SPORTS JOBS 7WONDERS

Ads by Cash-71

দরপতন ঠেকানো যাচ্ছে না

Posted by methun

বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, এসইসি’র জরুরি বৈঠক
প্রতিদিন দরপতন ঘটছে পুঁজিবাজারে। কোনোভাবেই বাজারের পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কোনো পদক্ষেপই কাজে আসছে না। চরম হতাশায় বিনিয়োগ-কারীরা বেসামাল হয়ে রাস্তায় নেমে আসছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ও এসইসি। অনেকেই পুঁজি হারানোর কষ্ট অথবা লোকসানের  বোঝা মাথায় নিয়েই বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় বাজারের কলেবর ও  মূলধন কমে বাজার ক্রমশ অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে  এসইসি। পরিস্থিতির উন্নয়নে লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা ৩ দিন থেকে কমিয়ে ২ দিন করা হয়েছে। এছাড়া সিডিবিএলের চার্জ কমানো, টাকার নেটিং চালু, এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির অলস টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য আইন সংশোধন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
এসইসির জরুরি বৈঠক ঃ পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরি-স্থিতি নিয়ে গতকাল  সোমবার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে এসইসি। এতে লেনদেনের সময়সীমা কমিয়ে ৩ দিন থেকে ২ দিন করা হয়। এতোদিন কেউ শেয়ার কিনলে তা ৩দিন পর বিক্রি করতে পারতো। নতুন নিয়মে এখন দুইদিন পরই বিক্রি করা যাবে। এছাড়া সিডিবিএলের চার্জ কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে এক লাখ লেনদেনের জন্য ইলেক্ট্রোনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সিডিবিএলের চার্জ ২৫ টাকা। টাকার নেটিং চালুর ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর ফলে নির্দিষ্ট দিনে বিক্রি করা শেয়ারের সমপরিমাণ টাকার সব ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে পারবে বিনিয়োগকারীরা। সূত্র জানায়, এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির অলস টাকা শেয়ারবাজারে  বিনিয়োগের জন্য আইন সংশোধনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে এসইসি। আগামীকাল বুধবার সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৃহস্পতিবার এসইসির উপদেষ্টা কমিটি বৈঠক করে বাজারের ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, সমন্বয় করার বিষয়টি কেস টু  কেস সমন্বয়ের সময় বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
গতকাল বিকাল চারটায় এসইসির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিভজী, সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ, ডিএসইর সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু, সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ আবদুস সামাদ, এসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন, সদস্য প্রফেসর মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী, সদস্য আরিফ খান, সদস্য আমজাদ  হোসেন ও সদস্য আবদুস সালাম শিকদার।
বাজার পরিস্থিতি
ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সোমবার ২৫৬টি কোমপানির ৩ কোটি ৫৫ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট মূল্য ৩১৪ কোটি  ৪৫ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৩০ কোটি ৭০ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯৭ দশমিক ১১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯২০ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। চলতি বছরের ২৮ জুনের পর এই প্রথম সূচক ৬ হাজার পয়েন্টের নিচে নামলো। সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবার সূচক কমেছিল ৫৯ পয়েন্ট। ওইদিনও বিক্ষোভ করেছিল বিনিয়োগকারীরা। এর আগে বৃহস্পতিবার সূচক ১৮ পয়েন্ট কমেছিল। ওই দিন ডিএসইতে ২৪১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল, যা সাত মাসে সর্বনিন্ম। গতকাল ডিএসই- ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৬ দশমিক ২২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫০ দশমিক ১২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। লেনদেনকৃত ২৫৬টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ২১৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোমপানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে দুই লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।  চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার ১৮৩টি কোম্পানির ৮০ লাখ ৩১ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ছিল ৫১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের, কমেছে ১৭০টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৯৩ দশমিক ১২ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৭২১ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই ৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৪০ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮১৫ দশমিক ২১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে ২ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, বাজার বয়কটের হুমকি
ব্যাপক দরপতনের শুরু হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী ও গভর্নরের পদত্যাগ দাবিতে মতিঝিলে ডিএসইর সামনে স্লোগান দেয় তারা। এ সময়ে তারা গাড়ির টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মতিঝিলের  ইত্তেফাকের মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময়ে ডিএসইর সামনে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কোন সংঘর্ষ হয়নি। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে দরপতনের পর বিক্ষোভ হয়েছে চট্টগ্রামেও। অব্যাহত দরপতনের কারণে আজ মঙ্গলবার বাজার বয়কটের  ঘোষণা দিয়েছে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে ডিএসইর সামনে অবস্থান ধর্মঘটের কর্মসূচিও দিয়েছে সংগঠনটি।

গ্রামে সৌরবিদুৎ খাতের ঋণ কৃষি ঋণ হিসেবে গণ্য হবে

Posted by methun

ল্লী এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিতরণ করা ঋণকে কৃষি ঋণ হিসেবে গণ্য করা হবে। আর যে সব ব্যাংক এনজিওদের মাধ্যমে এ ঋণ বিতরণ করবে তার সুদের হার হবে ১২ শতাংশ।
সোমবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক আবদুস সোবহান তালুকদার স্বাক্ষরিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‌‌সোলার হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত পল্লী এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ পৌছানোর লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ব্যাংক ঋণ বিতরণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে উপকারভোগী গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ হারে সুদ আদায় করা যাবে। ব্যাংকগুলো এ খাতে যে ঋণ বিতরণ করবে- তা বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিলকৃত বিবরণীতে কৃষি বা পল্লী ঋণ হিসাবে দেখানো যাবে।

ব্যাংকগুলো যাতে সহজে ও সহজশর্তে সৌরশক্তি, বায়োগ্যাস এবং বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট খাতে ঋণ দিতে পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে ২০০ কোটি টাকার একটি পুন:অর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয় ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট।

ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুন:অর্থায়ন তহবিল থেকে ৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তার সঙ্গে আরও ৪ শতাংশ যোগ করে মোট নয় শতাংশ হারে (সরাসরি বিতরণের ক্ষেত্রে) সৌরবিদ্যুৎ খাতে গ্রাহকদের ঋণ দিত। আর আর যারা এনজিওর মাধ্যমে ঋণ দিত তাদের সুদ হার ছিল ১০ শতাংশ।

নতুন সার্কুলারে ব্যাংকগুলোর সরাসরি বিতরণ করা ঋণের সুদ হার আগেরটাই রাখা হয়েছে। তবে যারা এনজিওদের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করবে তাদের সুদ হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে।

এনজিওদের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করলে পরিচালনা খরচ বেশি পড়ার কারণে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন।

ব্যাংকগুলো তাদের মোট বিতরণ করা ঋণের একটি নির্দিস্ট অংশ যাতে কৃষি খাতে বিতরণ করে তার একটি নির্দেশিকা তৈরি করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো তাদের বিতরণ করা ঋণের কি পরিমাণ কৃষি খাতে দিয়েছে তার একটি বিবরণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠায়। এখন থেকে ব্যাংকগুলো গ্রামে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিতরণ করা ঋণকে কৃষি ঋণ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিবরণী পাঠাতে পারবে।

আমিনবাজারে গণপিটুনিতে ছাত্র হত্যায় পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা ছিল : তদন্ত কমিটি

Posted by methun

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ছয় কলেজছাত্র হত্যার ঘটনায় পুলিশের দুই এসআইয়ের দায়িত্বে অবহেলা ছিল উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি।
আজ (বৃহস্পতিবার) তদন্ত প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে জমা দেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম এ কে এম এনামুল হক। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘নিহতরা ডাকাত নয়।

 নিহত ছয় ছাত্র ডাকাতির উদ্দেশ্যে বড়দেশী গ্রামে যায়নি বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে।' প্রায় এক মাস ধরে ১১ পুলিশ সদস্য,নিহতদের পরিবারের সদস্য ও এলাকার বাসিন্দাসহ ৫৪ জনের সাক্ষ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বরদেশী গ্রামে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা পুলিশের সামনে সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।

 এর পরিপ্রেক্ষিতিই পুলিশ একটি তদন্ত কমিটি করে। পুলিশের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এরপর উচ্চ আদালত ওই ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা তদন্তের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয়।

সরকারের অদক্ষতাই মনমোহনের সফর ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল

Posted by methun


ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফর ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ব্যর্থতার জন্য সরকারের অদক্ষতাকেই দায়ী করেছেন।
বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার এই সফরকে ঐতিহাসিক বলে আখ্যায়িত করলেও এ থেকে বাংলাদেশ তেমন কিছুই পায়নি। সরকারের কূটনৈতিক দেওলিয়াত্ব, সমন্বয়হীনতা, অযোগ্যতা, অদক্ষতা ও সংকীর্ণতার কারণে এই সফর ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, দুদিনের সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরে যান মনমোহন।

 তাঁর বহুপ্রতীক্ষিত এ সফরে তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তার কোনও প্রতিফলন ঘটেনি। এতে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সঙ্কট আরও ঘনীভূত হয়েছে। দেশের মানুষ হতাশার গভীরে নিমজ্জিত হয়েছে। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, এম এ কাইয়ুম ও সাংবাদিক শফিক রেহমান।

সফরকালে মনমোহনের সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও। পানি বণ্টনের বিষয়টি দীর্ঘদিনেও সমাধান না হওয়ায় বিরোধীদলের নেতা হতাশা প্রকাশ করেছেন। আলোচনার ভিত্তিতে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়ার প্রেক্ষাপটে মনমোহনের সফরে বহুল আলোচিত ট্রানজিট নিয়েও কোনও সমঝোতা হয়নি। বিএনপি আগে থেকেই বলে আসছিলো- ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর দেওয়া হলে তা মেনে নেবে না তারা। ট্রানজিট নিয়ে মনমোহনের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন বিরোধীদলের নেতা।