য দূর হয়ে আইনের শাসন ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।"

"আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমার 'ভিশন ২০২১' নীতিতেও এ বিষয়গুলো রয়েছে। ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও আমাদের আর্থ-সামাজিক সূচকের উন্নতি হওয়া শুরু করেছে।"

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হচ্ছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধেও সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।"

স্বাস্থ্য খাত সব সময়ই তার সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- এ কথা জানিয়ে হাসিনা বলেন, "আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একজন সুস্থ মা সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন যার মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি গড়ে ওঠে।"

দারিদ্র্য নিরসন, নারী-পুরুষের সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনার মতো নীতি-নির্ধারণের সঙ্গেও সুস্বাস্থ্য অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত বলে বক্তব্যে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

খাদ্য নিরাপত্তাকে স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "তাই খাদ্যে রাসায়নিক, জৈব দূষণ, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদির অতিরিক্ত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার রোধে আমরা দ্রুত সনাক্তকরণ কৌশল অবলম্বন করছি।

"স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি আমরা মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে বিশুদ্ধ জীবন-যাপনে অভ্যস্ত করার উদ্দেশ্যে প্রচারাভিযান চালাচ্ছি।"

"এসব পদক্ষেপ ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের হার কমিয়ে আনতে পারে।", বলেন হাসিনা।

স্বাস্থ খাতে নানা উদ্যোগ

দেশে চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এ উদ্যোগ রোগ নির্ণয়ের মানসম্পন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে। এতে বিশেষায়িত ও উন্নত চিকিৎসা সেবার সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।"

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের জানান হাসিনা।

তিনি বলেন, "এছাড়া সাধারণ মানুষকে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ই-হেলথ পরামর্শের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।"

হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ নীতি প্রণীত হয়েছে।

"স্বাস্থ্য নীতিগুলো বাস্তবায়নের সফলতায় গত বছর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল ৪ পুরষ্কার পেয়েছে।"

স্থায়ী প্রতিষেধক, ভিটামিন এ টিকার ব্যবহারে শিশু মৃত্যুহার হ্রাস ও ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য ওই পুরষ্কার দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ মাতৃমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। অন্যদিকে কমে এসেছে জন্মহারও। ২০০৭ সালে যেখানে জন্মহার ছিল দুই দশমিক সাত, ২০১০ সালে তা দুই দশমিক ৪৭-এ নেমে এেেসছ।

স্বাস্থ্যসেবা খাতে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে জাতিসংঘের সাউথ সাউথ আইসিটি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গত মাসে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৬তম অধিবেশনে ওই পুরষ্কার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও এখনো ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, কালা-জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ, ভাইরাল হেপাটাইটিস, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক ও এইচআইভি/এইডসের মতো সংক্রামক ব্যধি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।

"অসংক্রামক ব্যাধির ক্ষেত্রে ফুসফুসের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের প্রকোপ বেড়েছে।"

সম্মেলনে বক্তব্যে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রসঙ্গটিও উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, "সারা বিশ্বে অটিজম ও নানা ধরনের মানসিক সমস্যা বাড়লেও বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশে মানসিক সমস্যা চিহ্নিত করা ও তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। বিশেষত অটিজম ও মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত শিশুরা অবহেলার শিকার হয়।

"এজন্য আমার মেয়ে সায়মা হোসেনের (একজন প্রশিক্ষিত সাইকোলজিস্ট) সহায়তায় আমরা অটিজম বিষয়ে ঢাকায় গত ২৫-২৯ জুলাই একটি আঞ্চলিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলাম।"

Don't propose new roads: Abul

Posted by methun

The government intends to emphasise repairing existing roads rather than building new ones, the communications minister has said.

Abul Hossain on Sunday explained to parliament that the government was 'short of finances' and that he cannot guarantee proposals for new roads.

"The government has many limitations. I can't guarantee if [a proposal for road] will be realised," he said, in reply to a question by Jatiya Party MP S M Abdul Mannan.

"I want to keep all the existing roads fit for transportation," he added.

He urged the lawmakers not to propose new roads and bypasses. "If you do, I will send a DPP, but the implementation will depend on government funding," he added.

In the last few months, the communications minister has faced fire from nearly all quarters since a transport strike that protested the poor state of highways grounded holidaymakers in Dhaka and the deaths of two prominent film and media personalities in accidents.

Abul Hossain had blamed the lack of funding for poor speed of repairs in front of the media.

He made similar remarks in parliament on Sunday, saying, "At least Tk 51 billion is required for repairing damaged roads under the SDM method. The ECNEC approved 14.1 billion, of which we have received Tk 500 million."

"The roads are not in a good condition, everyone knows that. I hope the government will pay attention to this," he added.

Abul hoped that the situation would improve when the Annual Development Plan would be revised in December.

Govt borrowings won't exceed limit: Muhith

Posted by methun

The finance minister has said that the government's loans from the banking sector will not exceed the target set in the budget.

"We've targeted a Tk 430 billion loan from foreign and internal sources to finance the budget deficit," A M A Muthih told reporters at the Secretariat on Sunday.

"The loans did not cross the target last time and it won't this time either."

The target for loans from internal sector for the 2011-12 fiscal is Tk 189.57 billion. A mere 100 days into the fiscal, the government has taken out Tk 95 billion in bank loans, more than half of the target, according to the central bank.

Experts spelt fear that investment in industries would be disrupted and inflationary pressure would increase if the government continued the trend. Speaking to journalists on Oct 17, Muhith called it an uncalled-for hubbub.

"I am not worried about inflation at all. I am worried about investment. We (government) can't feed the need for investment," he said.

INFLATION FROM GLOBAL PRESSURE

Inflationary pressure in the economy is caused by the food and oil-price hike in the international market, Muhith said.

"Our rice supply is good, so good we won't have to import rice. But the price is rising, chiefly because of international pressure. Rice prices are going up in the international markets," he said.

"But the good news is oil prices are going down. And as peace returns to Libya it will fall even further. That will help ease the inflation," Muhith said.

BoP UPSET WITH HIGH IMPORT

The nation's balance of payment (BoP) has been upset by an increased import spending, the finance minister said.

"This pressure has brought the taka down against dollar," he added.

"Last year we imported $ 31 billion worth of goods, while exports were $ 22 billion. The fiscal before that imports were $ 22 billion and exports $ 16 billion. This huge gap is pressuring the balance of payments," he said.

The price of dollar has been steadily rising, Following the urging of the central bank, Bangladesh's foreign exchange dealing banks on Oct 10 decided to cap the Dollar-Taka exchange rate at 76 for imports and at 75 for remittance and exports.

Khaleda trying to return terrorism: PM

Posted by methun

The prime minister has alleged that the opposition chief is trying to bring back terrorism and militancy to the country.

"Her true face has come out. Our opposition has asked us to free war criminals," Sheikh Hasina said at a reception accorded by expatriates in her honour at Hotel Adlon Kempinski Berlin in the German capital on Sunday.

Hasina said opposition leader Khaleda Zia had pitted herself against freedom fighters by making this claim.

"She said, 'None of them committed war crimes. They cannot be tried'. I leave this up to you to judge," the prime minister said.
Refuting Khaleda's remarks about her religion, Hasina said, "She says I am not a Muslim since I do not follow the rites and rituals.

"I start my day with Fajr prayers [at dawn] while hers starts at 12pm. Would I have to take a certificate from her? How dare she!" the prime minister said.
"How can a Muslim tell another Muslim,'You are not a Muslim'?"
Khaleda told a public meeting in Sylhet on Oct 11, "Prime minister Sheikh Hasina told a Durga Puja function that our Maa Durga has arrived by elephant. Is Durga her mother? We want to know which religion she actually believes in."
Two days later, Hasina snapped, "She asked whether I'm a Muslim or not. I would like to tell her that my day starts with Fajr prayers while her morning begins at midday."
Hasina recalled her grandfather — Sheikh Jahurul Haque — and said, "Why should it be indecent of me to ask her grandfather's name? Or where her husband's parents' graves are?"
The prime minister criticised the opposition's road march programme, calling it a 'car rally'.

"To have a road march you have to walk on the road," she remarked.

Hasina said the 15th amendment has been carried out to the constitution to ensure that the people would remain the holders of power.

"Our target is that no-one should be able to play with the Bangladeshi people's right to vote," she said.

Hasina said her government had fulfilled its promises to the people one by one. "We have countered terrorism with a strong hand. No militant activities have taken place during our term," she said.

She mentioned the agreements signed with India and said that the water distribution of 54 rivers would be resolved through discussion.

Hasina pointed out that Bangladesh's exports had increased amid the global recession. Exports to Germany had also grown, and until now 36 German firms were investing and 21 more had registered for investment, she said. She also called on expatriates to invest in the country.

"Foreign aid is being squeezed because of the recession. There are a lot of promises but few are seen keeping them," Hasina remarked and said that an infrastructure development fund would be created.

Awami League members from across Europe attended the event.

শামীমের বিনম্র ভোটপ্রার্থনা আইভীর বিষোদগার, তৈমূরের জন্য দল এক

Posted by methun

বড় ভাইয়ের স্নেহ নিয়ে অনুজ আইভীকে বলেছিলেন ভাই শামীম ওসমান, বোন আয় একসঙ্গে কাজ করি। লাজুক হাসি দিলেও কোনো কথা বলেননি আইভী। এ নিয়ে শামীম ওসমানের মন খারাপ হয়নি। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভোটের লড়াই যখন তুঙ্গে, নির্বাচন দোরগোড়ায় তখনই বাড়ি বাড়ি ঘুরে উঠান বৈঠকে শালীনতার নেকাব খুলে অগ্রজ শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে চলেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। এতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমান বুকে বেদনা অনুভব করলেও কোনো জবাব দিতে নারাজ। বলেছেন, মায়ের দোয়া নিয়ে নামাজ পড়েই নামেন ভোট চাইতে। গিবতকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না_ হাদিসের এ মর্মবাণীতে বিশ্বাসী তিনি। তাই কর্মীদেরও বলেছেন কারও নিন্দা নয়, বিনয়ের সঙ্গে যেন তার হয়ে ভোট চাওয়া হয়। শামীম সবাইকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবলেও আইভী বলছেন তিনি জিতবেন। কারও সঙ্গে লড়াই-ই হবে না। শামীমের বিনয়ী আচরণ, অক্লান্ত পরিশ্রম, মুরবি্বদের কদমবুসি করে শিশুর মতো ভোটের আবদার মানুষের মনকে নাড়া দিচ্ছে। অন্যদিকে সেলিনা হায়াত আইভীর আত্ম-অহঙ্কার ভোটাররা ভালো চোখে দেখছেন না। বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে।

এদিকে প্রচারণা ও গণসংযোগে মরণপণ লড়াইয়ে নেমেছেন এনসিসি প্রতিদ্বন্দ্বী তিন মেয়র প্রার্থী শামীম ওসমান, তৈমূর আলম খন্দকার ও ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। আর যেন সময় নেই তাদের হাতে। নির্বাচনের আর মাত্র ৭ দিন বাকি। এরই মধ্যে ভোটারদের মন জয় করতে হবে তাদের। তাই এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কেউ কেউ বেছে নিয়েছেন নানা কৌশল। কেউ কারও বিরুদ্ধে বিষোদ্গার, কেউ ভোট প্রার্থনায় অত্যন্ত বিনয়ী, আবার কেউ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সেক্টরের ব্যর্থতার সমালোচনাসহ জয় নিশ্চিত করতে মরণপণ লড়াইয়ের দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। অন্যদিকে ভোটাররাও প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনার কৌশল পর্যবেক্ষণ করছেন নিবিড়ভাবে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২৭টি ওয়ার্ডেই চষে বেড়িয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সদ্যবিলুপ্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী, বিএনপির একক প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক এমপি এ কে এম শামীম ওসমান। প্রতিটি এলাকার রাস্তা, বাজার, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাধারণ মানুষ এমনকি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দরজার কড়া নেড়েছেন তারা একাধিকবার। প্রার্থীদের দফায় দফায় আগমন ও ভোট প্রার্থনার কৌশল এবং আন্তরিকতা গভীর রেখাপাত করছে ভোটরদের মনে। কোনো প্রার্থীর প্রচারণায় আন্তরিকতা অপেক্ষা বিষোদ্গার বিষয়টি যেমন সমালোচিত হচ্ছে, তেমনি ভোট প্রার্থনায় কারও বিনয়ী মনোভাব ভোটারদের কাছে হচ্ছে নন্দিত। মূলত ভোটারদের মধ্যে শামীম, তৈমূর ও আইভীর ভোট প্রার্থনা, প্রচারণা এবং গণসংযোগ নিয়ে চলছে নানা গল্প।

সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটারদের সঙ্গে আলোচনা হয় খোলামেলা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভোটাররা বলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. আইভী ভোট প্রার্থনার চেয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিষোদ্গারকেই নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণায় দোয়া অপেক্ষা অপর প্রার্থী শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে চলেছেন। এ ছাড়া নির্বাচনে সব প্রার্থীর মধ্যে তুমুল লড়াই হবে এ রকম ধারণাই জেলার রাজনৈতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে। কিন্তু আইভী প্রার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের ধারণাকে আমলেই নেননি। গত বৃহস্পতিবার গণসংযোগকালে তিনি বলেছেন, 'এ নির্বাচনে কোনো ধরনের লড়াই-ই হবে না।' তার এ রকম বক্তব্যে আত্ম-অহমিকার প্রকাশে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পরে গণসংযোগকালে কথায় কথায় আরেক প্রার্থীকে ইঙ্গিত করে ভোট ডাকাতি, কারচুপি, প্রার্থীর বড় ভাইকে নিয়ে আচরণবিধি লক্সঘন, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগেই গণসংযোগে বেশি সময় পার করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ থেকে শামীম ওসমান সমর্থন পাওয়ার পরে আইভী তা মেনে নিতে পারেননি। এমনকি কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের শামীম ওসমানের পক্ষে প্রচারণায় নামাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টান বলে অভিযোগ করছেন। শামীম ওসমান ভোটের জন্য দুয়ারে দুয়ারে ক্লান্তিহীন পথ হাঁটছেন। সমবয়সীদের বুকে জড়িয়ে নিচ্ছেন আর ছোটদের হাত বুলাচ্ছেন মাথায়। ভোটারদের সঙ্গে করছেন হাসিঠাট্টা। আনতে চাচ্ছেন উৎসবের পরিবেশ। বহুতল ভবনের দোতলা, তিনতলা চারতলার দিকে তাকিয়ে হাতজোড়ে করছেন ভোট প্রার্থনা। শুক্রবার দেওভোগ এলাকায় গিয়ে দোতলায় এক বয়োজ্যেষ্ঠ ভোটারকে সালাম দিয়ে বলেন, খালাম্মা হয় ভোট দিন, না হয় ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিন। এ সময় আশপাশের সাধারণ মানুষ শামীম ওসমানের সঙ্গে হাসিঠাট্টায় মেতে ওঠে। নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিভিন্ন মিডিয়ায় আইভীকে নিয়ে একটিবারের জন্য কটাক্ষ করেননি শামীম ওসমান। আইভীর ইঙ্গিত করা বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শামীম ওসমান আইভীকে ছোট বোন ছাড়া কোনো মন্তব্য করেননি। সিদ্ধিরগঞ্জে গণসংযোগকালে দুই প্রার্থীর (শামীম ও আইভীর) হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে থমকে দাঁড়ান দুজনই। নীরবতা ভেঙে আইভীর দিকে এগিয়ে যান শামীম ওসমান। ছোট বোনের মাথায় মাথা লাগিয়ে বলেন, 'বোনরে আয় একসঙ্গে কাজ করি।' আইভী মৃদু হাসি ছাড়া মুখে কোনো উত্তর দেননি সে সময়। আইভীর সঙ্গে নিজ থেকে এগিয়ে গিয়ে শামীম ওসমানের কুশল বিনিময় ভোটারদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। প্রচারণাকালে একমাত্র আইভীকে নিয়ে মিডিয়া কোনো প্রশ্ন করলেই শামীম ওসমান আইভীর নাম মুখে নিয়ে বলছেন, 'ও আমার ছোট বোনের মতো। ওর কোনো দোষ নেই। ও অবুঝ। পেছন থেকে ওকে নিয়ে কেউ খেলছে। একদিন ভুল বুঝতে পারবে।' প্রচারণায় আইভীর মতো শামীম ওসমান কুৎসা রটনায় লিপ্ত হননি। এর ফলে ভোটাররা ইতোমধ্যেই শামীম ওসমানকে প্রশংসিত করছেন। অন্যদিকে বিএনপির একক প্রার্থী বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের জয় নিশ্চিত করতে জেলা বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূল নেতা-কর্মীরা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে মরণপণ লড়াই হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এ নির্বাচনে জয় তাদের পেতে হবেই। এ জন্য তারা মরণকামড় দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। জয় নিশ্চিত করতে এককালের ভাই হত্যার অভিযুক্ত আসামি সাবেক এমপি মো. গিয়াসউদ্দিনের সঙ্গে বিবাদ মিটিয়ে ফেলেছেন তৈমূর। যদিও তৈমূরের ভাই সাবি্বর আলম খন্দকার হত্যার সঙ্গে সাবেক এমপি গিয়াসের কোনো সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে। নেতা-কর্মীদের মতে এ নির্বাচন জেলা বিএনপির জন্য নানা সুফল বয়ে এনেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে জেলা বিএনপির কোন্দল ছিল একটি চিরন্তন সত্য। কিন্তু এনসিসি নির্বাচনকে ঘিরে দলের চেয়ারপারসনের নির্দেশে সবাই ঘরের বাধ্য সন্তানের মতো এক প্লাটফরমে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির সাবেক এমপি আবুল কালাম, গিয়াসউদ্দিন, রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জেলা সহসভাপতি বদরুজ্জামান খসরু, সহসভাপতি শিল্পপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান, নগর বিএনপি সাধারণ সম্পদক এ টি এম কামালসহ সব ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা মরণকামড় দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নির্বাচনী মাঠে। নেতা-কর্মীদের মতে এ লড়াই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির। গণসংযোগকালে তৈমূর ও তার সমর্থকরা সরকারের ব্যর্থতা আর জেলার অনুন্নয়ন তুলে ধরে বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এ ছাড়া প্রার্থীদের নিয়ে তার মুখে নেই কোনো অভিযোগ। তার যত অভিযোগ ইভিএম ও সরকার পরিচালিত প্রশাসনের বিরুদ্ধে। 'কোনো প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই হবে না'_ আইভী এ মন্তব্য করলেও বিএনপি প্রার্থী তৈমূর কোনো প্রার্থীকেই খাটো করে দেখছেন না।

বৃষ্টিতে চলছে প্রচারণা : শামীম ওসমানের গণসংযোগ : আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এ কে এম শামীম ওসমান গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্দরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের একরামপুর, গোলাম আসাদ রোড, কদমরসুল রোড, উইলসন রোড এলাকায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভা করেন। বিকালে বন্দরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ, ইলিয়াস শাহ রোড, টি হোসেন রোড, নোয়ার্দ্দা, কাইত্যাখালি, আমিরাবাদ, চৌরাপাড়া এলাকায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম সাগর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু ও আলেয়া বেগমসহ মহাজোট নেতারা।

এসব গণসংযোগ ও পথসভায় শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের পরিকল্পিত উন্নয়নে ৩০ অক্টোবর দেয়ালঘড়ি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যেহেতু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় সুতরাং আমি নির্বাচিত হলে আগে সংসদ সদস্য থাকাকালীন যে উন্নয়নের রেকর্ড করেছি তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারব ইনশা আল্লাহ।

এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরার নেতৃত্বে একটি টিম দিনভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় শামীম ওসমানের পক্ষে দেয়ালঘড়ি প্রতীকে ভোট চান। আরও উপস্থিত ছিলেন কামরুন্নেছা মান্নান, সুলতানা বুলবুল এমপি, নূর আফরোজ আলী এমপি প্রমুখ।

এ ছাড়া ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের নেতৃত্বে সাতটি টিম শহরের হাজীগঞ্জ, খানপুর, পালপাড়া, গোয়ালপাড়া, দেওভোগ, শীতলক্ষ্যা, বাবুরাইলে শামীম ওসমানের পক্ষে প্রচারকাজ চালান। তারা দেয়ালঘড়ি প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন। শামীম ওসমানের সহধর্মিণী সালমা ওসমান লিপি গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বাবুরাইল, পাইকপাড়া, দেওভোগ, পালপাড়ায় গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেন।

বিকালে নয়ামাটি এলাকায় শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ও আওয়ামী লীগ নেতা মৃণাল কান্তি দাস।

এ ছাড়াও বিকালে কেন্দ্রীয় যুবলীগের একটি টিম শহরের মিশনপাড়া, ব্যাংক কলোনি, ডর চেম্বার ও খানপুরে শামীম ওসমানের পক্ষে গণসংযোগ করে। উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য হারুন অর রশিদ, শহীদ সেরনিয়াবত, অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ, শাহ নিজাম প্রমুখ।

দিনভর শহরের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা টানবাজার ও সাহাপাড়ায় গণসংযোগ করেন যুব মহিলা লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি। তারা ১০টি টিমে ভাগ হয়ে ওই সব এলাকায় দেয়ালঘড়ির লিফলেট বিতরণ করে ভোট চান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবিনা আক্তার তুহিন, নুরুন্নাহার লাভলী, চায়না ভূইয়া, শামসুন্নহার রত্না, মাহমুদা মালা, হেলেনা, রত্না রহমান প্রমুখ।

আইভীর গণসংযোগ : মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক সাবেক এমপি এস এম আকরাম, শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহসভাপতি হায়দার আলী পুতুল, জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল কাদির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক নিজামউদ্দিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আরাফাত প্রমুখ।

তৈমূরের গণসংযোগ : অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এবং বিকালে হরিপুরে গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাসুদ তালুকদার, সাবেক এমপি আবুল কালাম, নগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল প্রমুখ।

আইভীর বিরুদ্ধে রিটার্নিং অফিসারের কাছে শামীম ওসমানের লিখিত অভিযোগ : মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনে গতকাল রিটার্নিং অফিসারের কাছে দুটি অভিযোগ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শামীম ওসমান। তার পক্ষে চন্দন শীল স্বাক্ষরিত এ দুটি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা, কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক আচরণবিধি ভঙ্গ করে শুক্রবার আইভীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। আইভীর কর্মী-সমর্থকরা সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকার ভোটারদের তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছেন ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। আইভী নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে বক্তব্য, ভোটারদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারপত্র বিলি করছেন। শুক্রবার বিকালে শামীম ওসমানের পক্ষে দেয়ালঘড়ি প্রতীকে প্রচারণা চালানোর সময় কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় আইভী নিজে শামীম ওসমানের কর্মীদের গালাগাল করেন। আইভীর বাসস্থান দেওভোগে তার কর্মী-সমর্থকরা প্রতিনিয়ত শামীম ওসমানের পোস্টার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলছেন। আইভী তার নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন এবং এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছেন। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এক ঘণ্টা বৃষ্টিতেই ভেসে গেল টেস্ট

Posted by methun

মাত্র ১ ঘণ্টার বৃষ্টি। তাতেই ভেসে গেল বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন।

পরশু ভোররাতে ১ ঘণ্টা মুষলধারায় বৃষ্টি ঝরে। উইকেটসহ মাঠের চারদিকের ৫০ গজ ঢাকা ছিল পিচ কাভার দিয়ে। কিন্তু ওই কাভার বাঁচাতে পারেনি আউটফিল্ড। সকালে মাঠে এসে পানি দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন দুই আম্পায়ার নাইজেল লং, কুমারা ধর্মাসেনা এবং ম্যাচ রেফারি এন্ডি পাইক্রফট। দেখেন গ্রাউন্ডসম্যানরা দুই হাতে পানি সেচছেন। আর মাঠে পা রেখেই দেখেন দেবে যাচ্ছে। মাঠের এমন কন্ডিশনে সময় নেয় দেড় ঘণ্টা। বেলা ১১টায় মাঠ পরিদর্শন করেন ম্যাচ রেফারি এবং ১৫ মিনিট পর পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন টেস্টের দ্বিতীয় দিন। জহুর আহমদ স্টেডিয়ামে এবারই প্রথম কোনো টেস্ট বা ম্যাচ বাধাগ্রস্ত হয়নি বৃষ্টিতে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ-ভারত ড্র টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিন একটিও বল গড়ায়নি মাঠে। ওই বৃষ্টির ধাক্কায় মাঠ শুকাতে লেগেছিল পুরো দেড় দিন। ফলে চতুর্থ দিন মাত্র ১৪ এবং পঞ্চম দিন ২৮ ওভার খেলা হয়েছিল। এ ছাড়া ওই সিরিজেই ১৫ মে দুই দেশের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে কোনো বল গড়ানোর আগেই পরিত্যক্ত হয়েছিল। ২০১০ সালের ডিসেম্বরেও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ হতে পারেনি বৃষ্টির কারণে।

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় বিরাট অঙ্কের ক্ষতি হয়েছিল ক্রিকেট বোর্ডের। ম্যাচ না হওয়ায় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান নিমবাস একটা মোটা অঙ্কের অর্থ কেটে নিয়েছিল। তখনই ক্রিকেট বোর্ড জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ-ব্যবস্থার উন্নতির ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চার বছর পরও সেই একই অবস্থা রয়ে গেছে। এর মধ্যে বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১১ উপলক্ষে ৭১ কোটি টাকার শোভাবর্ধন ও সংস্কারকাজ হয়েছে স্টেডিয়ামের। তবে কোনো উন্নতি হয়নি ড্রেনেজ পদ্ধতির। বরং সামান্য বৃষ্টি হলেই মাঠে জমে থাকছে পানি। নিষ্কাশনের কোনো সুবিধা না থাকায় পানি বের হতে পারছে না। গতকালে বৃষ্টির পানিও সেই একই অবস্থায় রয়ে যায়। এর ফলে ম্যাচ রেফারি সকালেই খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।

অবশ্য মাঠ সংস্কার নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে একটি ঠাণ্ডা লড়াই চলছে। পানি নিষ্কাশনসহ মাঠের উন্নতির জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দও করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। দুই পক্ষের টানাহেঁচড়ায় শেষ পর্যন্ত প্রকল্পের টাকা অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয় ক্রীড়া পরিষদ। এ প্রসঙ্গে ক্রিকেট বোর্ডের গ্রাউন্সড কমিটির ম্যানেজার আবদুল বাতেন বলেন, 'বিশ্বকাপের পরপরই মাঠ সংস্কারের জন্য ক্রিকেট বোর্ড চিঠি দিয়েছিল ক্রীড়া পরিষদকে। কিন্তু বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাওয়ায় কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী অর্থবছরে নতুন করে অর্থ বরাদ্দের পরই মাঠের সংস্কারকাজ করা হবে।' ম্যাচ রেফারি সকালে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করায় বিস্ময় প্রকাশ করে বিসিবির গ্রাউন্সড কমিটির ম্যানেজার বলেন, 'সকালে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করে দুপুরে আরও কয়েকবার মাঠ পরিদর্শন করা উচিত ছিল।' একই কথা পিচ কিউরেটর গামিনি সিলভারও। তিনি বলেন, 'উইকেট খেলার উপযোগী ছিল। কিন্তু আউটফিল্ড ভারী ছিল। তাই খেলা সম্ভব হয়নি।'

নতুন মূসক আইন হবে স্বচ্ছ: নাসির উদ্দিন

Posted by methun

এনবিআর চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কাঠামোগত ও প্রশাসনিক পরিবর্তন করে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও করবান্ধব নতুন মূসক আইন করা হবে।

১৯৯১ সালে দেশে প্রথমবারের মত মূসক চালুর বিষয়টি উল্লেখ করে শনিবার এক আলোচনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বলেন, "১৯৯১-৯২ অর্থবছরে মূসক আদায় হয়েছিল মাত্র এক হাজার ৯০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে তা ২৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।"

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) আয়োজিত 'মূল্য সংযোজন কর আইন, ২০১১র খসড়া' শিরোনামের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

"পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মূসক আইন দেখে 'মূসক আইন- ২০১১' এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে," জানিয়ে তিনি বলেন, "গত বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী নতুন মূসক আইন করার কথা বলেছেন। সে লক্ষে আমরা সংশ্লিষ্ট সব মহলের মতামত নিচ্ছি।"

আগামী পাঁচ বছরে এনবিআর এর আধুনিকায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।

সিসিসিআই'র সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বৃহৎ করদাতা ইউনিট (মূসক), ঢাকার কমিশনার ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, চেম্বার পরিচালক এম এ ছালাম, মাহফুজুল হক শাহ, ছৈয়দ ছগীর আহমদ, বিজিএমইএ'র প্রথম সহ- সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী, বিকেএমইএ'র প্রতিনিধি শওকত ওসমান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর কমিশনার সুলতান মাহমুদ ও হায়দার খান প্রমুখ।

এর আগে সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের কার্যালয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মূসক আইনের খসড়া নিয়ে আরেকটি আলোচনা সভা হয়।

গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় বেড়েছে

Posted by methun

গ্রামীণফোন লিমিটেড চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তিনশ ৪৯ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় করেছে।

এ সময়ে আয় করা রাজস্বের পরিমাণ দুহাজার দুশ ৮৩ কোটি টাকা যা ২০১০ সালের একই সময়ের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি।

গত বছরের তুলনায় রাজস্ব বৃদ্ধি হয়েছে প্রধানত গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি, ধারাবাহিক গ্রাহক বৃদ্ধির ফলে ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ডাটা, রোমিং ও হোলসেল বিজনেসের আয়ের কারণে।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোন (জিপি) এ তথ্য জানায়।

২০১১ এর দ্বিতীয় প্রান্তিকের ভালো আর্থিক ফলের তুলনায় গ্রামীণফোন ৯.৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় করেছে।

তৃতীয় প্রান্তিকের বিষয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টোরে জনসেন বলেন, "শেয়ারহোল্ডারদের আমি আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই যে নিরাশাব্যঞ্জক রেগুলেটরি পরিবেশ সত্ত্বেও গ্রামীণফোন তার ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ধারা আরো উন্নত করতে পেরেছে।"

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রামাঞ্চলে মোবাইল ফোন সেবা আরো ছড়িয়ে দিতে গ্রামীণফোন আরো ৩২ হাজার খুচরা বিক্রেতাকে সংযুক্ত করেছে, ফলে খুচরা বিক্রেতার সংখ্যা প্রায় তিন লাখে পৌঁছেছে।

"এর ফলে ১৪ লাখ নতুন গ্রাহক গ্রামীণফোনের সেবা গ্রহণ করছেন, এই বৃদ্ধি ২০১০ এর একই সময়ের তুলনায় শতকরা ২৩ ভাগ বেশি।"

গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহক সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ৫২ লাখে।

আয়কর দেওয়ার পর গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের শতকরা ১৫ ভাগ মার্জিনসহ ২৯১ কোটি টাকা মুনাফার তুলনায় ২০১১ এর একই সময়ে নিট মুনাফা হয়েছে শতকরা ২৪.৭ ভাগ মার্জিনসহ ৫৬৩ কোটি টাকা।

২০১১-এর তৃতীয় প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ১৭ পয়সায় যা ২০১০ এর একই সময় ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯ টাকা ১৮ পয়সা যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৭৩ পয়সা।

গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে ২০১১ এর তৃতীয় প্রান্তিকে চারশ ৪৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

"এর মাধ্যমে চালু হওার পর থেকে গ্রামীণফোনের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার সাতশ ৯৭ কোটি টাকা।"

গ্রামীণফোন গত ১০ অক্টোবর ২০১১ এ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ২য় প্রজন্মের লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর বিটিআরসি প্রকাশিত চূড়ান্ত লাইসেন্স নবায়ন নীতিমালা অনুযায়ী এই আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

এক নিরীক্ষার ভিত্তিতে গত ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে তিন হাজার ৩৪ কোটি টাকা দিতে বলে।

এ টাকা পরিশোধ নিয়ে গ্রামীণফোন ও বিটিআরসির নানা বার্তা-পাল্টা বার্তা বিনিময়েল মধ্যেই গ্রামীণফোনের আবেদনের ভিত্তিতে বিটিআরসির ওই চিঠির কার্যকরিতা আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্ট।

চক্ষু চিকিৎসায় ব্রিটিশ নাগরিকের সহায়তা

Posted by methun

মৌলভীবাজারের বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালকে প্রায় দুই কোটি টাকার চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছেন এক ব্রিটিশ নাগরিক।

শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার মাতারকাপন গ্রামে অবস্থিত হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এসব চিকিৎসা সামগ্রী দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল সোসাইটি ফর ব্লাইন্ডস'র (বিএনএসবি) অবৈতনিক সম্পাদক এ এম ইয়াহিয়া মুজাহিদ  জানান, যুক্তরাজ্যের সাফলক এলাকার বাসিন্দা মিসেস রাচেল অ্যানড্রিজ এসব চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে হাসপাতালকে সহায়তা করেন।

এক কোটি ৮৪ লাখ টাকা মূল্যের ৭৮ প্রকারের চিকিৎসা সামগ্রী হাসপাতালকে দেন রাচেল।

মিসেস রাচেল গত বছর হাসপাতাল পরিদর্শন করে যুক্তরাজ্য ফিরে এসব চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করেন। পরে 'এইড টু হসপিটাল ওয়ার্ল্ডওয়াইড-ইউকে'র মাধ্যমে এগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হয় বলে জানান ইয়াহিয়া মুজাহিদ।

চিকিৎসা সামগ্রীর মোড়ক উন্মোচন করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও হাসপাতালের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বার সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, প্রকৌশলী আব্দুল মুনিম, সাবেক সাংসদ হোসনে আরা ওয়াহিদ, প্রবাসী ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান প্রমুখ।

'দুর্নীতির তদন্তে অনুমতির প্রয়োজন নেই'

Posted by methun

দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) আইনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের আগে অনুমতি নেওয়ার বিধান না রাখার পক্ষে সংসদীয় কমিটি।

রোববার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির ৪৬তম বৈঠক শেষে সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের জানান, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া ঘুরে এসে ২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ৫ দফা সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল।

"ওই তিন দেশে দুর্নীতি দমনে নিয়োজিত সংস্থাটি অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে স্বাধীন। কোনো সরকারি কর্মকর্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইনকোয়রি, ইনভেস্টিগেশন বা প্রসিকিউশনে কোনো পূর্বানুমতির বিধান নেই সেখানে। নিজস্ব জনবল দিয়েই তারা এসব কাজ করে। ওই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরাও কমিটিকে প্রতিবেদন দিয়েছি।"

অন্যান্য দেশে দুর্নীতি দমনে নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংস্থার কার্যক্রম পরিদর্শন করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনে সংশোধনী আনতে গত ১০ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ওই তিন দেশ সফর করেন সংসদীয় কমিটির প্রতিনিধি দল।

সুরঞ্জিত বলেন, দুদক ১৯৪৭ সাল থেকেই ছিল। আগে ছিল (দুর্নীতি দমন ব্যুরো) সরকারের অধীনে। বর্তমানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মতো স্বাধীন এ সংস্থা। দীর্ঘদিন এ আইনের সংস্কার না হওয়ায় এর অসঙ্গতিগুলো দূর করে যুযোপযোগী করতে এই প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্র"য়ারি সংসদে তোলা এই সংশোধনী প্রস্তাব বর্তমানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে রয়েছে।

বিলের ৩২(ক) ধারা সংশোধনের প্রস্তাবে বলা হয়, এ আইনের অধীনে জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সরকারের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। যদিও, বিদ্যমান আইনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে দুদককে অনুমতি নিতে হয় না।

গত ২৬ জুন কমিটির ৪০তম বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত অন্যান্য দেশ ঘুরে পর্যালোচনার মাধ্যমে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত হয়। আর বিদেশ ঘুরে আসা প্রতিনিধিদলের প্রতিবেদন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় শনিবারের বৈঠকে।

ওই প্রতিবেদনের অনুলিপি অর্থমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব এবং জন প্রশাসন সচিবকে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে।

সুরঞ্জিত বলেন, "বিল ও কমিটির মতের সঙ্গে এই প্রতিবেদনের যোজন যোজন ফারাক। আমরা অর্থমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী ও হিসাব কমিটির সভাপতির বক্তব্য আবার নেবো। আশা করি, দুই পক্ষের দূরত্ব কমে আসবে।"

যত দ্রত সম্ভব বিলটি সংশোধিত আকারে সংসদে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আদালত অবমানা বিল

সুরঞ্জিত জানান, বৈঠকে আদালত অবমাননা বিল, ২০১১ নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাদের মতামতা তুলে ধরেন।

বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কমিটির সদস্য মো. ফজলে রাব্বী মিয়াকে আহবায়ক এবং মো. নূরুল ইসলাম সুজন ও শেখ ফজলে নূর তাপসকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি সাব-কমিটি করা হয় এ বৈঠকে।

কমিটির সদস্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম, মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, মো. জিয়াউল হক মৃধা, মো. নূরুল ইসলাম সুজন এবং শেখ ফজলে নূর তাপস এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

কন্টেইনারে 'ভয়ঙ্কর' ১০ দিন

Posted by methun

পাশেই পড়ে ছিল আল আমীনের লাশ; সরিয়ে দেয়ারও শক্তি ছিল না শরীরে। হাড় আর চামড়া ছাড়া গায়ে যেন কিছু নেই। মনে হচ্ছিল- মৃত্যুর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি-- 'দুর্ঘটনাক্রমে' সিঙ্গাপুর ঘুরে আসা বন্দর শ্রমিক দ্বীন ইসলাম বলছিলেন তার সেই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা পৌঁছানোর পর চট্টগ্রামে ফিরে শুক্রবার দুপুরে পাহাড়তলি এলাকার বিশ্ব কলোনিতে নিজের বাসায় বসে  সেই অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন তিনি।

গাঁজা সেবনের পর ঘুমানের জন্য সহকর্মী আল আমীনকে নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে রাখা একটি খালি কন্টেইনারে ঢুকেছিলেন দ্বীন ইসলাম। গত ১ এপ্রিল তাদের নিয়েই হানসা কালেডো নামের একটি জাহাজ সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে।

এর পাঁচ দিন পর জাহাজটি সিঙ্গাপুর বন্দরে পৌঁছায়। কন্টেইনারটি আরো পাঁচ দিন ওই বন্দরে পড়ে থাকার পর বন্দরের পাসিং পানজার টার্মিনালের কর্মীরা আল আমীনের লাশ ও দ্বীন ইসলামকে জীবিত উদ্ধার করে।

পরে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় বাংলা পত্রিকা 'বাংলার কণ্ঠে'র সম্পাদক এ কে এম মোহসীন ও কিছু প্রবাসী বাঙালি দ্বীন ইসলামকে নিজেদের হেফাজতে নেন। তাদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা পৌাঁছান দ্বীন ইসলাম। রাতেই বড় ভাই মো. বেলাল মিয়ার সঙ্গে চট্টগ্রামে ফেরেন তিনি।

দ্বীন ইসলাম জানান, কনটেইনারের সেই ১০ দিনে শুধু একবার খানিকটা বৃষ্টির পানি পেয়েছিলেন, আর কিছুই জোটেনি। দিনের বেলায় কন্টেইনার রোদে উতপ্ত হয়ে উঠলে এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকা যেতো না। কিছুক্ষণ পরপর জায়গা বদলাতে হতো।

"মনে হয়নি শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারবো। আল আমীনতো আমার সামনেই মারা গেল। আমি আবার নতুন জীবন পেয়েছি। সবাইকে নিয়ে ভালোভাবে বাঁচতে চাই।"

'কন্টেইনারে ঘুমাতে ঢুকেছিলাম'

চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক সরবরাহকারীদের (মাঝি) অধীনে অস্থায়ী ভিত্তিতে খাদ্যশষ্যবাহী জাহাজে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন দ্বীন ইসলাম। এই কাজ পেয়েছিলেন কন্টেইনারে আটকা পড়ার পাঁচ-ছয় মাস আগে। তবে প্রতিদিন কাজ থাকতো না।

"ওই দিন সকাল ৮ টার দিকে জেটিতে ঢুকি। সাথে আরো পাঁচজন। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কাজ করার পর মজুরির ২৫০ টাকা নিয়ে আল আমীনসহ জেটির ভেতরে ক্যান্টিনে ভাত খাই। এরপর বন্দরের ভেতরে ঘোরাঘুরি করতে করতে দেখি রাত হয়ে গেছে।"

রাত ১২টার দিকে জেটিতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা দুজন। একটি কন্টেইনারটি খালি আর পরিষ্কার দেখে ঢুকে পড়েন ভেতরে।

ওই রাতে মাদক সেবনের বিষটি স্বীকার করে দ্বীন ইসলাম বলেন, "সঙ্গদোষে নেশা করতাম। আর করবো না।"

আল আমীনই ওই রাতে গাঁজা নিয়ে এসেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, "নিমতলা (বন্দর ভবনের পাশের এলাকা) থেকে গাঁজা কিনে এনেছিলো সে। আমি দুই পুরিয়া গাঁজা খেয়ে কন্টেইনারের ভিতর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।"

দ্বীন ইসলাম ও আল আমীন যখন গভীর ঘুমে, তখনই কন্টেইনারটির দরজা বন্ধ করে সিঙ্গাপুরগামী জাহাজে ওঠানো হয়।

অনাহারের দিনগুলো

ঘুম ভাঙার পর দ্বীন ইসলাম আবিস্কার করেন, কন্টেইনারের ভেতরেই তারা আটকা পড়েছেন।

"অন্ধকারে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আল আমীনকেও দেখতে পাচ্ছিলাম না। অন্ধকারে কথা বলে বুঝতে পারছিলাম আমীনও আছে। প্রায় আধ ঘণ্টা হাত দিয়ে কন্টেইনারের দেয়ালে ধাক্কাধাক্কি করি দুজনে। কিন্তু কেউ আসেনি।"

আল আমীন তখনই বুঝতে পেরেছিলেন, তার আর বের হওয়া হবে না। কেন রাতে বাসায় ফিরে যাননি, তাই নিয়ে আফসোসও করেছিলেন।

তাদের কন্টেইনার ছিল জাহাজের ডেকের ওপরে। তার ওপরে আরো তিন সারি কন্টেইনার রাখা ছিল। আটকা পড়ার আনুমানিক তিন দিন পরে মারা যান আল আমীন।

"ও বলছিল, না খেয়ে মানুষ আড়াই দিন বাঁচে। মারা যাওয়ার আগে খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল। শুধু পানি খেতে চাইছিল, আর মা- বাবাকে ডাকছিল।"

এক সময় নাম ধরে ডেকেও আল আমীনের কোনো সাড়া পেলেন না দ্বীন ইসলাম। হাতড়ে হাতড়ে কাছে গিয়ে নিশ্বাস পরীক্ষা করে বুঝলেন, আল আমীন আর নেই।

"এতো দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম যে লাশটাও দূরে সরিয়ে রাখার শক্তি ছিল না। দুই দিন পর বৃষ্টি হয়। কন্টেইনারের ভেতর চুইয়ে পড়ে বৃষ্টির পানি। শব্দ শুনে শার্ট ভিজিয়ে সেই পানিই শুধু খেতে পেরেছি কয়েক ফোঁটা।"

আল আমীন মারা যাওয়ার পর নখ দিয়ে খুঁচিয়ে কন্টেইনারের দরজার পাশে লাগানো প্লাইউড সামান্য ফাঁক করেন দ্বীন ইসলাম। ওই ফাঁক দিয়েই বাইরে দেখার চেষ্টা করতেন, আর শ্বাস নিতেন জোরে জোরে।

সিঙ্গাপুর বন্দরে কন্টেইনার নামানোর সময় বুঝতে পেরে দুর্বল হাতে দেওয়ালে শব্দ করতে থাকেন দ্বীন। কিন্তু আশেপাশে অন্যান্য কন্টেইনার ওঠানামার শব্দে কেউ তা শুনতে পায়নি।

পাঁচ দিন পর বন্দরে পড়ে থাকা কন্টেইনারে আল আমীনের লাশ আর জীবিত দ্বীন ইসলামকে খুঁজে পান সিঙ্গাপুরের কর্মীরা। পুলিশ দ্বীন ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সিঙ্গাপুরেই দাফন করা হয় আল আমীনের লাশ।

হাসপাতালে তিন দিনের মাথায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা দেখা করেন দ্বীন ইসলামের সঙ্গে। পরে স্থানীয় এক আমেরিকান নারীর বাসায় আশ্রয় পান বাংলাদেশি দ্বীন।

"বিশ্রাম নিয়ে আর খাওয়া-দাওয়া করে সুস্থ হতেই পাঁচ মাস কেটে যায়। সেখানকার বাংলাদেশিদের সহায়তায় সবজির দোকানে আর ভবন শ্রমিক হিসেবে কয়েক সপ্তাহ কাজও করেছি। একবার মনে হয়েছিল সিঙ্গাপুর খুব সুন্দর। থেকে গেলে ভালই হয়।"

ছেলেকে দেখতে যাবেন দ্বীন

কোনো স্থায়ী পেশা না থাকায় দুই বছর আগে ছেলে দিদারুলের জন্মের পরপরই দ্বীনকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যান স্ত্রী বিউটি। সেই মার্চ মাসে ছেলেকে দেখেছিলেন। দ্বীনের দেশে ফেরার খবর পেয়েও ফেরেনি স্ত্রী-সন্তান।

দ্বীন ইসলামের বড় ভাই বেলাল বলেন, "আমার ভাই কথা দিয়েছে, সে আর নেশা করবে না। তার সুস্থ জীবনের জন্য প্রয়োজন একটা চাকরি।"

লেখাপড়া লাগে না- এমন একটা চাকরি দ্বীন ইসলামকে দিতে সরকারের কাছে আবেদন জানান বেলাল।

ছেলেকে ফিরে পেয়ে খুব খুশি দ্বীন ইসলামের মা শাহেদা বেগম আর পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা শামসুল হক।

"আমার ছেলে ফিরে আসবে ভাবিনি। আল্লাহর ইচ্ছায় সে ফিরেছে," বললেন শাহেদা।

শ্বশুরবাড়ি লাকসাম গিয়ে বউ-ছেলের সাথে দেখা করতে চান দ্বীন ইসলামও।

"ওদের নিয়ে আসার চেষ্টা করবো। সবাইকে নিয়ে আমি এখন ভালো থাকতে চাই।"

লিখে যাচ্ছেন হুমায়ূন

Posted by methun

জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চিকিৎসকরা বলছেন, তৃতীয় দফায় কেমোথেরাপি নেওয়ার পর তিনি স্বাভাবিকই আছেন।

হুমায়ূনের প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম  শনিবার বলেন, "এর আগে একটাই পরীক্ষা করা হয়েছিল। টিউমার মার্কার টেবল নিচের দিকে নামছে, এর মানে হলো ওনার কেমো কাজ করছে।"

শুক্রবার হুমায়ূনকে তৃতীয় দফা কেমো দেওয়া হয়। ওই কেমো শুরু করার আগে মাজহারুলকে এ কথা জানান চিকিৎসক।

তিনি বলেন, "এখন তৃতীয় কেমো চলছে। আগামীকাল শেষ হবে।

বৃহদান্ত্রের ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক যান হুমায়ূন। মাজহারুল তার সঙ্গেই সেখানে যান। তিন রুমের অ্যাপার্টমেন্টে হুমায়ূন পরিবারের সঙ্গেই থাকছেন তিনি।

নিউ ইয়র্কে মেমোরিয়াল স্লোয়ান-কেটরিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন হুমায়ূন।

নিউ ইয়র্কে হুমায়ূনের সঙ্গে থাকা মাজহারুল বলেন, "উনি আগের মতোই লিখে যাচ্ছেন। নতুন বইটার (নিউ ইয়র্কের নীল আকাশে ঝকঝকে রোদ) প্রায় পাঁচ-ছয়টা পর্বও লেখা হয়ে গেছে।"

মূলত নিউ ইয়র্কের অভিজ্ঞতা নিয়েই বইটি লিখছেন হুমায়ূন।

একটা কেমো কাজ শুরু করতে কয়েকদিন লাগে জানিয়ে মাজহারুল বলেন, "পরের কেমো শুরু হবে নভেম্বরের ৪ তারিখে। তারপর হয়তো ১৮ তারিখের দিকে সবরকম পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা কোনো একটা সিদ্ধান্ত দেবেন।"

নভেম্বরের ১৩ তারিখ হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে পাবলিক লাইব্রেরি চত্ত্বরে সপ্তাহব্যাপি বইমেলায় তার আত্মজীবনীমূলক রচনা 'রঙ পেন্সিল' বের হবে বলে জানান অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল।

তিনি বলেন, "অন্যান্য বছরের মতো তার রচনাবলী বের হবে। এটা পঞ্চম খণ্ড।"

পুঁজিবাজারে আসছে ৫০০০ কোটি টাকার তহবিল

Posted by methun

পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

সংগঠনের চেয়ারম্যান ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার শনিবার জানান, রোববার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হবে। ব্যাংক, বীমা ও লিজিং কোম্পানিগুলো এই তহবিল যোগাবে।

"এই তহবিলের নাম হবে মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড-এমএসএফ। পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

এই তহবিল পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার বাজারে টানা দরপতরে মুখে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) পক্ষ থেকে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনোয়োগ বাড়ানোর ঘোষণার দুই দিনের মাথায় বিএবরি এই ঘোষণা এলো।

তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়ানোর সেই ঘোষণার সঙ্গে এই তহবিলের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানান মজুমদার।

তিনি বলেন, "ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াবে। আর আমরা বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়াতে আলাদা এই তহবিল গঠন করছি।"

তিন মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক প্রায় ১ হাজার ৪৫২ পয়েন্ট কমে যাওয়ার পর গত সপ্তাহের শুরুতে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা আন্দোলন শুরু করে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিভিন্ন প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ নেয়।

কিন্তু তারপরও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সোমবার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) সহ- সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

বৃহস্পতিবার সকালে এবিবির এক জরুরি বৈঠকের পর সংগঠনের সভাপতি ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে মাহমুদ সাত্তার জানান, পরবর্তী সপ্তাহ থেকেই ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে নতুন করে বিনিয়োগ শুরু করবে।

তহবিল গঠনের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, "অতীতে দেশ ও জাতির যে কোনো দুর্যোগে বিএবি সবার আগে জনগণ ও সরকারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে পুঁজিবাজারে যে সংকট চলছে, তাতে বিএবির করণীয় নির্ধারণে রোববার জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকেই তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।"

সকাল ১১টায় গুলশানে জব্বার টাওয়ারে বিএবির কার্যালয়ে হবে এ বৈঠক।

"বাজার পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির জন্য প্রাথমিকভাবে আমরা এই তহবিল (এমএএফ) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রয়োজনে তহবিলের পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে," বলেন নজরুল।

মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। আর বিভিন্ন ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির কাছ থেকে এই তহবিল সংগ্রহ করা হবে বলে বিএবি প্রধান জানান।

Mamata faults 'some people' for Teesta fiasco

Posted by methun

Chief minister of the Indian state of West Bengal Mamata Banerjee on Saturday blamed 'some people' for creating 'confusion' on the issue of sharing of water of Teesta river between Bangladesh and India.

She also said India maintained best relations with Bangladesh and the governments of the two neighbours would work together.

Banerjee was talking to journalists on the sidelines of the National Development Council meet in New Delhi. This is the first time she spoke to journalists in New Delhi on the issue of Bangladesh-India relation after opting out of Indian prime minister Manmohan Singh's entourage to Dhaka last month, purportedly due to her differences with India's central government on the proposed deal on Teesta.

"Some people created confusion on (Teesta water issue)... we maintained the best relations with Bangladesh and I hope India and Bangladesh will work together," she said.

New Delhi and Dhaka had since long been negotiating a deal on Teesta and the two countries were about to sign an interim agreement during Singh's visit to Bangladesh on Sep 6 and 7. But Banerjee's decision not to accompany Singh to Dhaka made public her differences with India's central government on the issue of Teesta, forcing New Delhi to take it off the table.

Banerjee is understood to have conveyed to the Congress-led United Progressive Alliance government in New Delhi that she would not endorse a deal that would hurt the interests of the people of West Bengal, which is largely dependent on the common river for power generation and irrigation of agricultural land.

Banerjee on Saturday also said that New Delhi had not informed her government about Bangladesh prime minister Sheikh Hasina's visit to Dahagram and Angarpota through Indian territory in Tin Bigha corridor on Oct 19.

The West Bengal chief minister, however, also made it clear that she had no difference with the central government of India on the issue of providing round-the-clock access to the people of Bangladesh through the Tin Bigha corridor to Dahagram and Angarpota.

"There is no issue over Tin Bigha with our government. I am not informed about the Tin Bigha issue. It is between India and Bangladesh governments," she said.

Neither Banerjee nor any high-level representative of her government was present in Tin Bigha to receive Hasina on Oct 19. This fuelled speculation about West Bengal government being unhappy over New Delhi's decision to grant people of Bangladesh 24-hour access to Dahagram and Angarpota through Tin Bigha.

Indian government's ministry of external affairs, on the other hand, issued a statement claiming that the state government of West Bengal had been kept informed about Bangladesh prime minister's visit through Tin Bigha.

"It is also understood that the government of West Bengal was kept fully advised about the programme of the distinguished visitor (Hasina) as soon as intimation on this was received from the government of Bangladesh. The ministry of home affairs had also been in touch with concerned authorities in the government of West Bengal," official spokesperson of the Indian government's MEA said.

India's health minister Ghulam Nabi Azad and minister of state for home affairs Jitendra Singh had received Hasina in Tin Bigha on Oct 19. Though India's home minister and senior leader of the ruling Congress party P Chidambaram was supposed to receive her, he could not go to Tin Bigha due to a family exigency.

A section of Indian media reported that Dhaka was not happy with the absence of Chidambaram or any other high-profile minister of the central government of India in Tin Bigha October 19 and had conveyed its displeasure to Delhi.

But New Delhi issued a clarification on Saturday.

The official spokesperson of the Indian government's Ministry of External Affairs Vishnu Prakash said that Chidambaram was indeed due to receive Hasina on her arrival at Tin Bigha. But, on the eve of the event, Chidambaram's 91-year-old mother suffered a fall and fractured her hip for which surgery was scheduled on Oct 19 itself.

"Due to the family emergency, Home minister had to rush to Chennai, to be by his mother's side," said Prakash.

He said that Singh had then desired that Health Minister Ghulam Nabi Azad, who had a long association with Bangladesh, should receive Hasina.

"India has the highest regard and affection for prime minister Sheikh Hasina and the people of Bangladesh, and considers it an honour that she decided to pay a personal visit to Bangladesh territory in Angarpota and Dahagram through the Tin Bigha Corridor," the statement issued by Indian government's Ministry of External Affairs said.

"She (Hasina) was most gracious in her appreciation of India's gesture to make available round-the-clock access to Dahagram and Angarpota, so soon after the landmark visit of the prime minister of India to Dhaka in Sep."

'না বুঝলে' মুহিত এখনো আছেন কেন, প্রশ্ন খালেদার

Posted by methun

পুঁজিবাজার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে তিনি ক্ষমতায় বসে আছেন কেন?

শেয়ারবাজারের অস্থিরতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মঙ্গলবার বলেন, এ পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব তা তিনি জানেন না।

বাজারের এ অস্থিরতা নিয়ে বুধবার খালেদা জিয়া বলেন, "৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমাদের মুদ্রার দাম কমে গেছে। অন্যদিকে ডলার-পাউন্ডের দাম বেড়ে গেছে। যারা শেয়ার বাজার লুণ্ঠন করেছে তাদের বিচার হয়নি।

"এখন অর্থমন্ত্রী বলছেন, তিনি শেয়ারবাজার বোঝেন না। তাহলে তিনি ক্ষমতায় বসে আছেন কেন?"

বুধবার বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারি কলেজ মাঠে জনসভায় বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, "প্রাইমারি বাজার নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা সেকেন্ডারি বাজার নিয়ে।"

"সেকেন্ডারি বাজার ঠিক করার জন্য নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এর পরেও বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে না। কীভাবে ঠিক হবে আমি জানি না," যোগ করেন মুহিত।

পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের প্রতিবাদে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীরা গত রোববার অনশন শুরু করে। সোমবার আয়কর রেয়াতের মতো প্রণোদনা ঘোষণাসহ একটি উপদেষ্টা কমিটি করার কথা জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে। কমিটিতে অর্থমন্ত্রীও থাকছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে বুধবারের জনসভা আয়োজন চার দলীয় জোট। নওগাঁর পথসভার পর রোড মার্চ করে বিকাল ৫টা আট মিনিটে খালেদা জিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনসভাস্থলে পৌঁছান। প্রায় ৪০ মিনিট তিনি বক্তব্য দেন।

জনসভার মধ্য দিয়ে দুই দিনের রোড মার্চ কর্মসূচির সমাপ্তি টানেন খালেদা জিয়া। রাত সোয়া ৮টা নাগাদ তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউজ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া রাজধানীর নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চার দলের জনসভা থেকে রোড মার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গত ১০ অক্টোবর তার নেতৃত্বে ঢাকা-সিলেট রোড মার্চ করে চার দল।

'মা-বোনদের থাকতে হবে'

সরকার হঠাতে আরো কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি আসবে বলেও রোড মার্চ-পরবর্তী এ জনসভায় ঘোষণা দেন খালেদা।

তিনি বলেন, ''রোড মার্চ চলছে, আরো হবে। এরপর এই জালেম সরকারকে হঠাতে আরো কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে। মা- বোনসহ সবাইকে ওই কর্মসূচি থাকতে হবে।"

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যই তার দল সরকার হটানোর এই আন্দোলনে রাজপথে নেমেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে এটি খালেদা জিয়ার প্রথম জনসভা।

জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে দুপুর আড়াইটায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।

এই জনসভার মঞ্চে চার দলের শীর্ষ নেতারা, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার ঢাকা থেকে রোড মার্চ শুরু করে বগুড়ায় রাতে যাত্রাবিরতি করেন খালেদা। বুধবার সকাল ১১টায় বগুড়া সার্কিট হাউজ থেকে বিরোধীদলীয় নেতা চাঁপাই নবাবগঞ্জ অভিমুখে রোড মার্চ শুরু করেন। পথে নওগাঁ এ টিম খেলার মাঠে পথসভায় বক্তব্য দেন তিনি।

এরপর খালেদা জিয়ার গাড়িবহর রাজশাহীর ওপর দিয়ে চাঁপাই নবাবগঞ্জ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ অতিক্রমের সময় বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গগঠন এবং জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতা-কর্মীরা ব্যানার নিয়ে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানায়।

'একতরফা সর্ম্পক হয় না'

নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনসভায় সরকারের 'ভারতপ্রীতি' রয়েছে দাবি করে এর সমালোচনা করেন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, "এ সরকার বাংলাদেশকে শৃঙ্খলিত করে ফেলেছে। তারা দেশটাকে তাঁবেদার রাষ্ট্র বানাতে চায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও অর্থনীতি অন্য দেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশের বিরুদ্ধে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র।"

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে জনগণকে বর্তমান 'পরাধীন সরকারের' বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপার্সন।

ভারতের সঙ্গে সমতা ভিত্তিতে সুসম্পর্ক স্থাপনের কথা তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, "কাঁটাতারের ফেলানি লাশ কেন ঝুলে থাকবে। সীমান্তে হত্যা হবে নির্বিচারে। ভারতের পণ্য অবাধে প্রবেশ করছে, কিন্তু আমাদের দেশের পণ্য সেদেশে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না। এভাবে একতরফা সর্ম্পক হয় না।"

যোগাযোগমন্ত্রীর সমালোচনা

যোগাযোগমন্ত্রীর নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া জনসভায় বলেন, "রোড মন্ত্রী দেশের রাস্তাঘাটের কোনো সংস্কার করতে পারেননি। সব টাকা নিজের পকেটে নিয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের আগেই সব টাকা আত্মসাৎ করেছেন।"

সরকারের দুর্নীতির কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকা অর্থায়ন বন্ধ করেছে দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, "সেতু নির্মাণ হওয়ার আগে সরকার সব অর্থ গিলে খেয়ে ফেলেছে।"

তবে সরকারি ভাষ্যমতে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য প্রতিশ্র"ত ঋণের কোনো অর্থ দাতা সংস্থাগুলো এখনো ছাড় করেনি।

এর আগে নওগাঁর জনসভায়ও খালেদা মন্তব্য করেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের অর্থ সরকার 'গিলে খেয়ে ফেলেছে'।

নির্বাচন কমিশন

বর্তমান নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ বলে আবারো ন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা।

তিনি বলেন, "গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সঠিক সময়ে আমরা নির্বাচন চাই। কিন্তু তা হতে হবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন এদেশে হতে দেওয়া হবে না। গঠন করতে হবে নির্দলীয় নির্বাচন কমিশন।"

"সব দলের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।"

গত ১১ অক্টোবর সিলেটের জনসভায়ও একই অভিযোগ করেছিলেন খালেদা।

গত ৩০ জুন সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়। এর আগে সর্বোচ্চ আদালত এ ব্যবস্থা বাতিল করে।

সংবিধান সংশোধনের আগ থেকেই বিএনপি এ ব্যবস্থা বাতিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। পরে এ ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি তুলে চলেছে দলটি।

প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন

বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

"দেশের মানুষ খেতে পায় না। ডাস্টবিনের খাদ্য খায়," দাবি করে খালেদা বলেন, "সেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর করে বেড়ান। তার পরিবারের সদস্যরা দেশে থাকেন না। বিদেশিদের সঙ্গে আত্মীয়তা করেন। যাদের দেশে কেউ থাকেন না তাদের দেশপ্রেমও নেই। দেশের প্রতি তাদের দায়িত্বও নেই।"

তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা বিয়েও করেন বিদেশি।"

নতুন প্রজন্মের প্রতি আবারো আহবান

গত ১১ অক্টোবরের সিলেট জনসভার পর বুধবারের চাঁপাইনবাবগঞ্জের বনসভায়ও তরুণ প্রজন্মকে জেগে ওঠার আহ্বান জানান খালেদা।

তিনি বলেন, "বর্তমান সরকার নতুন প্রজন্মের জন্য কিছুই করবে না। তোমাদের (যুবক) বলছি, তোমরা কি কেবল স্লোগান দেবে, রাস্তায় থাকবে। তোমাদের নেশা করিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে ক্ষমতাসীন দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করছে। এটা চলতে পারে না।"

তার দল ক্ষমতায় গেলে তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানসহ নেতৃত্ব পর্যায়ে দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

গত ১১ অক্টোবর সিলেটে চার দলের জনসভায় খালেদা বলেছিলেন, তার দল আগামীতে ক্ষমতায় গেলে একটি কমিটি করে তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেবে।

বিএনপি জেলা সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান প্রমুখও বক্তব্য দেন।

জনসভার পর খালেদা জিয়া সার্কিট হাউজে যান। সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানান তার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।

মেট্রো রেল ভুরুঙ্গামারীর কী কাজে লাগবে, জানতে চান মকসুদ

Posted by methun

এক মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ এবার অবস্থান নিয়েছেন প্রস্তাবিত মেট্রো রেলের বিরুদ্ধে।

বিমানবাহিনীর বিরোধিতার কারণে গণমাধ্যমে উঠে আসা মেট্রো রেল সম্পর্কে প্রথম আলোর এই কলাম লেখক বুধবার এক আলোচনা সভায় বলেছেন, "মেট্রো রেল প্রকল্প ভুরুঙ্গামারী কিংবা মানিকগঞ্জের কৃষক কিংবা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারি জনগোষ্ঠীর কী কাজে লাগবে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।"

রাজধানীর যানজট নিরসন ও জনযাতায়াত ব্যবস্থা সুগম করার প্রতিশ্র"তি দিয়ে সরকারের নেওয়া মেট্রো রেল প্রকল্পের সমালোচনা করে মকসুদ বলেন, "মেট্রো রেল দেশের খুব বেশি মানুষের কাজে আসবে না।"

এ প্রকল্পকে সরকারের 'উচ্চাভিলাষী' প্রকল্প হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।

রাজধানীতে রিপোর্টার্স ইউনিটিতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত 'যাতায়াতে জনদুর্ভোগ : উচ্চভিলাষী প্রকল্প' শিরোনামের এক গোলটেবিলে কথা বলছিলেন মকসুদ।

উত্তরা থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত মেট্রো রেলের রুট পরিবর্তনের বিষয়টি স¤প্রতি গণমাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছে।

উচ্চতার কারণ দেখিয়ে রেল রুটের বিজয় সরণী অংশটিকে সংসদ ভবন হয়ে খামারবাড়ি দিয়ে ফার্মগেট নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিমান বাহিনী। তাদের মতে, রেল রুট বিজয় সরণী দিয়ে গেলে তেজগাঁও বিমানবন্দর ব্যবহার করা যাবে না।

যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগের দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঈদুল ফিতরের দিন (গত ৩১ অগাস্ট) একটি অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন আবুল মকসুদ।

পদ্মা সেতু জটিলতার কারণ বিএনপির দুর্নীতি: হাসিনা

Posted by methun

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি আমলে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির কারণেই বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন স্থগিত করেছে।

বুধবার লালমনিরহাটে এক জনসভায় তিনি বলেন, "আমার কাছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যে দুর্নীতির ডকুমেন্ট দিয়েছে, তা তাদের (চারদলীয় জোট সরকার) আমলের যোগাযোগমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। দুটি ডকুমেন্টই বিএনপির যোগাযোগমন্ত্রীর ডকুমেন্ট। চোরের মায়ের বড় গলা।"

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক কিছু দিন আগেই অর্থায়ন স্থগিতের ঘোষণা দেয়। বিরোধী দল দাবি করছে, সরকারের দুর্নীতির কারণেই পদ্মা সেতু নিয়ে এ জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে সরকারি দলের পক্ষ থেকে দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।

পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ ইতোমধ্যে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি দমন কমিশন কাজও শুরু করেছে।

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার পথ তিন বিঘা করিডোর পরিদর্শনের পর পাটগ্রাম সরকারি জসিমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি ডিগ্রি কলেজ মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার রোড মার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি শিগগিরই হবে বলে জানান তিনি। তিস্তার ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী।

লালমনিরহাটে আড়াইশ প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লালমনিরহাট সরকারি কলেজে মাস্টার্স কোর্স এবং পাটগ্রাম কলেজে অনার্স কোর্স চালু করা হবে।

এছাড়া এ জেলায় একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটও স্থাপন করার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিস্তা নদীর ভাঙনরোধে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের এ জনসভায় মহাজোট শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদও বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাহারা খাতুন, দীপু মনি, মোতাহার হোসেন, এ বি এম তাজুল ইসলাম।

পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম নাজুর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য ফজলে রাব্বি মিয়া, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমানও বক্তব্য রাখেন।

বুধবার সকালে বিমানে করে সৈয়দপুর যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে লালমনিরহাট পৌঁছান তিদনি। এরপর দহগ্রাম দ্বিমুখী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বিদ্যুৎ সঞ্চালন কার্যক্রম, দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এবং ১০ শয্যার দহগ্রাম হাসপাতাল উদ্বোধন করেন তিনি।

দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তিন বিঘা করিডোরে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র প্রসাদ সিং। করিডোর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে একটি লিচু গাছের চারা রোপণ করেন।

'সব গাড়ির নম্বর আছে'

জনসভায় বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী চারদলীয় জোটের রোড মার্চের সমালোচনা করে বলেন, "বিরোধী দলের নেতা রোড মার্চ করছেন, কিন্তু এটা রোড মার্চ নয়, এটা হলো গাড়ির শোডাউন। ক্ষমতায় থাকতে দুর্নীতি করে কত টাকা করেছেন, তার প্রমাণ আছে। রোড মার্চের গাড়ির নম্বর আমাদের কাছে আছে। এগুলোর তদন্ত করা হবে।"

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে বুধবারই উত্তরাঞ্চলে রোড মার্চ শেষ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। এর আগে ঢাকা-সিলেট রোড মার্চ করেছেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, "উনার (খালেদা) ছেলেরা দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাঠাতে পারছেন না, উনি দুর্নীতি করতে পারছেন না। এটাই তার দুঃখ। মানুষ যখন শান্তিতে থাকেন, বিএনপির নেত্রী তখন অশান্তিতে থাকেন।"

খালেদা জিয়ার আন্দোলনের হুমকির জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করেছে। মানুষ শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন। পেট ভরে ভাত খাচ্ছেন। এটা খালেদার সহ্য হচ্ছে না। তাই তিনি মানুষের ঘরে ঘরে আগুন জ্বালানোর কথা বলেছেন।

"আপনি মানুষের ঘরে আগুন দিয়ে কেন ধ্বংস করতে চান। আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ঘরে ঘরে আগুন দেওয়া কেন, কারো শান্তিও বিনষ্ট করতে দেওয়া হবে না।"

'উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করা'

শেখ হাসিনা বলেন, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের 'রক্ষা'ই খালেদার জিয়ার সরকার পতনের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।

"যুদ্ধাপরাধী, খুনি, রাজাকার ও মানবতাবিরোধীদের রক্ষায় তিনি (খালেদা) উঠেপড়ে লেগেছেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র"য়ারি ভোট চুরি করে এদের তিনি জাতীয় সংসদেও বসিয়েছিলেন। কারণ তিনি দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না, দেশের কল্যাণেও বিশ্বাস করেন না।"

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি বিএনপির সাবেক ও বর্তমান দুই সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার রয়েছেন। খালেদা জিয়া তাদের মুক্তি দাবি করে আসছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা বিশ্ব সভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। কিন্তু বিরোধী নেত্রী চান, মাথা হেঁট করে চলতে। দুর্নীতি তার নীতি। তিনি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নিয়েই থাকতে চান।

'দেশের প্রতি তার ভালোবাসা নেই'

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, "উনি আমার ধর্ম নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু আমি আমার ১৪ পুরুষের নাম বলতে পারবো।"

"উনাকে তার নানার নাম বলতে বললে বলতে পারবেন না। তিনি জিয়াউর রহমানের বাবা-মায়ের নাম এমনকি কোথায় তাদের কবর আছে, তাও বলতে পারবেন না। তার দেশের প্রতিও দায়িত্ব ও ভালোবাসা নেই।"

দুর্গাপূজার সময় শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় খালেদা জিয়া সিলেটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

হাসিনা বলেন, "বিএনপির আমলে আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যা ও নির্যাতনের মামলাগুলো চালু করে তাদের বিচার করা হবে।"

২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মী বিএনপির হত্যা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, "আমরা প্রতিশোধ নিতে চাই না। আইন তার আপন গতিতে চলবে।"

'ছিটমহল-তিস্তা সমস্যার সমাধান হবে'

তিন বিঘা করিডোর দিন-রাত খোলা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিএনপি এ সমস্যা সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তিন বিঘা করিডোর ২৪ ঘণ্টার জন্য খুলে দেওয়ায় বন্দিদশা থেকে এখানকার মানুষ মুক্তি পেয়েছেন।"

তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটি ছিটমহলের সমস্যার সমাধান করা হবে এবং সীমানা পুনর্র্নিধারণের কাজও চলছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় দুই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার দুই দিনের মাথায় ৮ সেপ্টেম্বর সব সময়ের জন্য খুলে দেওয়া হয় দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার প্রবেশদ্বার তিন বিঘা করিডোর।

এর আগ পর্যন্ত ওই করিডোর দিয়ে ভারতের নিরাপত্তারক্ষীদের পাহারার মধ্যে কেবল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলাচল করতে পারতো বাংলাদেশিরা। সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যেতো 'তিন বিঘা গেইট'।

তিন বিঘা করিডোর পরিদর্শনের সময় শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের বলেন, "ভারতের সঙ্গে বর্তমান সময়ের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকলে এক দিন সব সমস্যার সমাধান হবে। আশা করছি, শিগগির তিস্তা চুক্তি করতে পারবো।"

ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, "ইতোমধ্যে প্রটোকল সম্পন্ন করেছি। আশা করছি, এ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে।"

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি শিগগিরই হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন গঙ্গা ও তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করেছে। তিস্তার ন্যায্য হিস্যাও আদায় করা হবে।"

আমার বিরোধিতা করে আপনি গণতন্ত্র এনেছেন: এরশাদ

জনসভায় সামরিক শাসক এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর সফলতা কামনা করে বলেন, "আমার বিরোধিতা করে আপনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সংগ্রাম করে যান। জয়ী হউন।"

দেশের অন্য ছিটমহলবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি আশা করবো, আপনি তাদের মুক্ত করবেন।"

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, "নির্বাচনে আসুন, জয়ী হোন। দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সংসদে বিল উত্থাপন করেন। এরপর তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পরিবর্তন করুন।"

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন করে বিরোধী দল দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অগ্রণী ব্যাংকে ২ লাখ টাকা চুরি

Posted by methun

ময়মনসিংহ শহরে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে এক গ্রাহকের দুই লাখ টাকা চুরি হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ব্যাংকটির ক্যাশ কাউন্টার থেকে এই টাকা চুরি হয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ওই শাখার ব্যবস্থাপক খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, শহরের গঙ্গাদাস রোডের মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক অজয় কুমার সরকার দুপুর ১২টায় তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারের ভিতরে রাখেন।

পরে ক্যাশ অফিসার মাহমুদা বেগম টাকা গ্রহণ করার সময় সেখানে দুই লাখ টাকা কম আছে বলে জানান।

ব্যবস্থাপক আরো বলেন, এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয় নিশ্চিত হয়েছে। কিন্তু চোরকে সনাক্ত করা যায়নি।

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত

Posted by methun

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিুচাপের কারণে সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার রাত ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, গভীর নিুচাপটি দুর্বল হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে সরে রাত ৯টায় কক্সবাজার-মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে। ওই সময় স্থল নিুচাপ হিসেবে এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ওপর অবস্থান করছিলো।

বুলেটিনে বলা হয়, এটি স্থলভাগের ওপর আরো উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। নিুচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরগুলো এবং বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। সাগর মাঝারি ধরনের উত্তাল থাকবে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছধরা নৌকা ও ট্রলারকে পরর্বতী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি গভীর নিুচাপে পরিণত হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা থেকে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়।

'৯৯ শতাংশ বাচ্চাই বাবা-মায়ের মার খায়'

Posted by methun

দেশের সুপরিচিত একজন মনোবিজ্ঞানী বলেছেন, বাংলাদেশে ৯৯ শতাংশ শিশু ঘরে নির্যাতিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক গোলটেবিলে মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মেহতাব খানম বলেন, "বিদ্যালয়গামী শিশুদের ৯১ শতাংশ এবং শ্রমজীবী শিশুদের ৬০ শতাংশ কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।"

ইউনিসেফের সা¤প্রতিক এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

"বাবা-মায়ের তার সন্তানকে চড় মারার অধিকার রয়েছে," মন্তব্য করে তিনি বলেন, "কিন্তু এটা শিশুদের মনে কীরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এটাও বাবা-মাকে বুঝতে পারতে হবে"।

"তাই বাবা-মাকে শিশুদের মনের অবস্থা বুঝে তাদের শাসন করতে হবে।"

সিনেট ভবনে 'মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার-মানবাধিকার' শিরোনামে এ বৈঠক যৌথভাবে আয়োজন করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র, এডুকেশনাল এন্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজি ঢাবি এবং ছাত্র নির্দেশনা ও পরামর্শদান দপ্তর ঢাবি।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে এ গোলটেবিলের আয়োজন করা হয়।

শিশু সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের পারিবারিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন মেহতাব খানম বলেন, "এটা শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে এবং বাবা-মা সম্পর্কে শিশুদের মনে খারাপ ধারণা সৃষ্টি করে।"

মনোরোগের চিকিৎসা সম্পর্কে তিনি বলেন, "মনোবিজ্ঞানী বা মনো চিকিৎসক একা এ রোগ সারাতে পারবে না এর জন্য দরকার পরিবারের সহযোগিতা।"

Hasina blames BNP for Padma mess

Posted by methun

The World Bank suspended funding for the Padma bridge project due to 'corruption during the BNP's tenure', prime minister Sheikh Hasina has said.

"Corruption in the communications ministry during the last BNP government led to the halting of funding," she told a public meeting at Patgram on Wednesday.

Several cases over charges of corruption had been filed against Nazmul Huda—the communications minister of the last BNP-led four-party alliance government—during the caretaker government's tenure.

On a visit to Lalmonirhat to declare officially Tin Bigha corridor open round the clock, the prime minister said the difficulties in signing of Teesta deal and swapping enclaves with India would be overcome soon.

She also inaugurated Dahagram-Angorpota power distribution line at Dahagram School ground.

After the inauguration, she assured residents of Dahagram-Angorpota enclaves that the government would provide all help to improve their living standard.

In her speech, Hasina also slammed BNP chairperson Khaleda Zia.

"We want that there are no hartals, killings or militancy in the country so that people can live peacefully. We want our people to live with pride, but Khaleda Zia wants the people of the country walk with their heads down. She lives with terrorists and criminals," she said.

Banks meet Thursday over stocks exposure

Posted by methun

—An association of managing directors of banks will sit on Thursday to decide on raising exposure of banks in the stock market.

The meeting will call on commercial banks to raise their stock market investments within the legal limit, Association of Bankers, Bangladesh (ABB) president K Mahmud Sattar told on Wednesday evening.

"We'll ask banks with exposure below the legal limit to raise investments," he said.

"The PE is quite low in the market…it's a good time for investment."

ABB's meeting follows a call from the Bangladesh Bank governor for private banks to 'do what they can for the share market.'

At a meeting with ABB vice-president Nurul Amin, Atiur Rahman urged private banks to invest more in the market.

The exposure limit for banks in the capital market is up to 10 percent of their liabilities. Many banks were, however, investing well above this limit last year.

They pulled out in swarms as the market slumped at the beginning of this year. At present, the banks are investing three percent of their liabilities on an average.

Analysts think banks were the chief cause of the share market bubble and they should now help revive it.

Dhaka Stock Exchange (DSE) senior vice-president Ahsanul Islam told : "In 2010, banks and non-bank financial institutions made a Tk 34 billion profit from the stock market.

"This is public money and they are obliged to bring it back to the market," he added.

He said the banks currently had about Tk 190 billion in investments, of which Tk 70 to 80 billion were in margin loans distributed through brokerage houses.

When asked how much more was required to bring back stability to the market, he said another Tk 70 to 80 billion would be enough.

"But they cannot be allowed to give margin loans from that money. Either they'll have to go to portfolio investment or increase the capacity of their subsidiaries," Ahsanul added.

On Dec 5 last year, the DSE general index reached a record 8918 points. Unrest began in the market from the following day. December and January saw rapid freefall.

Following the budget in June where the government allowed undisclosed income into the market, it saw a month of improvement. The seesaw returned by the end of July.

In the last three months the index has fallen about 1452 points.

Abul Hossain ran first to get ministry!

Posted by methun

A ruling party MP has made a startling claim that the communications minister won his office by winning a race set no-one else but by prime minister Hasina.

The Awami League deputy, Golam Maola Rony, said at a talk show on a private TV channel on Monday, "This is a gift from the prime minister. We know, because we are so close to him."

When asked about the truthfulness of his story, he told on Wednesday: "Why would I lie on a TV talk show?"

Patuakhali MP Rony's statements, shown on Tritiya Matra, a talk show on Channel i, stirred a storm on the social media website Facebook and blogs. The video has been shared countless times on Facebook.

At one stage of the show, Rony described to his host and co-discussant how Abul Hossain had become the communications minister.

"When she was the opposition leader, she went to China once, around 2004/05/06.

"You know the prime minister is a simple person. Sometimes she chats and sings with others, creates a homely environment.

"At West Lake, she said, 'Get me a whistle'. Saber Hossain Chowdhury, Obaidul Quader and Syed Abul Hossain were there.

"She said, 'I'll blow this whistle and the three of you will run. Whoever is first will be a minister.

"Now she's the party chief, so Quader and Saber complied and ran. But Abul Hossain took it very seriously. He ran really fast and became first."

"Then he came to the prime minister and said, 'you have made a commitment, so you must make me the communications minister.'
"The prime minister resisted, saying it was a joke, that she was the opposition leader and there was no guarantee she would become the prime minister.



"But he got that commitment from her. Later he reminded the prime minister of the commitment when he became an MP.

"This is the true history of his becoming the communications minister. Whatever else he says, it did not happen in reality. We know, because we are so close to him."

However, Rony said he was not accompanying Hasina on that tour.

In another incident, Rony said Abul Hossain had told him, "Across the globe transport minister means the aviation ministry is under him, communications ministry and water transport ministry. The truth is that, despite running my work with such skill, I get a lot of spare time.

"If they can't run the aviation, they should give it to me. Water transport minister should give his ministry to me if he can't manage.

"I can run all of them. I want to show them how to work."

Rony also described the behaviour of the communications minister in parliament, adding, "He does not understand that people are joking with him. He thinks they laugh because they are appreciative."

Rony reassured  on Wednesday about the truth in his story.

"Ask the communications minister. If he denies, I will talk again."

Saber Hossain Chowdhury and Obaidul Qader were unavailable for comment on Rony's extraordinary tale.

EXCLUSIVE GP must pay: BTRC chief

Posted by methun

—Grameenphone must pay the Tk 30 billion in 'unpaid revenue, SIM taxes and interest', but there is still time for talks, the BTRC chairman said on Wednesday – just five days before the regulator's deadline.

"They have to pay," retired major general Zia Ahmed told  in an exclusive interview, "the doors for discussions are still open."

The BTRC deadline for GP ends on Oct 24, but both parties refused to soften their positions, fighting a war of words through the media since the Tk 3034 crore letter arrived at the operator's imposing headquarters in capital's Baridhara on Oct 3.

"Grameenphone can always get a copy of the audit report if they want," Zia Ahmed insisted.

"They can also bring international experts to negotiations with us," he added.

Zia Ahmed was responding to GP offensive in the past few days when Norway's Telenor-controlled mobile operator termed the audit "flawed" and said the auditors lacked sufficient knowledge of the industry.

Three days earlier, Sigve Brekke, the Bangkok-based chairman of Grameenphone, said on Sunday he did not see any reason for the company to pay that sum and alleged that the audit by the regulators was 'flawed'.

"We would like to see the audit report," Brekke had told a press conference.
"We are not questioning the regulator's right to conduct audit but we have concerns about the process," said the Telenor official. "They have to follow best practices and international standards."

The GP chairman said he wanted international auditors to do the job. "As an investor, we will protect our investment, as well as the interest of our thousands of shareholders and 35 million customers."

"If they can prove that some parts of the audit report exaggerate the claims, we'll obviously deduct that amount," Zia Ahmed said in Wednesday's interview.

"Grameenphone must sit for negotiations by Oct 24," he told . "I firmly believe that Grameenphone will pay up."

GP has been saying it is ready for talks but only after the 'withdrawal' of the Oct 3 letter. The BTRC says the taking the letter back has not been on the cards.

The BTRC chairman defended the audit process. "Grameenphone hadn't raised any objections when the audit began six months ago. Why are they talking about international audit now?"

On Sunday, the telecoms minister Raziuddin Ahmed Razu said at a function: "The government will act within the law."

In the wake of the deadlock, Jon Fredrik Baksaas, the group CEO of Telenor, the majority owners of Grameenphone, met prime minister Sheikh Hasina on Saturday and expressed concern about the fate of its investment in Bangladesh.

A day later, Brekke, also the Asia chief of the Norwegian company, said he saw "a huge potential" for Bangladesh's telecom industry, with high demand for voice and data connectivity.

Telenor owns 55.8 percent stake in GP, Grameen Telecom 34.2 and the rest 10 percent is held by public and GP employees.

শিগগির তিস্তা চুক্তি, তিনবিঘায় প্রধানমন্ত্রী

Posted by methun

তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিগগির তিস্তা চুক্তি ও ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়টি সুরাহা করা হবে।

বুধবার দুপুরে ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার প্রবেশদ্বার তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "ভারতের সঙ্গে বর্তমান সময়ের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকলে একদিন সব সমস্যার সমাধান হবে। আশা করছি শিগগির তিস্তা চুক্তি করতে পারবো।"

ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, "ইতোমধ্যে সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন করেছি। আশা করছি এ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে।" ট্রানজিট বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা সব সময় কানেক্টিভিটিতে বিশ্বাস করি।"

বেলা পৌনে ১টার দিকে শেখ হাসিনা তিনবিঘা করিডোরে পৌঁছান। এ সময় ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র প্রসাদ সিং তিনবিঘা করিডোর গেটে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান। পরে ২০ মিনিটের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় শেষে উপহার বিনিময় করেন তারা।

করিডোর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে একটি লিচু গাছের চারা রোপণ করেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দহগ্রাম দ্বিমুখী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতা বিদ্যুৎ সঞ্চালন কার্যক্রম, দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এবং ১০ শয্যার দহগ্রাম হাসপাতালের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

বুধবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার কুর্মিটোলা বিমান বন্দর থেকে বিমানে করে সৈয়দপুর যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকাপ্টারে লালমনিরহাট পৌঁছান বেলা ১১টায়।

বিকাল ৩টায় পাটগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদেরও জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান  বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সব আয়োজন শেষ হয়েছে। জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক সমাগম হবে বলে আশা করছি আমরা।"

তিন বিঘা করিডোর

গত ৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় দুই প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার দুই দিনের মাথায় ৮ সেপ্টেম্বর সব সময়ের জন্য খুলে দেওয়া হয় দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার প্রবেশদ্বার তিনবিঘা করিডোর। এর আগ পর্যন্ত ওই করিডোর দিয়ে ভারতের নিরাপত্তারক্ষীদের পাহারার মধ্যে কেবল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলাচল করতে পারতো বাংলাদেশিরা।

সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যেতো 'তিন বিঘা গেইট'। ।

কাগজে-কলমে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার অধীন হলেও দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার পথ হিসেবে ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিন বিঘা জমি ইজারা পায় বাংলাদেশ। এটিই পরিচিত হয় তিন বিঘা করিডোর নামে।

৮ সেপ্টেম্বর এই করিডোর সব সময়ের জন্য খুলে দেওয়ার পর উল্লাসে মেতে ওঠে ছিটমহলের বাসিন্দারা। তাদের কাছে এ যেন 'সত্যিকারের' স্বাধীন হওয়ার আনন্দ।

বুধবার তিন বিঘায় উপস্থিত হয়ে সেই 'স্বাধীনতারই' আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশে ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল এবং ভারতে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। ১৯৭৪ সালের চুক্তির আওতায় চলতি বছর স্বাক্ষরিত প্রটোকলের মাধ্যমে এসব ছিটমহল বিনিময় করবে দুই দেশ। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে সাড়ে ৬ কিলোমিটার অচিহ্নিত সীমানা এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যারও সমাধান করা হবে এর মাধ্যমে।